মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

নৌকা ও ট্রলার ভাড়া

মাছ ধরা, মালামাল টানা ও পর্যটকের জন্য নৌকা-ট্রলার ভাড়া দেওয়া। ডিজেল লিটারে ৳১১৫, আর ৮–২৯ অক্টোবর ২০২৬ ২২ দিন ইলিশ ধরা পুরোপুরি বন্ধ।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
নৌকা ও ট্রলার ভাড়া

নৌকা ও ট্রলার ভাড়া

শুরুর পুঁজি
৳১,৫০,০০০ – ৳৩০,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
২ – ২০ জন
প্রথম বিক্রি
৩০ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৯ – ৩০ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ঘুরে ঘুরে সেবা · কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

নৌকা বা ট্রলার ভাড়া দেওয়ার কাজ বাংলাদেশে তিন রকম ক্রেতার কাছে যায়। প্রথম, জেলে — যাঁরা মাছ ধরতে ট্রলার ভাড়া নেন বা মালিকের সঙ্গে ভাগে চলেন। দ্বিতীয়, হাওর, চর ও উপকূলের মানুষ — যাঁদের যাতায়াত ও মাল টানার আর কোনো পথ নেই। তৃতীয়, পর্যটক — সাজেক-কাপ্তাই থেকে টাঙ্গুয়ার হাওর, সুন্দরবন আর নিঝুম দ্বীপ পর্যন্ত। আয় বড় হতে পারে। ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই পটুয়াখালীর কলাপাড়ার আলীপুর মৎস্য বন্দরে এফ বি সাদিয়া-২ নামের একটি ট্রলার চার দিনের একটি ট্রিপে ধরা ৬৫ মণ ইলিশ নিলামে বিক্রি করেছে ৩৯ লাখ ৬০ হাজার টাকায়। কিন্তু খরচ আর ঝুঁকি দুটোই সমান বড়। ডিজেলের দাম ১৯ এপ্রিল ২০২৬ থেকে লিটারপ্রতি ১১৫ টাকা, আর চাঁদপুরের জেলেদের হিসাবে এক ইঞ্জিনের ট্রলার বা নৌকায় দিনে দুই থেকে তিন লিটার, দুই ইঞ্জিনের ট্রলারে পাঁচ থেকে ছয় লিটার ডিজেল লাগে। আর সবচেয়ে বড় কথা: বছরে নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরা বন্ধ থাকে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় টাস্কফোর্স ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর — মোট ২২ দিন — সারা দেশে ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুত ও কেনাবেচা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ওই দিনগুলোতে ট্রলার ঘাটে বাঁধা থাকে আর আয় শূন্য, অথচ কিস্তি ও মেরামতের খরচ থেমে থাকে না। তাই যে মালিক শুধু মাছের ওপর দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি ঝুঁকিতে থাকেন, আর যিনি পর্যটক ও মাল টানার কাজও ধরতে পারেন তিনি বারো মাসই চলেন।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৩৫,০০০ – ৳৮,০০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৯,৯০,০০০ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳২৩০ – ৳৬৯০ / এককবাজারদর
মোট লাভের হার১৫% – ৭০%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৩০ – ১৮০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৯ – ৩০ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ৩০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার১০% – ৩০%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা১ – ৩সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • নৌকা বা ট্রলার ও ইঞ্জিন, জ্বালানির ট্যাংক, বরফের বাক্স, নোঙর ও দড়ি, লাইফ জ্যাকেট ও বয়া, টর্চ এবং যোগাযোগের ব্যবস্থা। মাছ ধরার কাজে জাল আলাদা খরচ।যন্ত্রপাতি
  • নৌযানের নিবন্ধন, সার্ভে ও ফিটনেস সনদ এবং চালকের সনদ — অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় নৌ কর্তৃপক্ষ। ফি ও মেয়াদ এই গবেষণায় যাচাই করা যায়নি; আবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে জেনে নিন।লাইসেন্স
