মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেআজকের পত্রিকার প্রতিবেদনে বগুড়ার একজন আচার উদ্যোক্তা · ২০২০ সালে শুরু

৩০০ টাকার আচারে শুরু, এখন মাসে আয় ৩–৪ লাখ

২০২০ সালে ৩০০ টাকা দিয়ে ঘরে আচার বানানো শুরু। এখন মাসে প্রায় ১০০ কেজি গরুর মাংসের আচার বিক্রি হয় কেজি ১,০০০ টাকায়, ব্যবসার পুঁজি ২০ লাখ, কর্মী ১৫ জন, মাসিক আয় ৩–৪ লাখ টাকা।

বগুড়ার এই তরুণী ২০২০ সালে করোনার সময় ঘরে বসে ৩০০ টাকার উপকরণ দিয়ে আচার বানানো শুরু করেন। ব্যবসার ভিত দাঁড়ায় গরুর মাংসের আচারকে ঘিরে, যা এখন মাসে প্রায় ১০০ কেজি বিক্রি হয় কেজিপ্রতি ১,০০০ টাকা দরে; পরে যোগ হয় রসুনের আচার, মাসে প্রায় ৫০ কেজি, আর ঘি, মাসে প্রায় ১০০ কেজি। একটি দামি ও আলাদা পণ্যকে সামনে রেখে বাকি পণ্যগুলো দাঁড় করানো হয়েছে, তাই সস্তা দরে কারও সঙ্গে লড়তে হয়নি। এখন ব্যবসার পুঁজি ২০,০০,০০০ টাকা, কাজ করেন ১৫ জন, আর মাসিক আয় ৩–৪ লাখ টাকা। পণ্য যায় দেশের ৬৪ জেলাতেই, পৌঁছেছে ৪৭টি দেশেও।

যা শেখার আছে

  1. ১.একটা আলাদা, দামি পণ্য — কেজি ১,০০০ টাকার গরুর মাংসের আচার — পুরো পণ্যতালিকাটাকে টেনে নিতে পারে
  2. ২.অর্ডার পেয়ে বানিয়ে সরাসরি ক্রেতার কাছে বিক্রি করলে খুব অল্প পুঁজিতেও শুরু করা যায়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।