স্বর্ণ ও জুয়েলারি দোকান
বাজুসের ঠিক করা দরে সোনা-রুপার গয়না বেচাকেনা। ২২ ক্যারেট গ্রামে ৳১৯,৯৭০; লাভ আসে ৬% মজুরি আর পুরোনো সোনায় ১৫–১৭% ওজন বাদ দেওয়া থেকে।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

স্বর্ণ ও জুয়েলারি দোকান
- শুরুর পুঁজি
- ৳৫০,০০,০০০ – ৳২,৫০,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ২ – ৬ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৩০ – ৯০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ৩০ – ৬০ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- দোকান · কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
সোনা ও রুপার গয়না কেনাবেচার দোকান। দাম নিজে ঠিক করার সুযোগ এখানে নেই — বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) প্রতিদিন ক্যারেট অনুযায়ী দর ঠিক করে দেয়, সব দোকান সেই দরেই বেচে। ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর দর অনুযায়ী ২২ ক্যারেট হলমার্ক করা সোনা প্রতি গ্রাম ৳১৯,৯৭০, ২১ ক্যারেট ৳১৯,০৭৫, ১৮ ক্যারেট ৳১৬,৩৮০ আর সনাতন পদ্ধতির সোনা ৳১৩,৩৮০। এক ভরি মানে ১১.৬৬৪ গ্রাম, তাই ২২ ক্যারেটের এক ভরি দাঁড়ায় প্রায় ৳২,৩২,৯৩০। রুপা ২২ ক্যারেট গ্রামে ৳৪৩০। তাহলে দোকানের লাভ কোথায়? দুই জায়গায়। এক, মজুরি — বাজুস ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে, আর এই টাকাটা সোনার দামের উপরে যোগ হয়। দুই, পুরোনো সোনা কেনা। খদ্দের পুরোনো গয়না বেচতে এলে ওজন থেকে ১৫ থেকে ১৭ শতাংশ বাদ দিয়ে দাম দেওয়া হয়। মানে এক গ্রাম সোনার জন্য ৮৩ থেকে ৮৫ গ্রামের দাম। ওই বাদ দেওয়া অংশটাই দোকানের আসল আয়। ভ্যাটের নিয়মও বদলেছে। আগে মোট দামের ৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হতো, এখন চলতি অর্থবছরের বাজেটে প্রতি ভরিতে নির্ধারিত ৳২,৫০০ ভ্যাট বসেছে এবং তা বাজুসের ঘোষিত দামের ভেতরেই ধরা থাকে, তাই ক্রেতার কাছ থেকে আলাদা করে ভ্যাট নেওয়া হয় না। দেশে প্রায় ৪০ হাজার জুয়েলারি দোকান আছে, কিন্তু ভ্যাট নিবন্ধন আছে মাত্র ৮ হাজারের, আর নিয়মিত ভ্যাট দেয় দেড় হাজার। সরকার ২০১৮ সালের স্বর্ণ নীতিমালা সংশোধন করছে — কার কাছে কত সোনা আছে, কোথা থেকে এসেছে, কত বিক্রি হচ্ছে, সবই নিবন্ধন ও নজরদারির আওতায় আনা হবে। যে দোকান কাগজপত্র ছাড়া চলত, তাদের সময় ফুরিয়ে আসছে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৩,০০,০০০ – ৳১৪,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳১৩,৩৮০ – ৳১৯,৯৭০ / একক | সরকারি সূত্র | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১১,১০৫ – ৳১৬,৯৭৫ / একক | বাজারদর | |
| মোট লাভের হার | ১৫% – ১৭% | বাজারদর | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৩০ – ৯০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৩০ – ৬০ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ১ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ০.৫% – ২% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৫ – ৫০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- নির্ভুল ইলেকট্রনিক নিক্তি, হলমার্ক ও ক্যারেট যাচাইয়ের ব্যবস্থা, শক্ত কাচের শোকেস, সিন্দুক, সিসি ক্যামেরা ও ভালো আলো।যন্ত্রপাতি
