মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঢাকার একজন মাংস ব্যবসায়ী

৫৯৫ টাকায় মাংস বেচে প্রথম দিনেই ৫০ লাখ, দশ দিনে দাম বেড়ে ৬৯৫

বাজারদর ৭০০–৭৫০ টাকা থাকতে রোজার শুরুতে গরুর মাংস বিক্রি হয় কেজি ৫৯৫ টাকায় — প্রথম দিনেই বিক্রি ৫০,০০,০০০ টাকার বেশি, এক শুক্রবারে জবাই ৫০টি গরু। দশ দিন পর দাম ১০০ টাকা বাড়িয়ে ৬৯৫ করতে হয়।

ঢাকার উত্তর শাহজাহানপুরের এই মাংস ব্যবসায়ী রোজার শুরুতে গরুর মাংস বিক্রি শুরু করেন কেজি ৫৯৫ টাকায়, যখন বাজারদর ছিল ৭০০–৭৫০ টাকা। দাম কম হওয়ায় দোকানের সামনে লম্বা লাইন পড়ে যায় — প্রথম দিনেই বিক্রি হয় ৫০,০০,০০০ টাকার বেশি, আর এক শুক্রবারে জবাই হয় ৫০টি গরু। কিন্তু রোজার দশ দিনের মাথায় তিনি কেজিতে ১০০ টাকা বাড়িয়ে দাম করেন ৬৯৫ টাকা। তাঁর ব্যাখ্যা, "খামার থেকে যে দামে গরু কিনতে হচ্ছে, তাতে ৫৯৫ টাকা দরে মাংস বিক্রি করে পোষাতে পারছিলাম না।" তিনি আশা করছিলেন সীমান্ত খুলে গেলে কম দামে গরু আসবে; অন্য ব্যবসায়ীদের চাপ নিয়ে প্রশ্নে তিনি বেশি কিছু বলতে চাননি। কম দামে ভিড় এসেছিল, কিন্তু টিকে থাকার মতো মার্জিন আসেনি। খামার থেকে গরু কেনার দর বা দোকানের মুনাফা প্রতিবেদনে বলা নেই।

যা শেখার আছে

  1. ১.বাজারের নিচে দাম দিয়ে আনা ভিড় ভাড়া করা ভিড় — কেনার খরচ বাড়লে দাম আবার ওপরে তুলতেই হয়
  2. ২.মাংসের ব্যবসায় খামারের কেনা দরই ঠিক করে দেয় কতটা সম্ভব — ছাড় দিয়ে ওই হিসাব পেরোনো যায় না

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।