৪০–৫০টি বইয়ের দোকান থেকে টিকে আছে ১০–১২টি
নিউমার্কেটে একসময় ৪০–৫০টির বেশি বইয়ের দোকান ছিল, আছে ১০–১২টি; ২০১৯ সালের পর বন্ধ হয়েছে ৬টি। টিকে থাকা দোকানগুলো ঝুঁকেছে স্টেশনারির দিকে।
ঢাকার নিউমার্কেটে একসময় ৪০–৫০টিরও বেশি বইয়ের দোকান ছিল, এখন আছে মোটে ১০–১২টি। শুধু ২০১৯ সালের পরই বন্ধ হয়েছে ৬টি দোকান, আর ১৯৬৩ সাল থেকে চলা একটি বইয়ের দোকান বন্ধ হয়ে গেছে ২০২৩ সালে। এখানকার এক দোকানির বাবা দোকানটি চালু করেছিলেন ১৯৫৪ সালে। দোকানিরা বলছেন, পড়ার অভ্যাস কমেছে আর আসল বইয়ের প্রায় অর্ধেক দামে পাইরেটেড ও ফটোকপি করা বই পাওয়া যাচ্ছে — একজনের কথায়, "যখন থেকে পাস করা সহজ হয়ে গেছে, তখন থেকে পড়ার মান কমে গেছে।" যে দোকানগুলো টিকে আছে, তারা তাকের বড় অংশ স্টেশনারিতে ভরে ফেলেছে, কারণ খাতা-কলম এখনো বিক্রি হয়। ভাড়া বা বিক্রির অঙ্ক প্রতিবেদনে নেই।
যা শেখার আছে
- ১.আপনার পণ্যের নকল অর্ধেক দামে পাওয়া গেলে ভালো জায়গা আর সুনাম দিয়ে লাভ ধরে রাখা যায় না
- ২.যারা টিকে আছে তারা মাল বদলেছে — বই না চললে স্টেশনারিই দোকান খোলা রেখেছে
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
