মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিসমকালের প্রতিবেদনে চট্টগ্রামের হাজারী গলির স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা

কারিগরকে অগ্রিম দেওয়া সোনা আর ফেরেনি, ৬ কোটি টাকার দুই চেকও বাউন্স

হাজারী গলির ১৩ জন ব্যবসায়ী ৯ থেকে ১২ অক্টোবরের মধ্যে এক কারিগরকে সোনা ও নগদ অগ্রিম দেন; তাঁদের হিসাবে সব মিলিয়ে প্রায় ৬০ কোটি টাকার দায়। জামানত হিসেবে দেওয়া ৬ কোটি টাকার দুটি চেকই ফেরত আসে।

চট্টগ্রামের হাজারী গলির ১৩ জন স্বর্ণ ব্যবসায়ী গয়না বানানোর অর্ডার দিয়ে এক কারিগরকে সোনা আর নগদ টাকা অগ্রিম দিয়েছিলেন। ৯ থেকে ১২ অক্টোবরের মধ্যে দেওয়া এসব অর্ডারের পর কারিগর মাল বুঝিয়ে না দিয়েই উধাও হয়ে যান। ব্যবসায়ীদের হিসাবে একেকজনের দায় ১.৫ কোটি টাকা ও ৫০ ভরি থেকে শুরু করে ১২ কোটি টাকা ও ৬০০ ভরি পর্যন্ত, আর সব মিলিয়ে তাঁরা ক্ষতি ধরছেন প্রায় ৬০ কোটি টাকা। জামানত হিসেবে দেওয়া ৬ কোটি টাকা করে দুটি চেকই ব্যাংক থেকে ফেরত আসে। চট্টগ্রামের ২০টি বাজারের প্রায় ২৫৫ জন ছোট খুচরা বিক্রেতার অর্ডারও একই সঙ্গে আটকে যায়। একজনের কথায়, "সারাজীবনের সঞ্চয় সব শেষ।" এই ব্যবসায় পুরো চলতি পুঁজিটাই জামানতহীন অগ্রিম হয়ে কারিগরের হাতে যায় — একজন সরে গেলে একসঙ্গে একটা বাজারের দোকানই বসে যায়।

যা শেখার আছে

  1. ১.স্বর্ণের ব্যবসায় পুরো চলতি পুঁজি জামানতহীন অগ্রিম হয়ে কারিগরের হাতে যায় — একজন সরে গেলে একসঙ্গে অনেক দোকান বসে যায়
  2. ২.যার হাতে আপনার মাল, তার দেওয়া চেক কোনো জামানত নয় — দুটি চেকই ফেরত এসেছে, সোনা ততক্ষণে চলে গেছে

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।