  • মৎস্য অধিদপ্তরের নিবন্ধন ও জেলে কার্ড — মাছ ধরার কাজে। নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারের ভিজিএফ খাদ্যসহায়তা কার্ডধারী জেলেরাই পান। ৮–২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত ও কেনাবেচা নিষিদ্ধ; জেলা প্রশাসন, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগ একসঙ্গে অভিযান চালায়।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কার্যদিবসে ইস্যু, বছর বছর নবায়ন।লাইসেন্স
  • নৌকা চালানো ও নদীপথ চেনা, আবহাওয়ার সতর্কবার্তা বোঝা, ইঞ্জিনের সাধারণ মেরামত আর কর্মী সামলানো। সমুদ্রে গেলে দিকনির্ণয় ও দুর্যোগে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা জীবনের প্রশ্ন।দক্ষতা
  • ডিজেলের পাম্প ও ডিপো, বরফকল, মেরামতের ডকইয়ার্ড এবং মাছের আড়ত। চাঁদপুরে ডিপো থেকে চাহিদার তুলনায় কম তেল পাওয়ার অভিজ্ঞতা আছে, তাই একাধিক উৎস রাখা দরকার।সরবরাহকারী
  • ঘাট বা জেটিতে নৌকা রাখার জায়গা, আর মেরামত ও শুকনো মৌসুমে তুলে রাখার ব্যবস্থা।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1ঠিক করুন আপনার নৌকা কী কাজ করবে — মাছ ধরা, যাত্রী ও মাল টানা, নাকি পর্যটক। তিনটির নৌকার গড়ন, ইঞ্জিন ও কাগজপত্র আলাদা, আর একটার জন্য বানানো নৌকা অন্যটায় ভালো চলে না।
  2. 2নৌযান নিবন্ধন ও সার্ভে সনদ নিন। অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় নৌ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিবন্ধন, ফিটনেস ও চালকের সনদের নিয়ম জেনে নিন। ফি ও মেয়াদ এই গবেষণায় যাচাই করা যায়নি, তাই দপ্তরে গিয়ে জেনে আসুন।
  3. 3মাছ ধরার জন্য হলে মৎস্য অধিদপ্তরে নিবন্ধন করুন আর জেলে কার্ড নিন। চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় কার্ডধারী জেলে আছেন ৯ হাজার ১০০ জন — নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারের ভিজিএফ খাদ্যসহায়তা এই কার্ডধারীরাই পান।
  4. 4নিষেধাজ্ঞার তারিখগুলো ক্যালেন্ডারে লিখে রাখুন। ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৬ — ২২ দিন সারা দেশে ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুত ও কেনাবেচা নিষিদ্ধ। এই দিনগুলোর আয় শূন্য ধরে সারা বছরের হিসাব করুন।
  5. 5ডিজেলের হিসাব আগে কষুন। লিটারপ্রতি ৳১১৫; এক ইঞ্জিনে দিনে ২–৩ লিটার, দুই ইঞ্জিনে ৫–৬ লিটার। দূরের ট্রিপে এই অঙ্ক বহুগুণ বাড়ে, তাই ভাড়া ঠিক করার আগে ট্রিপের জ্বালানি মেপে নিন।
  6. 6মাঝি ও কর্মী ঠিক করুন। সমুদ্রগামী ট্রলারে একাধিক কর্মী লাগে আর তাঁদের খাবার ও মজুরি ট্রিপের খরচের বড় অংশ। ভাগে চালাবেন নাকি মজুরিতে, সেটি আগেই লিখিত করে নিন।
  7. 7নিরাপত্তার সরঞ্জাম রাখুন — লাইফ জ্যাকেট, বয়া, টর্চ ও যোগাযোগের ব্যবস্থা। আবহাওয়ার সতর্কবার্তা মেনে চলুন; ২০২৫ সালের জুনে সাগর উত্তাল থাকায় কক্সবাজারে পাঁচ হাজার ট্রলার মাছ ধরতে পারেনি।
  8. 8মাছের আড়তের সঙ্গে সম্পর্ক ঠিক করুন। কলাপাড়ার আলীপুর বন্দরে মাছ নিলামে বিক্রি হয় আর আড়ত কমিশন নেয়। কোন আড়ত কত কমিশন নেয় ও কত দিনে টাকা দেয়, আগেই জেনে নিন।
  9. 9নিষেধাজ্ঞার মাসগুলোর জন্য বিকল্প কাজ ঠিক রাখুন — বালু ও ইট টানা, ধান ও মালামাল পরিবহন, অথবা পর্যটক। শুধু মাছের ওপর দাঁড়ানো ট্রলার বছরে এক মাসের বেশি বসে থাকে।
  10. 10পর্যটকের কাজ ধরতে চাইলে বাড়তি প্রস্তুতি নিন — বসার ব্যবস্থা, ছাউনি, লাইফ জ্যাকেট আর পরিষ্কার নৌকা। রাঙামাটির ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির হিসাবে ঈদের ছুটিতে ৬০ শতাংশের মতো নৌযান ভাড়া হয়েছিল — অর্থাৎ ভরা মৌসুমেও সব নৌকা ভাড়া যায় না।
  11. 11প্রতি ট্রিপের ডিজেল, মজুরি, বরফ আর আয় আলাদা করে লিখুন। জ্বালানির দাম মাসে মাসে বদলায়, তাই পুরোনো হিসাবে ভাড়া ঠিক করলে লোকসান হয়।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেকম
