যা শিখেছিপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে ভোলার একজন শাড়ি-কাপড় ব্যবসায়ী
আগুনে পুড়ল শাড়ির দোকান ও দুই গুদাম, ক্ষতির হিসাব দুই রকম
ভোলায় খালপাড়ের শাড়ির দোকান ও দুই গুদাম পুড়ে যায়। মালিকের হিসাবে ক্ষতি ২৫–৩০ লাখ টাকা, ফায়ার সার্ভিসের হিসাবে ১৫–২০ লাখ।
ভোলায় খালের পাড়ে ছিল এই ব্যবসায়ীর শাড়ি-কাপড়ের দোকান। আগুনে দোকানের সঙ্গে ছোট ও বড় দুই গুদামের শাড়ি-কাপড়ও পুড়ে যায়। মালিকের ভাষ্য, "প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।" ফায়ার সার্ভিস অবশ্য ক্ষতির পরিমাণ ধরেছে ১৫–২০ লাখ টাকা — দুই হিসাবের ফারাক প্রায় ১০ লাখ, আর মালের লিখিত হিসাব না থাকলে কোনটা ঠিক তা প্রমাণ করা যায় না। খালের ঘাট দখল হয়ে যাওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের পানি তুলতেও দেরি হয়। দোকান আর গুদাম একই জায়গায় থাকায় পুরো মজুতটাই একসঙ্গে শেষ হয়ে যায়।
যা শেখার আছে
- ১.দোকান আর গুদাম এক জায়গায় রাখলে পুরো ঝুঁকিটা এক ছাদের নিচে জমা হয়
- ২.মালিকের হিসাব ২৫–৩০ লাখ, ফায়ার সার্ভিসের ১৫–২০ লাখ — মালের খাতা না থাকলে ক্ষতি প্রমাণ করা যায় না
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
