মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

ঘি ও মাখন তৈরি

দুধ ভাঙিয়ে মাখন ও ঘি, আর পাতলা দুধ থেকে ছানা-দই। এক মণ (৪০ কেজি) দুধে সোয়া কেজি ঘি; খরচ প্রায় ৳২,৯০০, বিক্রি ৳৩,০৪০–৩,২৬০ — লাভ ৫ থেকে ১১ শতাংশ।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
ঘি ও মাখন তৈরি

ঘি ও মাখন তৈরি

শুরুর পুঁজি
৳৬০,০০০ – ৳৪,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
২ – ৬ জন
প্রথম বিক্রি
১৫ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
২ – ৬ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ঘরে বসে · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

কাঁচা দুধ কিনে মেশিনে ভাঙিয়ে সর বা মাখন আলাদা করা, সেই মাখন জ্বাল দিয়ে ঘি বানানো, আর যে পাতলা দুধ থেকে যায় তা দিয়ে ছানা বা টক দই তৈরি করা। এক কাজেই তিন পণ্য। টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের উফুল্কী গ্রামের ঘোষপাড়ায় শতাধিক পরিবার যুগ যুগ ধরে এই কাজ করছে। সেখানে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মেশিন চলে আর দিনে গড়ে ৭০ থেকে ৮০ মণ দুধ ভাঙানো হয়; কোনো দিন তা ৫০ মণে নেমে আসে। হাতে ঘোরানো মেশিনে ঘণ্টায় প্রায় আট মণ দুধ ভাঙানো যায়, বিদ্যুতের মেশিনে আরও বেশি। আসল হিসাবটা এই — এক মণ অর্থাৎ ৪০ কেজি দুধ থেকে গড়ে সোয়া কেজি ঘি পাওয়া যায়, সঙ্গে মিষ্টি বানানোর জন্য সাত থেকে আট কেজি ছানা। ১৯ আগস্ট ২০২৬ তারিখে সেখানে দুধ কেনা হয়েছে প্রতি কেজি ৳৬০ দরে, মানে এক মণ দুধে ৳২,৪০০। মজুরি আর জ্বালানি মিলিয়ে মোট খরচ দাঁড়ায় প্রায় ৳২,৯০০। সেই এক মণ দুধের ঘি আর ছানা বিক্রি করে আসে ৳৩,০৪০ থেকে ৳৩,২৬০। অর্থাৎ এক মণ দুধে লাভ তিন শ টাকার কিছু বেশি — শতকরা হিসাবে পাঁচ থেকে এগারো ভাগ। দুধের দাম এক টাকা বাড়লেই এই পাতলা লাভ উবে যায়, এটাই ব্যবসার আসল ঝুঁকি। তাই ঘোষপাড়ার অনেকে এখন ছানার বদলে টক দইয়ের দিকে ঝুঁকছেন, কারণ দইয়ে লাভ বেশি বলে তাঁরা জানান। শীতকালে ঘির চাহিদা ও দাম দুটোই বাড়ে।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৭০,০০০ – ৳২,০০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৩,০৪০ – ৳৩,২৬০ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳২,৪০০ – ৳২,৯০০ / এককবাজারদর
মোট লাভের হার৪% – ১১%বাজারদর
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১৫ – ৬০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়২ – ৬ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র২ – ১৫ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার১% – ৪%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৮ – ১৪বাজারদর

