মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে বুড়িগঙ্গার ডিঙিনৌকার মাঝি ও নৌকামালিকেরা

২৫–৩০ হাজারের নৌকা মাঝিকে ভাড়া দিনে ১২০ টাকা, একজনেরই ৪০টি

বুড়িগঙ্গায় ডিঙিনৌকার মালিকেরা মাঝিদের কাছে দিনে ১২০ টাকায় নৌকা ভাড়া দেন, মাসে নৌকাপ্রতি ৩,৬০০ টাকা। কিন্তু এই মালিকানা প্রভাবশালীদের হাতে, আর মাঝিদের দিতে হয় ঘাটের চাঁদাও।

ঢাকার বুড়িগঙ্গায় ১৫টি ঘাটের ৪৪টি জায়গা থেকে ডিঙিনৌকায় যাত্রী পার হয়। বেশির ভাগ মাঝির নিজের নৌকা নেই; তাঁরা মালিকের নৌকা দিনচুক্তিতে ভাড়া নেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে তিন দশকের বেশি নৌকা চালানো এক মাঝি জানান, দিনে আয় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, এর মধ্যে নৌকার ভাড়া দিনে ১২০ টাকা। এর বাইরে ঘাট থেকে যাত্রী তুললে দিনে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা চাঁদা আর ১৫ টাকা নৌকা পাহারার টাকা দিতে হয়। মাঝিদের হিসাবে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকার একটি নৌকা থেকে দিনে ১২০ টাকা করে মাসে আয় ৩ হাজার ৬০০ টাকা — অর্থাৎ মালিকের জন্য এটি লাভজনক। তাই স্থানীয় প্রভাবশালীরা মালিকানা ধরে রাখেন; এক স্থানীয় নেতারই আছে ৪০টি নৌকা। ১৯৯৮ সাল থেকে অন্যের নৌকা চালানো এক মাঝি বলেন, টাকা থাকলেও মাঝিরা নৌকা কিনতে পারেন না — নামাতে প্রভাব লাগে, নইলে নৌকা চুরি হয়ে যায়। ঘাটের এক ইজারাদার জানান, আগের বছর লোকসান হওয়ায় এবার খাজনা বাড়িয়েছেন। নৌকা ভাড়ার ব্যবসায় বিনিয়োগ কম, আয় নিয়মিত; কিন্তু ঘাটের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে, সেটাই ঠিক করে কে এই আয় রাখতে পারবে।

যা শেখার আছে

  1. ১.দিনচুক্তিতে নৌকা ভাড়া দিলে ২৫–৩০ হাজার টাকার নৌকা মোটামুটি আট মাসে দাম তুলতে পারে — তবে ঘাটে নামানোর অনুমতি ও নিরাপত্তা আগে নিশ্চিত করুন।
  2. ২.ঘাটের ইজারা ও চাঁদা আয়ের বড় অংশ খেয়ে নেয়; ভাড়ার হিসাব করার সময় এগুলো খরচে ধরুন।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।