মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

স্টেশনারি ও বইয়ের দোকান

খাতা-কলম-কাগজ ও বই বিক্রির সঙ্গে ফটোকপির দোকান। ২০৪ পৃষ্ঠার খাতা ৳৬৮, ৩০০ পৃষ্ঠার খাতা ৳১৬৯, সাদা কাগজ দিস্তা ৳৩৪–৪০। পাঠ্যবই সরকার দেয়, তাই মৌসুমের আয় আসে খাতা ও ফটোকপি থেকে।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
স্টেশনারি ও বইয়ের দোকান

স্টেশনারি ও বইয়ের দোকান

শুরুর পুঁজি
৳১,৫০,০০০ – ৳৮,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম বিক্রি
১৫ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৯ – ২২ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
দোকান · সহজ

ব্যবসাটি সম্পর্কে

খাতা, কলম, পেনসিল, কাগজ, ফাইল, রেজিস্টার আর বই বিক্রির দোকান, সঙ্গে ফটোকপি ও প্রিন্টের কাজ। একটা কথা গোড়াতেই পরিষ্কার থাকা দরকার — পাঠ্যবই আপনি বিক্রি করবেন না। প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের পাঠ্যবই ছাপায় ও সরবরাহ করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি); ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে তারা মোট ৩০ কোটি ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৪টি বই ছাপিয়ে সরবরাহ করেছে, যার মধ্যে প্রাথমিক ও ইবতেদায়িতে ১১ কোটি ৭০ লাখ ৪৬ হাজার ৪৬১টি আর মাধ্যমিকে ১৮ কোটি ৩২ লাখ ৮ হাজার ৬৯৩টি। তাই আপনার মৌসুমি আয় আসে খাতা, কলম, ব্যাগ, মলাট আর সহায়ক বই থেকে — আর ফটোকপি থেকে। মজার ব্যাপার হলো, ফটোকপির চাহিদা তৈরি করে দেয় বই দেরিতে পৌঁছানোই। ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে চার কোটি শিক্ষার্থীর জন্য প্রায় সাড়ে ৩৯ কোটি বই ছাপা হয়েছিল, কিন্তু শেষ বই সরবরাহের অনুমোদন এসেছিল ২৪ মার্চ — অর্থাৎ ১ জানুয়ারি থেকে প্রায় তিন মাস দেরি। ২০২৬ সালেও সব বই পৌঁছাতে ৭ ফেব্রুয়ারি লেগেছে। এই কয়েক সপ্তাহ শিক্ষার্থী ও শিক্ষক ফটোকপির উপর চলেন, আর সেটাই দোকানের সবচেয়ে ব্যস্ত সময়। দাম কেমন? ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সাদা লেখার কাগজ ছিল দিস্তা প্রতি ৳৩৪–৪০। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে চালডালে ২০৪ পৃষ্ঠার এক্সারসাইজ বুক ৳৬৮, ৩০০ পৃষ্ঠার ইউনিভার্সিটি খাতা ৳১৬৯ আর ৩০০ পৃষ্ঠার রেজিস্টার ৳১৭৯। বছরের বাকি সময় দোকান চলে অফিসের কাগজপত্র, ফটোকপি আর টুকটাক বিক্রির উপর।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৭০,০০০ – ৳৪,০০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৩৪ – ৳১৭৯ / এককবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳২৯ – ৳১৪৩ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার১৫% – ২০%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১৫ – ৪৫ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৯ – ২২ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ১ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার২% – ৫%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৬০ – ২৫০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • ফটোকপি মেশিন, প্রিন্টার, কম্পিউটার, ল্যামিনেশন মেশিন, স্পাইরাল বাইন্ডিং মেশিন আর কাচের শোকেস। এসব যন্ত্রের বর্তমান দাম এই গবেষণায় যাচাই করা যায়নি।যন্ত্রপাতি