শুরু করতে যা লাগবে

  • দুধ ভাঙানোর মেশিন বা ক্রিম সেপারেটর — হাতে ঘোরানো বা বিদ্যুৎচালিত। ১০০ লিটারের সেপারেটর অনলাইনে ৳৩৫,০০০–৪০,০০০। সঙ্গে জ্বাল দেওয়ার কড়াই, চুলা, ছাঁকনি আর ওজনের পাল্লা।যন্ত্রপাতি
  • মোড়কজাত করার টিন বা কাচের বয়াম আর লেবেল। খুচরা বাজারে ১০০ গ্রাম থেকে দেড় কেজি পর্যন্ত নানা মাপে ঘি বিক্রি হয়।শুরুর মাল
  • খাদ্য নিরাপত্তা (নিবন্ধন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা ২০২৬ অনুযায়ী নিবন্ধন — নতুন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর। দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদক ও মোড়কজাত খাদ্য উৎপাদকের জন্য বাধ্যতামূলক।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কর্মদিবসে দেয়।লাইসেন্স
  • ঘি জ্বাল দেওয়ার সময় আঁচ ধরা — বেশি পুড়লে গন্ধ নষ্ট, কম হলে দানা বাঁধে না। আর দুধে পানি বা ভেজাল আছে কি না তা কেনার সময়েই ধরা।দক্ষতা
  • প্রতিদিনের কাঁচা দুধ। মির্জাপুরের কারিগরেরা আশপাশের বাজার থেকে প্রতি কেজি ৳৬০ দরে দুধ কেনেন (আগস্ট ২০২৬)। অর্ডার বুঝে দিনে ৮ থেকে ১৪ মণ দুধ আনা হয়।সরবরাহকারী
  • বাড়ির একটি ঘর বা ছোট কারখানা — পানি, বিদ্যুৎ আর চুলার জায়গাসহ। ঘোষপাড়ার কাজ চলে বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1দুধের জোগান আগে ঠিক করুন। ঘোষপাড়ার কারিগরেরা মির্জাপুর ও আশপাশের বাজার থেকে দুধ কেনেন — একজন শুক্রবার দেলদুয়ার বাজার থেকে প্রতি কেজি ৳৬০ দরে চার মণ দুধ কিনেছেন।
  2. 2দুধ ভাঙানোর মেশিন কিনুন। হাতে ঘোরানো মেশিনে ঘণ্টায় প্রায় আট মণ দুধ ভাঙানো যায়; বিদ্যুতের মেশিন বেশি দেয়। বাজারে ১০০ লিটারের ক্রিম সেপারেটর ৳৩৫,০০০–৪০,০০০।
  3. 3ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর নামের মধ্যে দুগ্ধজাত পণ্য তৈরির কথা লেখান।
  4. 4বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন করান। নতুন নিবন্ধন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর — দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদকের জন্য এটি বাধ্যতামূলক।
  5. 5দুধ ভাঙিয়ে সর বা ক্রিম আলাদা করুন। এক মণ (৪০ কেজি) দুধে গড়ে সোয়া কেজি ঘি আর সাত-আট কেজি ছানার দুধ পাওয়া যায় — এই অনুপাতটাই ব্যবসার মূল হিসাব।
  6. 6ক্রিম জ্বাল দিয়ে ঘি বানান আর ছেঁকে নিন। দানাদার গাওয়া ঘি বাজারে আলাদা দাম পায়।
  7. 7পাতলা দুধ ফেলে দেবেন না। তা থেকে ছানা বা টক দই বানান। ঘোষপাড়ার কারিগরেরা বলছেন ছানার চেয়ে টক দইয়ে লাভ বেশি, তাই অনেকে সেদিকে ঝুঁকছেন।
  8. 8মিষ্টির দোকানে ছানা আর মুদিদোকানে ঘি পৌঁছে দিন। উফুল্কীর পণ্য যায় মির্জাপুর বাজার, টাঙ্গাইল, ঢাকার কেরানীগঞ্জ, চকবাজার, কচুক্ষেত ও নারায়ণগঞ্জে।
  9. 9ফেরিওয়ালাদের দিয়ে টক দই ছড়িয়ে দিন। উফুল্কী থেকে পাইকারি দই কিনে ফেরি করে বিক্রি করেন আশিজনের বেশি মানুষ।
  10. 10টিন বা কাচের বয়ামে ওজন লিখে মোড়কজাত করুন, তাহলে শহরের দোকান ও অনলাইনে বিক্রি করা যায়। অনলাইনে সিরাজগঞ্জ ও পাবনার ঘোষবাড়ির নামে ঘি বিক্রি হচ্ছে।
  11. 11শীতের জন্য আগে থেকে ঘি জমিয়ে রাখুন — শীতে মানুষ ঘি বেশি খায় আর তখন দামও একটু বেশি থাকে।

