মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে কক্সবাজারের চকরিয়ার মাতামুহুরীর চরের একজন বাদামচাষি

মাতামুহুরীর চরে একরে খরচ ৬৫ হাজার, লাভ আশা করছেন ৭২ হাজার

চকরিয়ার চরে ৬.৫ একর জমিতে বাদাম; একরপ্রতি খরচ প্রায় ৬৫,০০০ টাকা, বিক্রি আশা করছেন প্রায় ১,৩৭,০০০ টাকা — অর্থাৎ একরে প্রায় ৭২,৫০০ টাকা লাভ, মৌসুমে প্রায় ৪,৬৪,০০০ টাকা।

কক্সবাজারের চকরিয়ার মাতামুহুরী নদীর চরে একসময় তামাক ছাড়া প্রায় কিছুই হতো না। চাষিরা সেই জমি শীতের সবজি আর মৌসুমি ফসলে নিয়ে যাচ্ছেন, সবচেয়ে বেশি বাদামে — উপজেলায় এবার বাদামের আবাদ দাঁড়িয়েছে ৪৬২ একরে, আগের দুই অর্থবছরে যা ছিল ৪৫০ ও ৪২৫ একর, আর এর অন্তত ৩৫০ একরই চরের জমি। সুরাজপুরের এই চাষির ৬.৫ একরে বাদাম, প্রতিবেদক যখন যান তখন তিনি বাদাম তোলা, বাছাই আর বস্তাবন্দি করছিলেন। তাঁর ভাষায়, "প্রতি একরে বাদাম চাষ করতে খরচ হয়েছে প্রায় ৬৫ হাজার টাকা।" একরপ্রতি প্রায় ১,৩৭,০০০ টাকার বাদাম বিক্রি হবে বলে তিনি আশা করছেন, তাতে একরে লাভ দাঁড়াবে প্রায় ৭২,৫০০ টাকা আর পুরো মৌসুমে প্রায় ৪,৬৪,০০০ টাকা — এটি তাঁর প্রত্যাশা, হাতে আসা আয় নয়। চাষিদের একটাই অভিযোগ, আশপাশে এখনো যে তামাক হয় তার রাসায়নিক সারের প্রভাবে আশপাশের জমির ফলন কমে যাচ্ছে: যে গাছ থেকে আগে ২৫০ গ্রাম পর্যন্ত বাদাম মিলত, এখন মেলে প্রায় ১০০ গ্রাম।

যা শেখার আছে

  1. ১.মৌসুমি চরের জমিতে ঢোকার খরচ কম, আর বাদামের মতো শুকনো মৌসুমের ফসল সেই জমিকে একরে প্রায় ৭২ হাজার টাকায় নিয়ে যেতে পারে
  2. ২.পাশের জমিতে কী চাষ হচ্ছে তা আপনার ফলনেও লাগে — এই চাষিরা গাছপ্রতি ২৫০ গ্রাম থেকে ১০০ গ্রামে নেমে আসার কারণ ধরছেন পাশের তামাকখেতের রাসায়নিককে

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।