- শোকেসে রাখার মতো সোনার মজুত। এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনার দামই প্রায় ৳২,৩২,৯৩০ (১২-০৯-২০২৬ দর), তাই ছোট দোকানেও মজুতেই বেশির ভাগ পুঁজি আটকে থাকে।শুরুর মাল
- বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সদস্যপদ — দৈনিক স্বর্ণ ও রুপার দর, ন্যূনতম মজুরির হার এবং পুরোনো গয়না ক্রয় ও পরিবর্তনে বাদ দেওয়ার হার বাজুসই নির্ধারণ করে।লাইসেন্স
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। কাগজ ঠিক থাকলে ৩–৫ কর্মদিবস।লাইসেন্স
- ভ্যাট নিবন্ধন ও টিআইএন — জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। চলতি অর্থবছরের বাজেটে সোনার গয়নায় প্রতি ভরি ৳২,৫০০ নির্ধারিত ভ্যাট বসেছে, যা আগে ছিল মোট দামের ৫ শতাংশ। এই ভ্যাট বাজুসের ঘোষিত দামের সঙ্গেই সমন্বয় করা হয়, তাই ক্রেতার কাছ থেকে আলাদা নেওয়া হয় না।লাইসেন্স
- ক্যারেট চিনতে পারা, ওজনে নির্ভুল হওয়া আর বাজুসের দর-মজুরি-বাদের হিসাব চটপট করতে পারা। ভুল ক্যারেট ধরলে এক লেনদেনেই মাসের লাভ চলে যায়।দক্ষতা
- বৈধ আমদানিকারক বা পাইকারি সরবরাহকারী, আর একজন দক্ষ স্বর্ণকার। পুরোনো সোনা কিনে গলিয়ে নতুন বানানোও সরবরাহের একটা বড় উৎস।সরবরাহকারী
কাজের ধাপ
- 1বাজারের যে অংশে আগে থেকেই সোনার দোকান আছে, সেখানেই জায়গা খুঁজুন। গয়না কিনতে মানুষ একা দোকানে যায় না, দশটা দোকান একসঙ্গে দেখে।
- 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং ব্যবসার ধরনে 'স্বর্ণালংকার' লেখা আছে কি না দেখে নিন।
- 3এনবিআর থেকে টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন করুন। দেশের ৪০ হাজার দোকানের মধ্যে মাত্র ৮ হাজারের ভ্যাট নিবন্ধন আছে — নতুন স্বর্ণ নীতিমালায় এই ফাঁক বন্ধ হচ্ছে।
- 4বাজুসের সদস্যপদ নিন। দৈনিক দর, মজুরির হার আর পুরোনো সোনায় কত বাদ যাবে — সবই বাজুস ঠিক করে দেয়, সদস্য না হলে খবরটাও দেরিতে পাবেন।
- 5মাল কোথা থেকে আসবে ঠিক করুন — বৈধ আমদানিকারক বা পাইকার। নতুন নীতিমালায় সোনা কোথা থেকে এসেছে তার হিসাব রাখতে হবে, তাই রসিদ ছাড়া মাল তোলা বিপজ্জনক।
- 6দোকান সাজান: শক্ত শোকেস, ভালো আলো, সঠিক নিক্তি, হলমার্ক যাচাইয়ের ব্যবস্থা, সিসি ক্যামেরা আর সিন্দুক। সোনার দোকানে নিরাপত্তা সাজসজ্জার চেয়েও বড়।
- 7একজন দক্ষ স্বর্ণকার ঠিক করুন — নিজের কারিগর হোক বা চুক্তিতে। মজুরির টাকা তখনই আপনার হাতে থাকে, নইলে সেটা কারিগরের কাছে চলে যায়।
- 8প্রতিদিন সকালে বাজুসের ঘোষিত দর দেখে বিক্রির দর ঠিক করুন, আর দিনের দর লিখে রাখুন। দর দিনে দুইবারও বদলায়।
- 9পুরোনো সোনা কেনার নিয়মটা লিখে দেয়ালে টাঙান — ওজন থেকে কত শতাংশ বাদ যাবে, পরিবর্তনে কত। মুখে বললে ঝগড়া হয়, লেখা থাকলে হয় না।
- 10বিয়ের মৌসুমের আগে, বিশেষ করে অগ্রহায়ণ থেকে ফাল্গুন, মাল বাড়ান। সারা বছরের বিক্রির বড় অংশ ওই কয় মাসেই হয়।
