মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা শিখেছিঢাকার অনিবন্ধিত জার পানি উৎপাদক ও তাদের পানি বিক্রেতা দোকানিরা

৩০ টাকায় ১৯ লিটারের জার, অনুমোদন নেই: তিন মাসে ৪৮টি জার পানির প্রতিষ্ঠান জরিমানা ও বন্ধ, ধ্বংস ২০ হাজার জার

ঢাকায় বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়া অসংখ্য জার পানির প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে; এক গবেষণায় ৯৭ শতাংশ জারের পানিতে মলের জীবাণু মেলে। এরপর ২০১৮ সালের প্রথম তিন মাসের অভিযানে ৪৮টি প্রতিষ্ঠান জরিমানা দিয়ে বন্ধ হয়, ৩৩ জনের কারাদণ্ড হয়।

প্রথম আলোর মার্চ ২০১৮-এর প্রতিবেদনে কারওয়ান বাজারের এক চা-দোকানের উদাহরণ আছে: সেখানে জার থেকে এক টাকায় এক গ্লাস পানি বিক্রি হয়। ১৯ লিটারের একটি ভরা জার দোকানি কেনেন ৩০ টাকায়; তাঁর কথায়, পানি বেচে ভালো লাভ। জারে বিএসটিআইয়ের কোনো সিল নেই, পানি আসে তেজগাঁওয়ের এক ব্যক্তির বাসা থেকে; অনুমোদনের কথা তুলতেই তিনি ফোন কেটে দেন। বিএসটিআই জানায়, রাজধানীতে নিবন্ধনহীন অসংখ্য জার পানির প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, আর নিবন্ধিতদের অনেকেও মান রাখে না, একই জার বারবার ব্যবহার করে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের আগের ডিসেম্বরের গবেষণায় ঢাকার বাসা-অফিসে সরবরাহ করা ৯৭ শতাংশ জারের পানিতে ক্ষতিকর মাত্রায় কলিফর্ম জীবাণু পাওয়া যায়। এরপর জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সাতটি অভিযানে অনিবন্ধিত ৪৪টিসহ ৪৮টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করে বন্ধ করা হয়, প্রায় ২০ হাজার জার ধ্বংস হয়, ৩৩ জনের কারাদণ্ড হয়। ভাটারায় দেখা যায়, ওয়াসার লাইনের পানি সরাসরি পুরোনো, ময়লা জারে ভরা হচ্ছে। বিএসটিআইয়ের তালিকায় নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান ৩১৫টি, যার ১৬৬টির নিবন্ধনের মেয়াদ শেষ। নিবন্ধন পেতে ট্রেড লাইসেন্স, পানির নমুনা, ভ্যাটের কাগজসহ আবেদন করতে হয়; দুই দফা পরিদর্শন, রাসায়নিক, অণুজৈবিক ও ভারী ধাতুর পরীক্ষার পর একটি প্যানেল অনুমোদন দেয়, আর নির্দিষ্ট মেয়াদে নবায়ন করতে হয়। বিএসটিআই তখন ৯ লিটারের বেশি পানির বোতল বিক্রি বন্ধের কথাও ভাবছিল।

যা শেখার আছে

  1. ১.জার পানির ব্যবসা শুরুর আগে বিএসটিআইয়ের নিবন্ধন নিন ও সময়মতো নবায়ন করুন; অনুমোদন ছাড়া ব্যবসায় জরিমানা, কারখানা বন্ধ ও কারাদণ্ডের ঝুঁকি আছে।
  2. ২.পরিশোধন যন্ত্রের পাশাপাশি জার ধোয়া-জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা রাখুন; একই ময়লা জার বারবার ব্যবহারই জীবাণুর বড় উৎস।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।