মৌসুম

  1. জানুবেশি
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেবেশি
  12. ডিসেবেশি
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীসিরাজগঞ্জ · দেশের বড় দুধ অঞ্চল; সিরাজগঞ্জের ঘোষবাড়ির নামে মোড়কজাত ঘি সারা দেশে অনলাইনে বিক্রি হয়, ৯০০ গ্রাম ৳১,২৯০ ও দেড় কেজি ৳২,০৯০ দরে।
  • খুব উপযোগীটাঙ্গাইল · মির্জাপুর উপজেলার জামুকী ইউনিয়নের উফুল্কী গ্রামের ঘোষপাড়ায় শতাধিক পরিবার পূর্বপুরুষের আমল থেকে ঘি, ছানা ও টক দই বানায়; দিনে ৭০–৮০ মণ দুধ ভাঙানো হয়।
  • সম্ভববগুড়া · দইয়ের জন্য ভৌগোলিক নির্দেশক স্বীকৃতি পাওয়া জেলা, দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতের পুরোনো কারিগর ও বাজার দুটোই আছে — ঘি ও ছানার কাজ সেই কাঠামোর উপরেই দাঁড়ায়।
  • সম্ভবঢাকা · উৎপাদনের চেয়ে বিক্রির জায়গা — উফুল্কীর ঘি ও ছানা যায় কেরানীগঞ্জ, চকবাজার ও কচুক্ষেতে। শহরে খাঁটি ঘির দাম ভালো, কেজি ৳১,১২৫–১,৭৫০।
  • সম্ভবমানিকগঞ্জ · টাঙ্গাইলের গা ঘেঁষা আর ঢাকার দুধের জোগান বেল্টের ভেতরে; ঘিয়ের কাঁচামাল হাতের কাছে আর ঢাকার বাজার এক ঘণ্টার পথ।
  • সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · টাঙ্গাইলের ঘোষপাড়ার পণ্যের নিয়মিত গন্তব্য; ঘন বসতি আর মিষ্টির দোকানের সংখ্যা বেশি বলে ছানার চাহিদা স্থির।
  • সম্ভবপাবনা · একই দুধ অঞ্চলের জেলা; পাবনার গাওয়া ঘি নামে পণ্য অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে, তাই কাঁচা দুধ ও ঘির দুই দিকই এখানে আছে।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচলতি মূলধন: লাভের পর্দা খুব পাতলা — এক মণ দুধে সব খরচ ৳২,৯০০ আর বিক্রি ৳৩,০৪০–৩,২৬০, অর্থাৎ তিন শ টাকার কিছু বেশি। দুধের দাম কেজিতে ৮–১০ টাকা বাড়লে এক মণে খরচ বাড়ে ৳৩২০–৪০০, আর তাতেই পুরো লাভ মুছে যায়। অথচ ঘি বা ছানার দাম সঙ্গে সঙ্গে বাড়ানো যায় না, কারণ মিষ্টির দোকান আগের দামেই মাল চায়।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: কাঁচা দুধ ছাড়া এই ব্যবসা এক দিনও চলে না, আর দুধ আসে খোলা বাজার থেকে, চুক্তিতে নয়। অর্ডার বুঝে দিনে ৮ থেকে ১৪ মণ দুধ আনা হয় — কিন্তু বাজারে দুধ না উঠলে বা অন্য ক্রেতা বেশি দাম দিলে মেশিন বন্ধ থাকে। গোটা ঘোষপাড়ায় কোনো কোনো দিন ৮০ মণের জায়গায় ৫০ মণ দুধ আসে।
  • মাঝারিনষ্ট হওয়া: ছানা আর টক দই কয়েক দিনের জিনিস, ফ্রিজ ছাড়া গরমে দ্রুত নষ্ট হয়। ঘি তুলনায় টেকে, কিন্তু তা বানাতেও দুধ সেদিনই ভাঙাতে হয়। দুধ হাতে আসার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কাজ শেষ না হলে পুরো চালান নষ্ট।
  • মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: ঘি ভেজালের জন্য কুখ্যাত পণ্য — ডালডা বা উদ্ভিজ্জ চর্বি মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগে প্রায়ই অভিযান হয়। খাঁটি ঘি বানালেও নিবন্ধন ও মোড়কে তথ্য না থাকলে জরিমানা হয়। খাদ্য নিরাপত্তা প্রবিধানমালা ২০২৬ অনুযায়ী দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদকের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, নতুন নিবন্ধন ৳১,০০০ আর মেয়াদ তিন বছর।
  • মাঝারিচাহিদা: ঘি মূলত শীত আর উৎসবের পণ্য। শীতে মানুষ ঘি বেশি খায় আর তখন দামও একটু ভালো থাকে; বাকি সময় বিক্রি পড়ে যায়। ছানার চাহিদাও মিষ্টির দোকানের উপর নির্ভরশীল, আর সেই দোকানগুলো বছরের একটা বড় সময় কম মাল নেয়।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে চট্টগ্রামের রাউজানের একজন প্যাড়া ও ঘি প্রস্তুতকারক