  6. জুনবেশি
  7. জুলাইবেশি
  8. আগস্টবেশি
  9. সেপ্টেবেশি
  10. অক্টোকম
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীবরিশাল · নদীবেষ্টিত জেলা, ইলিশের প্রধান প্রজনন এলাকা হিসেবে মন্ত্রীর বক্তব্যে উল্লেখ আছে; যাত্রী ও মাল দুটোই নৌপথে চলে।
  • খুব উপযোগীভোলা · দ্বীপজেলা; যাতায়াত, মালামাল ও মাছ ধরা — সবই নৌপথে, আর ইলিশের প্রধান প্রজনন এলাকার একটি।
  • খুব উপযোগীচাঁদপুর · ইলিশের প্রধান প্রজনন এলাকা ও মোহনা; মতলব উত্তর উপজেলাতেই কার্ডধারী জেলে ৯,১০০ জন।
  • খুব উপযোগীকক্সবাজার · প্রায় পাঁচ হাজার ট্রলারের বহর; মাছ ধরা ও পর্যটক — দুই কাজেই নৌযানের চাহিদা।
  • খুব উপযোগীপটুয়াখালী · কলাপাড়ার আলীপুর মৎস্য বন্দরে ট্রলারের মাছ নিলামে বিক্রি হয় — একটি ট্রলারের ৬৫ মণ ইলিশ ৳৩৯.৬ লাখে বিক্রি হয়েছে; সমুদ্রগামী ট্রলারের বড় ঘাঁটি।
  • খুব উপযোগীসুনামগঞ্জ · হাওরের জেলা — বর্ষায় ছয় মাস যাতায়াতের একমাত্র পথ নৌকা, আর টাঙ্গুয়ার হাওরে পর্যটকের নৌকা ভাড়া হয়।
  • সম্ভববাগেরহাট · সুন্দরবনসংলগ্ন; মাছ ধরা ও পর্যটক দুই কাজেই নৌযান লাগে।
  • সম্ভবকিশোরগঞ্জ · হাওর এলাকা; বর্ষায় যাতায়াত ও মাল টানা পুরোপুরি নৌকানির্ভর।
  • সম্ভবনোয়াখালী · চর ও নিঝুম দ্বীপে যাতায়াত নৌপথে, আর সাগরে মাছ ধরার বহরও আছে।
  • সম্ভবপিরোজপুর · নদীবহুল জেলা; মালামাল ও যাত্রী পরিবহনে নৌকার নিয়মিত চাহিদা।
  • সম্ভবরাঙ্গামাটি · কাপ্তাই হ্রদে পর্যটকের নৌযান ভাড়ার নিয়মিত বাজার; ট্যুরিস্ট বোট মালিক সমিতির হিসাবে ঈদের ছুটিতে ৬০ শতাংশের মতো নৌযান ভাড়া হয়েছিল।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: বছরে নির্দিষ্ট সময়ে আয় সরকারিভাবে শূন্য হয়ে যায়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় টাস্কফোর্সের ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর — ২২ দিন — সারা দেশে ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ ও কেনাবেচা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। জেলা প্রশাসন, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগ একসঙ্গে অভিযান চালায়, বরফকল ও আড়তেও নজরদারি হয়। নিয়ম ভাঙলে জাল ও মাছ জব্দ হয় — রাজবাড়ীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরায় জাল ও জাটকা জব্দের ঘটনা ঘটেছে।
  • বেশিনির্ভরশীলতা: ডিজেল না পেলে নৌকা চলে না, আর দাম সরকারি হলেও জোগান নিশ্চিত নয়। ২০২৬ সালের মার্চে চাঁদপুরের মতলব উত্তরে ডিজেল–সংকটে দুই সপ্তাহ ধরে ট্রলার ও নৌকা নিয়ে মাছ ধরা প্রায় বন্ধ ছিল। জেলেরা দিনে এক থেকে দেড় লিটারের বেশি কিনতে পারছিলেন না, আর ডিজেলের দাম ছিল লিটারপ্রতি সরকারি দরের চেয়ে ২০–২৫ টাকা বেশি। এক তেল বিক্রেতার সাপ্তাহিক চাহিদা ছিল ৮–১০ হাজার লিটার, কিন্তু ডিপো থেকে পেয়েছেন মাত্র চার হাজার লিটার।
  • বেশিচাহিদা: আবহাওয়া গোটা বহরকে একসঙ্গে বসিয়ে দেয়। ২০২৫ সালের জুনে সাগর উত্তাল থাকায় কক্সবাজারে পাঁচ হাজার ট্রলার ইলিশ ধরতে পারেনি। এফ বি সাদিয়া-২ এর মাঝি নিজেই বলেছেন, আবহাওয়া খারাপ থাকায় এর আগে কয়েকবার তাঁদের খালি হাতে ফিরতে হয়েছে। একটি ভালো ট্রিপের গল্প শুনে ব্যবসায় নামলে খালি হাতে ফেরা ট্রিপগুলোর হিসাব বাদ পড়ে যায়।
  • বেশিচলতি মূলধন: খরচ আগে যায়, আয় পরে আসে আর আসবে কি না নিশ্চিত নয়। এক ট্রিপে ডিজেল, বরফ, খাবার ও কর্মীর মজুরি আগেই দিতে হয়; মাছ না পেলে সেই পুরো টাকা লোকসান। এ কারণেই এই খাতে দাদনের প্রথা এত শক্ত — নগদের টান থেকেই মালিক ও জেলে আগাম টাকার শর্তে বাঁধা পড়েন।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