  • খাতা, কলম, পেনসিল, সাদা ও রুলটানা কাগজ, ফাইল, রেজিস্টার, জ্যামিতি বাক্স, মলাট, আঠা ও ব্যাগ। ১৫-০৯-২০২৬ তারিখে সাদা লেখার কাগজ দিস্তা প্রতি ৳৩৪–৪০; ১৬-০৯-২০২৬ তারিখে ২০৪ পৃষ্ঠার খাতা ৳৬৮, ৩০০ পৃষ্ঠার খাতা ৳১৬৯, ৩০০ পৃষ্ঠার রেজিস্টার ৳১৭৯ (খুচরা দর)।শুরুর মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। কাগজ ঠিক থাকলে ৩–৫ কার্যদিবস, প্রতি বছর নবায়ন।লাইসেন্স
  • কম্পিউটার ও ফটোকপি মেশিন চালানো, বাঁধাই ও ল্যামিনেশন করা, আর কোন জিনিস কত দিনে বিক্রি হয় তার হিসাব রাখা। শেষেরটাই এই ব্যবসার আসল দক্ষতা।দক্ষতা
  • পাইকারি বাজার বা বড় ডিলার (ঢাকার বাংলাবাজার বই ও স্টেশনারির প্রধান পাইকারি কেন্দ্র), টোনার ও কাগজের সরবরাহকারী, আর ফটোকপি মেশিন সারানোর মিস্ত্রি।সরবরাহকারী
  • রাস্তার পাশে ছোট দোকান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা অফিসের কাছাকাছি; কাচের শোকেস, দেয়ালজোড়া তাক আর ফটোকপি মেশিন রাখার জায়গা। দোকানের অগ্রিম জামানত এলাকা ভেদে আলাদা, এই গবেষণায় তা যাচাই করা যায়নি।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কোচিং সেন্টার বা সরকারি অফিসের গেটের কাছে দোকান খুঁজুন। এই ব্যবসায় জায়গাই বিক্রি ঠিক করে দেয় — একশো গজ দূরে হলে ক্রেতা অন্য দোকানে ঢুকে যায়।
  2. 2সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন এবং সাইনবোর্ড ফি দিন।
  3. 3কী কী রাখবেন তার তালিকা করুন — খাতা, কলম, পেনসিল, রাবার, স্কেল, জ্যামিতি বাক্স, সাদা ও রুলটানা কাগজ, ফাইল, রেজিস্টার, আঠা, স্ট্যাপলার, মলাট আর ব্যাগ। প্রতিটি জিনিসে অল্প টাকা আটকে থাকে, কিন্তু মোট অঙ্কটা বড় হয়।
  4. 4পাইকারি বাজার ঠিক করুন আর দাম-শর্ত লিখে নিন। ঢাকার বাংলাবাজার বই ও স্টেশনারির প্রধান পাইকারি কেন্দ্র; জেলা শহরে বড় ডিলারের কাছ থেকেই মাল আসে।
  5. 5ফটোকপি মেশিন বসান আর পাতা প্রতি দর ঠিক করে সামনে লিখে রাখুন। মেশিন নিজের না হলে ভাড়া বা কমিশনের শর্ত আগে লিখিত করে নিন।
  6. 6টোনার, কাগজ ও যন্ত্রাংশের সরবরাহকারী আর মেশিন সারানোর লোক ঠিক করুন। পরীক্ষার আগে মেশিন নষ্ট হলে সেই দিনগুলোর আয় পুরোটাই যায়।
  7. 7ডিসেম্বরের মধ্যেই মৌসুমের মাল তুলে ফেলুন। নতুন শিক্ষাবর্ষের কেনাকাটা ডিসেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই হয়ে যায়।
  8. 8এনসিটিবির বই কবে হাতে পৌঁছাচ্ছে সেদিকে নজর রাখুন। ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে শেষ বই সরবরাহের অনুমোদন এসেছিল ২৪ মার্চ, আর ২০২৬ সালে সব বই পৌঁছাতে ৭ ফেব্রুয়ারি লেগেছে — এই দেরির সপ্তাহগুলোতেই ফটোকপির চাপ সবচেয়ে বেশি।
  9. 9পরীক্ষার সময়সূচি ধরে মাল তুলুন — অর্ধবার্ষিক, বার্ষিক ও বোর্ড পরীক্ষার আগে কলম, খাতা, ফটোকপি আর স্ট্যাপলারের বিক্রি হঠাৎ বাড়ে।
  10. 10আশপাশের অফিস, ব্যাংক ও কোচিং সেন্টারের সঙ্গে নিয়মিত সরবরাহের কথা বলুন। মৌসুমের বাইরে এই বিক্রিই দোকান চালু রাখে, তবে বাকির শর্ত আগেই লিখিত করে নিন।
  11. 11যে মাল ছয় মাসে বিক্রি হয়নি তার হিসাব আলাদা করে রাখুন। স্টেশনারি নষ্ট হয় না, কিন্তু বসে থাকা মালে আটকে থাকা টাকা মৌসুমে কাজে লাগানো যায় না।