সাইনবোর্ডহীন এক মানুষের দোকান, দিনে ১২–১৫ কেজি প্যাড়া

১২ কেজি দুধ আর আড়াই কেজি চিনিতে হয় ৪ কেজি ২৫০ গ্রাম প্যাড়া, বিক্রি ৫০০ টাকা কেজি। মাখন ১,৮০০ আর ঘি ২,৮০০ টাকা কেজি; সব খরচ বাদে মাসে থাকে ৩০,০০০–৩৫,০০০ টাকা।

কারণ
ভালো মান, নিয়মিত ক্রেতা

একই রকম আরও ব্যবসা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

চিড়ার মিল

গরম বালুতে ধান ভেজে মেশিনে চিড়া বানানো। গ্রামের মিল কেজিপ্রতি ৳৮ মজুরিতে কৃষকের ধান ভাঙে; বাজারে চিড়ার খুচরা দর ৳৭০–৮০ কেজি।

পুঁজি
৳৬০ হাজার – ৳৫ লাখ
জনবল
২ – ৫ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

তুলসীমালা সুগন্ধি চাল

শেরপুরের জিআই স্বীকৃত সুগন্ধি ধান ফলিয়ে ও ছাঁটিয়ে বিক্রি। ধান ৳২,২০০–২,৪০০ মণ, চাল অনলাইনে ৳১৪৫–১৫০ কেজি — জিআই থাকা সত্ত্বেও সাধারণ সুগন্ধি চালের চেয়ে দাম বেশি নয়।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳৩ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
১২০ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

সৌর শুঁটকি — মাচা ও সোলার ড্রায়ারে শুকানো

মাটিতে নয়, মাচায় বা সোলার ড্রায়ারে মাছ শুকিয়ে কীটনাশকমুক্ত শুঁটকি বানানো। ৩ জুন ২০২৬-এ চট্টগ্রামের আছাদগঞ্জে ভালো ছুরি শুঁটকি ৳২,০০০–২,৫০০ আর লইট্টা ৳৬০০–১,৫০০ কেজি।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳৬ লাখ
জনবল
২ – ২০ জন
প্রথম আয়
২০ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ

পনির ও ছানা তৈরি

দুধ কেটে ছানা, চেপে পনির। ৮–১০ কেজি দুধে ১ কেজি পনির, বিক্রি ৳৯০০–১,২০০ কেজি — পুরো ব্যবসাটাই দুধ আর পনিরের দামের ব্যবধান।

পুঁজি
৳৫০ হাজার – ৳২০ লাখ
জনবল
১ – ১০ জন
প্রথম আয়
৭ – ১৩৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান