মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা শিখেছিপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে পাবনার ভাঙ্গুড়ার একটি ঘি বিক্রির প্রতিষ্ঠানের মালিক

১,২০০ টাকার ঘি প্যাকেটে ১,৮০০ টাকা লেখায় ১ লাখ টাকা জরিমানা

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় একটি ঘি বিক্রির প্রতিষ্ঠান কেজি ১,২০০ টাকার ঘি প্যাকেটে বেশি দাম লিখে ১,৮০০ টাকায় বিক্রি করায় ভ্রাম্যমাণ আদালত মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেন, মান যাচাইয়ে নমুনাও নেওয়া হয়।

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা দুধ আর ঘির জন্য পরিচিত। ১২২টি গ্রামে প্রায় পাঁচ হাজার দুগ্ধ খামার, দিনে লাখ লিটারের বেশি দুধ হয়। এর প্রায় ৭৫ শতাংশ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কেনে; বাকি ২৫ শতাংশ দিয়ে স্থানীয়ভাবে ঘি ও মিষ্টি তৈরি হয়ে সারা দেশে যায়। এই সুনামের কারণে এখানকার ঘির চাহিদা বেশি।

২০২৫ সালের মার্চে উপজেলা সদরের চৌবাড়ীয়ায় একটি ঘি বিক্রির প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালান। প্রশাসনের ভাষ্য, সেখানে কেজি ১,২০০ টাকা দরের ঘি ১,৮০০ টাকায় বিক্রির প্রমাণ মেলে। উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক জানান, ঘি প্যাকেট করার সময় মূল্য বেশি লেখা হয়েছিল। মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং ঘির মান যাচাইয়ের জন্য নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়।

প্রশাসন জানিয়েছে, এলাকার সুনামের সুযোগ নিয়ে একটি চক্র ভেজাল ঘি তৈরি ও বেশি দামে বিক্রি করছে — এমন তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান, আর ভোক্তার অধিকার রক্ষায় এ ধরনের অভিযান চলবে।

যা শেখার আছে

  1. ১.প্যাকেটে যে দাম লিখবেন, তা যৌক্তিক ও প্রমাণযোগ্য রাখুন — বেশি দাম লেখাই এখানে জরিমানার কারণ।
  2. ২.এলাকার সুনাম থাকলে প্রশাসনের নজরও বেশি থাকে; মান পরীক্ষার জন্য নমুনা নেওয়া হতে পারে, তাই খাঁটি পণ্য আর কাগজপত্র ঠিক রাখুন।
  3. ৩.এক লাখ টাকার জরিমানা ছোট ব্যবসার কয়েক মাসের লাভের সমান হতে পারে — নিয়ম মানার খরচ জরিমানার চেয়ে কম।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।