মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা শিখেছিচাঁদপুর টাইমসের প্রতিবেদনে হাজীগঞ্জ বাজারের একটি ডেন্টাল কেয়ারের মালিক

দেড় বছর আগে মারা যাওয়া দন্তচিকিৎসকের নামে চলছিল প্রেসক্রিপশন — ক্লিনিক সিলগালা

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ বাজারের একটি ডেন্টাল কেয়ার মালিক মারা যাওয়ার পরও তাঁর নামে চলছিল; স্ত্রী ও কলেজপড়ুয়া ছেলে ‘ডাক্তার’ লিখে রোগী দেখছিলেন। প্রশাসন প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে।

একটি ডেন্টাল ক্লিনিকের আসল পুঁজি হলো নিবন্ধিত দন্তচিকিৎসক। চাঁদপুর টাইমসের ২০২২ সালের এপ্রিলের প্রতিবেদনে দেখা যায়, হাজীগঞ্জ বাজারের লক্ষ্মী নারায়ন মার্কেটের ‘মর্ডাণ ডেন্টাল কেয়ার’-এর সাইনবোর্ড ও প্রেসক্রিপশনে তিনজন দন্তচিকিৎসকের নাম ছিল। তাঁদের একজন দেড় বছর আগে মারা গেছেন, কিন্তু তাঁর নামে তখনো সাইনবোর্ড, ভিজিটিং কার্ড চলছিল, প্রেসক্রিপশনও লেখা হচ্ছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোগী দেখছিলেন মৃত চিকিৎসকের স্ত্রী এবং কলেজে পড়ুয়া ছেলে, বৈধ কোনো সনদ ছাড়াই নামের আগে ‘ডাক্তার’ লিখে। স্ত্রী হোমিও চিকিৎসার কিছু কাগজ দেখাতে পারলেও ডেন্টালের কোনো বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি। প্রতিবেদন প্রকাশের পর ১১ এপ্রিল উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের যৌথ অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রতিষ্ঠানের মালিককে বিশ হাজার টাকা জরিমানা করেন এবং সব কাগজপত্র বৈধ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে দুটি তালা ঝুলিয়ে দেন। পারিবারিক ক্লিনিকে মূল চিকিৎসক না থাকলে নতুন নিবন্ধিত চিকিৎসক না এনে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার এটাই পরিণতি।

যা শেখার আছে

  1. ১.ক্লিনিক যে চিকিৎসকের ওপর দাঁড়িয়ে, তিনি না থাকলে নতুন নিবন্ধিত দন্তচিকিৎসক নিয়োগ দিন; পুরোনো নাম ব্যবহার করে চালানো প্রতারণা হিসেবে ধরা হয়।
  2. ২.সাইনবোর্ড, ভিজিটিং কার্ড ও প্রেসক্রিপশনে যাঁদের নাম, তাঁরা সত্যিই সেখানে কাজ করছেন কি না, সেটা হালনাগাদ রাখুন।
  3. ৩.স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে একটি প্রতিবেদনই দুই দিনের মধ্যে অভিযান ডেকে আনতে পারে।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।