মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিসমকালের প্রতিবেদনে বগুড়ার লাচ্ছা সেমাই কারখানার মালিকেরা

২০ কেজি লাচ্ছার দাম ১,৩০০ থেকে ২,৪০০, অর্ডার নেমে অর্ধেক

উপকরণের দাম প্রায় ৪০ শতাংশ বাড়ায় ২০ কেজি খোলা লাচ্ছার দর ১,৩০০ থেকে ২,৪০০ টাকা করতে হয়; পাইকারেরা অর্ডার কমিয়ে দেন। ২০,০০০ টনের বার্ষিক উৎপাদন নেমে আসছে ১২,০০০ টনে, প্রায় ২০০ কারখানার ৪০টি বন্ধ।

বগুড়ার লাচ্ছা সেমাই শিল্পে বছরে প্রায় ২০,০০০ টন সেমাই তৈরি হতো, যার দাম প্রায় ২৬০ কোটি টাকা। খরচ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় সেই উৎপাদন নেমে আসার কথা ১২,০০০ টন বা তারও নিচে। পামতেলের ড্রাম ১৭,০০০ থেকে ২৫,০০০ টাকা, ১৬ কেজির ডালডার কার্টন ১,৬০০ থেকে ২,৮০০ টাকা আর ৭৪ কেজির ময়দার বস্তা ৩,০০০ থেকে ৪,০০০ টাকা হয়েছে; একজন মালিকের হিসাবে, "লাচ্ছা সেমাই তৈরির উপকরণের দাম বেড়েছে ৪০ শতাংশ।" সঙ্গে বস্তাপ্রতি মজুরি ৪৫০ টাকা থেকে উঠে দাঁড়িয়েছে ৫৫০–৬৫০ টাকায়, আর জ্বালানি-পরিবহন খরচ বেড়েছে ২০–২৫ শতাংশ। মালিকেরা কিছুটা দাম বাড়িয়ে ২০ কেজি খোলা লাচ্ছা ১,৩০০ থেকে ২,৪০০ টাকা আর ২০ কেজি চিকন সেমাই ১,২০০ থেকে ১,৯০০ টাকা করেন, কিন্তু পাইকারেরা তখন অর্ডারই কমিয়ে দেন — বাজার নেমে আসে আগের প্রায় অর্ধেকে। প্রায় ২০০টি ছোট-বড় কারখানার মধ্যে ৪০টির মতো বন্ধ হয়ে গেছে, টিকে আছে প্রায় ১৬০টি।

যা শেখার আছে

  1. ১.ঈদের পণ্যের বিক্রির জানালা বছরে একটাই — খরচের ধাক্কা ধীরে ধীরে সামলানোর সুযোগ থাকে না, পুরোটাই একসঙ্গে এসে পড়ে
  2. ২.৪০ শতাংশ খরচ সামলাতে দাম প্রায় দ্বিগুণ করলে পাইকার অর্ডার কমিয়ে দেন — মার্জিন বাঁচিয়ে বিক্রির পরিমাণ হারানো আরও বড় ক্ষতি

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।