৪০ দিনে ৪,১০০ টন আম পৌঁছে দিয়েও বিক্ষোভ, পচা পার্সেলে ৫০% ফেরতের প্রতিশ্রুতি
একটি ই-কমার্স কুরিয়ার আমের মৌসুমে ৪০ দিনে প্রায় ৪,১০০ টন আম পৌঁছায়; কিন্তু ঈদের পর দেরিতে পচা পার্সেল নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের অনলাইন বিক্রেতারা তাদের অফিস ঘেরাও করেন।
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে অনলাইনে আম বিক্রির ডেলিভারির চিত্র আছে। একটি ই-কমার্স কুরিয়ার প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী ফেসবুকে জানান, ৪০ দিনে প্রায় ৪ হাজার ১০০ টন আম পৌঁছে দিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু ১৮ জুন চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে কয়েক ডজন অনলাইন আম বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানটির অফিস ঘেরাও করেন — অভিযোগ, বারবার দেরি, নষ্ট বা হারানো পার্সেল আর ব্যাখ্যাহীন বাড়তি চার্জ। প্রতিষ্ঠানটি ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ থামে। পরে প্রধান নির্বাহী স্বীকার করেন, ঈদের ছুটিতে যানজটের কারণে কিছু পার্সেলে সমস্যা হয়েছে, এবং ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের পণ্যমূল্যের ৫০% ফেরত দেওয়া হচ্ছে। বিক্রেতাদের দিক থেকে ক্ষতি সরাসরি: চাঁপাইনবাবগঞ্জের এক ছোট আম ব্যবসায়ীর একটি পার্সেল ঢাকায় পৌঁছাতে নয় দিন লাগে, ভেতরে আম কালো হয়ে যায়, ক্রেতা ফেরত দেন — প্রায় ১০ হাজার টাকার আম আর একজন ক্রেতা দুটোই হারান। কুরিয়ার সমিতির সভাপতি বলেন, কাগজপত্র বা পোশাক আর পচনশীল খাবার পাঠানোর মধ্যে বড় পার্থক্য; পচনশীল পণ্য নিতে হলে বাড়তি জনবল ও আলাদা অফিস-সুবিধা লাগে, যা বেশির ভাগ কুরিয়ারের নেই। অর্থাৎ বড় পরিমাণে ডেলিভারি দেওয়া যায়, কিন্তু পচনশীল পণ্যে দেরি হলে দায় ও আস্থা দুটোই ঝুঁকিতে পড়ে।
যা শেখার আছে
- ১.পচনশীল পণ্যের ডেলিভারি নিলে ছুটির সময়ের যানজট ধরে আলাদা জনবল ও সময়সীমা ঠিক করুন।
- ২.নষ্ট পার্সেলের ক্ষতিপূরণ নীতি আগেই লিখিতভাবে জানান — না হলে বিক্রেতাদের ক্ষোভ প্রকাশ্যে আসে।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
