মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে কক্সবাজারের চকরিয়ার একজন দই ব্যবসায়ী

১ লাখ ৩০ হাজারে শুরু দইয়ের দোকান, পুঁজি এখন ১০ লাখ

১,৩০,০০০ টাকায় শুরু মহিষের দইয়ের ব্যবসার পুঁজি এখন ১০,০০,০০০ টাকা। দুই বছর আগে ৫,০০,০০০ টাকায় চারটি মহিষ কেনার পর নিজের দুধেই দই হয়; এলাকার ১২–১৫টি দোকানে দিনে প্রায় ১,০০০ হাঁড়ি বিক্রি।

কক্সবাজারের চকরিয়ার লাল ব্রিজ এলাকায় ১২ বছর আগে ১,৩০,০০০ টাকা নিয়ে দইয়ের দোকান দেন এই ব্যবসায়ী; এখন ব্যবসার পুঁজি তিনি ধরেন ১০,০০,০০০ টাকা। শুধু দুধ কিনে দই বানানোর বদলে লাভের টাকা তিনি ফিরিয়েছেন নিজের সরবরাহে — দুই বছর আগে ৫,০০,০০০ টাকায় চারটি মহিষ, আর কয়েক মাস আগে ৩,০০,০০০ টাকায় দুই শতক জমি। এলাকার ১২–১৫টি দোকানে তাঁর দই বিক্রি হয়, সব মিলিয়ে দিনে প্রায় ১,০০০ হাঁড়ি; রোজা আর ঈদের সময় বিক্রি ওঠে ৩,০০০–৪,০০০ কেজিতে। দাম এক কেজির হাঁড়ি ২২০–২৫০ টাকা, দুই কেজি ৪০০–৪৫০ আর চার কেজি ৮০০–৮৫০ টাকা; দই যায় কক্সবাজার শহর, বান্দরবান, চট্টগ্রাম আর ঢাকায়। এক বছর ধরে অনলাইনেও সরবরাহ চলছে। এই দইয়ের বড় পরিচয়, ননি এত বেশি যে ফ্রিজে রাখতে হয় না।

যা শেখার আছে

  1. ১.নিজের মহিষ কিনে ফেললে দুধ কেনা দোকান উৎপাদক হয়ে যায়, কাঁচামালের দামের ঝুঁকিটাই তখন সরে যায়
  2. ২.আশপাশের এক ডজন দোকানে সরবরাহ করলে এক কাউন্টারের চেয়ে অনেক বেশি মাল নড়ে

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।