- 11প্রতিটি বেচাকেনার রসিদ রাখুন — কত ওজন, কোন ক্যারেট, কত মজুরি, কত ভ্যাট। নতুন নীতিমালায় মজুত ও লেনদেনের হিসাব চাওয়া হবে।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহর, বন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসায়ী শ্রেণি আর প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা — তিনটিই গয়নার চাহিদা টানে।
- খুব উপযোগীঢাকা · তাঁতীবাজার দেশের সোনার পাইকারি কেন্দ্র, আর বায়তুল মোকাররম এলাকায় খুচরা দোকানের সারি। মাল তোলা ও কারিগর — দুটোই এখানে সবচেয়ে সহজ।
- খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ব্যবসাকেন্দ্রিক শহর, ঢাকার তাঁতীবাজার থেকে মাল তোলা এক ঘণ্টার পথ।
- খুব উপযোগীসিলেট · প্রবাসী-অধ্যুষিত জেলা। বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠানে সোনার ব্যবহার এখানে তুলনামূলক বেশি এবং বড় ওজনের সেট বিক্রি হয়।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; আশপাশের কয়েক জেলার ক্রেতা বড় কেনাকাটার জন্য এখানে আসেন।
- সম্ভবকুমিল্লা · প্রবাসী আয়ের বড় জেলা, আর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে থাকায় সরবরাহ সহজ।
- সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর, চিংড়ি ও রপ্তানিনির্ভর আয়ের কারণে বিয়ের মৌসুমে ভালো বিক্রি হয়।
- সম্ভবরাজশাহী · বিভাগীয় শহর ও বড় ছাত্র-চাকরিজীবী জনসংখ্যা; তবে ২০ জুন ২০২৬-এর ২০০ ভরি লুটের ঘটনা দেখায় নিরাপত্তার খরচ এখানে কম ধরা যাবে না।
- সম্ভবরংপুর · বিভাগীয় শহর, তবে ক্রয়ক্ষমতা তুলনামূলক কম — হালকা ওজনের গয়না বেশি চলে।
- কম উপযোগীকক্সবাজার · পর্যটননির্ভর শহর; স্থানীয় বিয়ের চাহিদা সীমিত আর পর্যটক সোনা কেনেন না।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচলতি মূলধন: এই ব্যবসার পুরো পুঁজি ধাতুর ভেতরে বন্দী থাকে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দামই ২ লাখ ৩২ হাজার টাকার বেশি, তাই শোকেস ভরতে কোটি টাকার কাছাকাছি লাগে। দাম উপরে উঠলে মজুতের দামও বাড়ে, কিন্তু নতুন মাল তুলতে আরও বেশি টাকা লাগে — আর দাম নামলে হাতের মজুতেই লোকসান। ২৯ জানুয়ারি ২০২৬-এ ভরি উঠেছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায়, ২৮ জুলাই তা নেমে দাঁড়ায় ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকায় — ছয় মাসে ভরিতে ৬৫ হাজার টাকার পতন। যার শোকেসে তখন ৫০ ভরি ছিল, তার খাতায় ৩২ লাখ টাকা মুছে গেছে।
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: সরকার ২০১৮ সালের স্বর্ণ নীতিমালা সংশোধনের খসড়া চূড়ান্ত করেছে (৬ আগস্ট ২০২৬)। বৈধভাবে আমদানি করা সোনার ক্রয়, বিক্রয় ও মজুতের প্রতিটি ধাপ নিবন্ধন ও তদারকির আওতায় আসবে — ব্যবসায়ীর কাছে কত সোনা আছে, কোথা থেকে এসেছে, কত বিক্রি হচ্ছে, সব নিয়ন্ত্রক সংস্থার নজরে থাকবে। এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইপিবি এতে যুক্ত। দেশের ৪০ হাজার দোকানের মধ্যে ৩২ হাজারেরই ভ্যাট নিবন্ধন নেই — নীতিমালা কার্যকর হলে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা তাদের উপরেই পড়বে।