একই রকম আরও ব্যবসা

ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

মেডিকেল ট্যুরিজম সহায়তা

বিদেশে চিকিৎসা করাতে যাওয়া রোগীর অ্যাপয়েন্টমেন্ট, ভিসা, টিকিট ও থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া। আলাদা লাইসেন্স নেই, তবে ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন সনদ লাগে — মেয়াদ ৩ বছর।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳১২ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৩০ – ১২০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

পার্সেল ডেলিভারি এজেন্সি

অনলাইন বিক্রেতার মাল ক্রেতার কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবসা। দেশে দিনে ৩.৫–৪ লাখ পার্সেল যায়; বাজারদর ঢাকায় ৳৫৫–৭০, ঢাকার বাইরে ৳১৩৫–১৫০।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৬ লাখ
জনবল
২ – ১০ জন
প্রথম আয়
৭ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

অনলাইন গ্রোসারি ডেলিভারি

অ্যাপ বা পেজে অর্ডার নিয়ে মুদি বাজার বাসায় পৌঁছে দেওয়া। চিনিতে লাভ ৭%, বোতলজাত তেলে প্রায় শূন্য — এই পাতলা লাভের ভেতর থেকেই ডেলিভারির খরচ বের করতে হয়।

পুঁজি
৳১ লাখ – ৳৮ লাখ
জনবল
২ – ১০ জন
প্রথম আয়
৭ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

ই-কমার্স ফুলফিলমেন্ট ও ডেলিভারি

অনলাইন বিক্রেতার পণ্য গুদামে রেখে, প্যাকেট করে, ক্রেতার হাতে পৌঁছে দিয়ে নগদ টাকা তুলে আনার কাজ। পার্সেলপ্রতি কুরিয়ারের দর ৳৫৫–১৯০, আর বিক্রেতাকে টাকা বুঝিয়ে দিতে হয় সর্বোচ্চ ১০ দিনে।

পুঁজি
৳২ লাখ – ৳২৫ লাখ
জনবল
৩ – ১৫ জন
প্রথম আয়
১০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান