২৩৫ শিক্ষার্থী থেকে নেমে দেড়শ, স্কুলের পাশে বসেছে ফলের দোকান
করোনার আগে স্কুলে শিক্ষার্থী ছিল ২৩৫ জন; দীর্ঘ বন্ধের পর নতুন ভর্তি হয়েছে প্রায় ৬০ জন, খাতায় আছে প্রায় ১৫০। স্কুল টিকিয়ে রাখতে পাশে ফলের দোকান আর একটি শ্রেণিকক্ষে পোশাকের অনলাইন বিক্রি।
ঢাকার আদাবরের এই স্কুলটিতে করোনার আগে শিক্ষার্থী ছিল ২৩৫ জন। দীর্ঘ বন্ধের পর নতুন বছরে ভর্তি হয়েছে প্রায় ৬০ জন, খাতায় টিকে আছে প্রায় ১৫০ জন — অর্থাৎ যে শিক্ষার্থীরা ঝরে গেছে, তারা আর ফেরেনি। স্কুল চালু রাখতে পরিচালক পাশে মৌসুমি ফলের একটি দোকান দিয়েছিলেন, যেটি পরে স্থায়ী হয়ে গেছে; একটি শ্রেণিকক্ষে নারীদের পোশাক তুলে অনলাইনে বিক্রিও শুরু করেছেন। বাড়িভাড়া বাকি পড়ে থাকা আর নিজের গড়া প্রতিষ্ঠান ছেড়ে দিতে না পারা — এই দুইয়ের টানেই তিনি চালিয়ে যাচ্ছেন। একই প্রতিবেদনে মোহাম্মদপুরের আরেকটি স্কুলের কথা আছে, যেটির তিন মাসের ভাড়া বকেয়া, আর মাটিকাটার একটি স্কুল ভবনের তিনটি তলা ভাড়া দিয়ে টিকে আছে। সারা দেশে প্রায় ৪০ হাজার কিন্ডারগার্টেন সংকটে, এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ইতিমধ্যেই বন্ধ; খাতটিতে শিক্ষার্থী প্রায় ৫০ লাখ আর শিক্ষক প্রায় ১০ লাখ।
যা শেখার আছে
- ১.মূল সেবাটি বন্ধ হলে ঘরটিকেই দ্বিতীয় আয়ের কাজে লাগানো যায় — ফলের দোকান আর অনলাইনে পোশাক বিক্রিই এই স্কুলের দরজা খোলা রেখেছে
- ২.স্কুলের আসল পুঁজি শিক্ষার্থীর সংখ্যা — বন্ধের সময় যারা ঝরে যায় তারা ফেরে না, ব্যবসাটা স্থায়ীভাবেই ছোট হয়ে যায়
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
