হাতে রং করা পাঞ্জাবি দিয়ে শুরু, এখন মাসে ১,০০০-এর বেশি শাড়ি ও খরচ বাদে ২–৩ লাখ টাকা লাভ
করোনার সময় ঘরে বসে থাকা তিন পলিটেকনিক শিক্ষার্থী হাতে রং করা কাপড়ের ব্যবসা শুরু করেন। দুটি ফেসবুক পেজ ও একটি আউটলেট নিয়ে এখন তাঁদের ১০ জন কর্মী।
ঢাকার তিন বন্ধু পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে পড়ার সময় করোনার কারণে ঘরেই থাকতেন। অনলাইনে কেনাকাটা তখন জমজমাট। তাঁদের একজনের রং করা কাপড় নিয়ে ভালো ধারণা ছিল, তাই তিনজন মিলে হাতে রং করা পাঞ্জাবি বানানো শুরু করেন। সাড়া পেতে সময় লাগেনি। সে সময় খোলা ‘চিরকুট’ ও ‘চিরকুটওয়ালা’ নামের দুটি ফেসবুক পেজে এখন চার লাখের বেশি অনুসারী। তাঁরা জানান, প্রতি মাসে গড়ে এক হাজারের বেশি শাড়ি বিক্রি হয়, সঙ্গে অন্য পণ্যও। অনলাইনের পাশাপাশি খিলগাঁওয়ে তাঁদের নিজস্ব আউটলেট আছে। সব ধরনের খরচ বাদ দিয়ে মাসে গড়ে প্রায় দুই থেকে তিন লাখ টাকা লাভ থাকে। এখন অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে ১০ জন কর্মী কাজ করেন। তিনজনই এখন ঢাকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পুরকৌশল পড়ছেন এবং নিজেরাই পড়াশোনার খরচ জোগাচ্ছেন। শুরুতে পরিবারের একটু অমত থাকলেও ব্যবসা বড় হওয়ার পর এখন সবার সহযোগিতা পান। তাঁদের লক্ষ্য দেশজুড়ে ডিলার তৈরি করা, যাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হয়।
যা শেখার আছে
- ১.একজনের হাতে-কলমে ধারণা থাকলে ছোট দলে অল্প পুঁজিতেই শুরু করা যায়; এখানে অনলাইন বিক্রিই প্রথম ধাপ ছিল।
- ২.ফেসবুক পেজে অনুসারী বাড়ানোর পর আউটলেট খুলে অনলাইন ও অফলাইন দুই দিক ধরা যায়।
- ৩.পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যবসা চালালে নিজের খরচ নিজেই জোগানো যায়, আর সাফল্য দেখলে পরিবারের আপত্তিও কমে।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে আর পরিচয় গোপন রেখে আমরা এটি প্রকাশ করেছি।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। প্রথম কথাটা আপনিই লিখতে পারেন।