- বেশিচাহিদা: দাম এত বেড়েছে যে সাধারণ ক্রেতা দোকানে আসাই কমিয়ে দিয়েছে। বাজুসের সভাপতি নিজেই বলেছেন, 'সোনার দাম বেশি হওয়ায় এখন বেচাবিক্রি এমনিতে কম।' তার উপরে অনেকে বিদেশ গেলে সেখান থেকে সোনা কিনে আনেন, কারণ তাতে ভ্যাট দিতে হয় না। বিক্রি কমলেও শোকেস ভরা রাখতেই হয়, তাই টাকা আটকে থাকে আর বিক্রি হয় না।
- বেশিঅন্যান্য: চুরি ও ডাকাতি এই ব্যবসার সবচেয়ে সরাসরি ঝুঁকি, আর একবার ঘটলে ক্ষতি পুরো পুঁজির সমান। ২০ জুন ২০২৬ রাজশাহীতে এক স্বর্ণকারের দোকান থেকে ২০০ ভরি স্বর্ণ ও ২৫ লাখ টাকা লুট হয়েছে; ৫ মার্চ ২০২৬ ঢাকার গোড়ানে এক দোকান থেকে ৭০ ভরি সোনা ও ১৫০ ভরি রুপা চুরি গেছে। জাল নোটে সোনা কেনার চেষ্টাও হয় — ৯ আগস্ট ২০২৬-এ ৫৭ লাখ টাকার জাল নোট দিয়ে সোনা কেনার ঘটনায় একজন গ্রেপ্তার হয়েছেন।
- মাঝারিনির্ভরশীলতা: দাম আপনার হাতে নেই। বাজুস দর ঠিক করে, আর বাজুস দর ঠিক করে আন্তর্জাতিক বাজার আর তেজাবি সোনার দাম দেখে। ২৭ ও ২৮ জুলাই ২০২৬-এ পরপর দুই দিনে একবার দাম বাড়ল, পরদিন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমে গেল। সকালে যে দামে মাল তুলেছেন, বিকেলে তা আর সেই দাম নয়।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
কারিগরকে অগ্রিম দেওয়া সোনা আর ফেরেনি, ৬ কোটি টাকার দুই চেকও বাউন্স
হাজারী গলির ১৩ জন ব্যবসায়ী ৯ থেকে ১২ অক্টোবরের মধ্যে এক কারিগরকে সোনা ও নগদ অগ্রিম দেন; তাঁদের হিসাবে সব মিলিয়ে প্রায় ৬০ কোটি টাকার দায়। জামানত হিসেবে দেওয়া ৬ কোটি টাকার দুটি চেকই ফেরত আসে।
- কারণ
- অন্যান্য, নির্ভরশীলতা
একই রকম আরও ব্যবসা
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাফলের পাইকারি আড়ত
ট্রাকভর্তি ফল নামিয়ে ক্যারেট হিসাবে খুচরা দোকানে বিক্রি। বাদামতলীতে দিনে প্রায় ৳৪০ কোটির ফল বিক্রি হয়, আর ক্যারেট খুললে ২৫–৩৩ শতাংশ পর্যন্ত পচা বেরোয়।
- পুঁজি
- ৳৫ লাখ – ৳৪০ লাখ
- জনবল
- ২ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাওষুধের পাইকারি ব্যবসা
ফার্মেসিতে ওষুধ সরবরাহের পাইকারি ব্যবসা। ডিজিডিএ-র আলাদা লাইসেন্স লাগে — নতুন ৳১০,০০০, নবায়ন ৳৫,০০০, মেয়াদ দুই বছর; তবে ফার্মাসিস্ট রাখতে হয় না।
- পুঁজি
- ৳৫ লাখ – ৳৫০ লাখ
- জনবল
- ২ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ৪২ – ১২০ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসামডেল ফার্মেসি
ঔষধ প্রশাসনের স্বীকৃত ফার্মেসি। ৩০০ বর্গফুট, শীতাতপ, ঔষধের ফ্রিজ আর একজন এ-গ্রেড ফার্মাসিস্ট বাধ্যতামূলক; ড্রাগ লাইসেন্সের মেয়াদ ২ বছর।
- পুঁজি
- ৳৫ লাখ – ৳২৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ৪৫ – ১৮০ দিন
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাকৃষি যন্ত্রপাতির দোকান
পাওয়ার টিলার, শ্যালো ইঞ্জিন ও স্প্রে মেশিনের যন্ত্রাংশের দোকান। ২০২৪ সালের জুন থেকে ভর্তুকি বন্ধ থাকায় মেশিন বিক্রি ৮০–৯০% কমেছে, কিন্তু মাঠের যন্ত্র চলছে — তাই আয় আসে যন্ত্রাংশ থেকে।
- পুঁজি
- ৳৩ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৭৫ দিন