মৌসুম

  1. জানুবেশি
  2. ফেব্রুবেশি
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেবেশি
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অফিসের সংখ্যা বেশি, আর বন্দর-সংশ্লিষ্ট অফিসের কাগজপত্র ও ফটোকপির চাহিদা সারা বছরই থাকে।
  • খুব উপযোগীঢাকা · সবচেয়ে বেশি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, কোচিং সেন্টার ও অফিস; বাংলাবাজার বই ও স্টেশনারির প্রধান পাইকারি কেন্দ্র হওয়ায় মাল তোলার খরচও কম।
  • খুব উপযোগীরাজশাহী · বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজঘেঁষা শহর; ছাত্রাবাস ও মেসের পাশের দোকানে ফটোকপি ও বাঁধাইয়ের কাজ বছরজুড়ে চলে।
  • সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র, আশপাশের জেলার খুচরা দোকান এখান থেকেই মাল তোলে।
  • সম্ভবকুমিল্লা · শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেশি আর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ধরে পাইকারি মাল দ্রুত আসে।
  • সম্ভবগাজীপুর · কারখানার অফিস ও ঘন বসতির স্কুল-কলেজ মিলিয়ে দুই দিক থেকেই চাহিদা আসে।
  • সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহরের অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আর দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলাগুলোর জন্য পাইকারি কেন্দ্র।
  • সম্ভবময়মনসিংহ · বিভাগীয় শহর, বিশ্ববিদ্যালয় ও বড় কলেজ থাকায় শিক্ষার্থীনির্ভর চাহিদা স্থিতিশীল।
  • সম্ভবরংপুর · বিভাগীয় শহরের অফিস ও কলেজ; তবে ক্রয়ক্ষমতা কম হওয়ায় দামি জিনিসের বিক্রি কম।
  • সম্ভবসিলেট · বিশ্ববিদ্যালয় ও অনেক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আর প্রবাসী পরিবারের খরচের সামর্থ্য বেশি।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচাহিদা: বিক্রি বছরের অল্প কয়েক সপ্তাহে ঠাসা। নতুন শিক্ষাবর্ষের কেনাকাটা ডিসেম্বরের শেষ থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই শেষ হয়ে যায়, আর তারপর কয়েক মাস দোকান প্রায় খালি থাকে। এই ব্যস্ত সময়টুকু ধরার জন্য নভেম্বর-ডিসেম্বরেই বড় অঙ্কের মাল তুলতে হয়, অথচ সেই টাকা ফেরত আসতে দুই-তিন মাস লাগে। মৌসুম মিস করলে পরের সুযোগ এক বছর পরে।
  • বেশিচলতি মূলধন: টাকাটা শত শত ছোট জিনিসে ছড়িয়ে থাকে। একটা দোকানে খাতা, কলম, কাগজ, ফাইল, রেজিস্টার, জ্যামিতি বাক্স — সব রাখতে হয়, কারণ যেটা নেই সেটার জন্যই ক্রেতা পাশের দোকানে যায় এবং বাকিটাও সেখানেই কেনে। ফলে বিক্রি না হওয়া মালে বড় অঙ্ক বসে থাকে, আর সেই টাকা মৌসুমে কাজে লাগানো যায় না।
  • মাঝারিনির্ভরশীলতা: মৌসুমের একটা বড় অংশ নির্ভর করে এনসিটিবির বই কখন পৌঁছাচ্ছে তার উপর, আর সেটা আপনার হাতে নেই। ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে চার কোটি শিক্ষার্থীর জন্য প্রায় সাড়ে ৩৯ কোটি বই ছাপা হলেও শেষ সরবরাহের অনুমোদন এসেছিল ২৪ মার্চ — প্রায় তিন মাস দেরি। ২০২৬ সালে ৩০ কোটি ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৪টি বই সরবরাহ শেষ হয়েছে ৭ ফেব্রুয়ারি। বই দেরি হলে ফটোকপি ও সহায়ক বইয়ের বিক্রি বাড়ে, আর সময়মতো পৌঁছে গেলে সেই বাড়তি আয়টা আসে না — অর্থাৎ আয়ের একটা অংশ প্রতি বছর অনিশ্চিত।
  • মাঝারিবাকিতে বিক্রি: স্কুল, কোচিং সেন্টার ও অফিসে খাতা-কাগজ সরবরাহ করলে বিল সঙ্গে সঙ্গে মেলে না; মাস বা প্রান্তিক শেষে টাকা আসে। বড় অঙ্কের বাকি পড়ে গেলে মৌসুমের মাল তোলার টাকা আটকে যায়। কত দিন দেরি হয়, তা এই গবেষণায় যাচাই করা যায়নি।
  • মাঝারিনির্ভরশীলতা: কাগজের দাম বাড়লে সরাসরি আপনার উপর পড়ে, কারণ খাতা ও কাগজই এই দোকানের প্রধান পণ্য। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সাদা লেখার কাগজ ছিল দিস্তা প্রতি ৳৩৪–৪০। ছাপা দাম লেখা খাতার ক্ষেত্রে দাম বাড়ানোর সুযোগ থাকে না, তাই বাড়তি খরচটা দোকানির লাভ থেকেই যায়।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা শিখেছিদ্য ডেইলি স্টার বাংলার প্রতিবেদনে ঢাকার নিউমার্কেটের পুরোনো বই-স্টেশনারি দোকানিরা

৪০–৫০টি বইয়ের দোকান থেকে টিকে আছে ১০–১২টি

নিউমার্কেটে একসময় ৪০–৫০টির বেশি বইয়ের দোকান ছিল, আছে ১০–১২টি; ২০১৯ সালের পর বন্ধ হয়েছে ৬টি। টিকে থাকা দোকানগুলো ঝুঁকেছে স্টেশনারির দিকে।

কারণ
চাহিদা কম, অন্যান্য

একই রকম আরও ব্যবসা

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

পাথর ও বালু ব্যবসা

নদী থেকে ওঠা পাথর-বালু কিনে নির্মাণের বাজারে বিক্রি। পঞ্চগড়ে ১০০ ঘনফুটের এক ট্রাক্টর পাথর ৳৮,০০০, আর ঢাকায় দেশি থ্রি-ফোর পাথর ঘনফুট ৳১২৩–১২৫ — মাঝখানের পুরোটাই ট্রাকভাড়া আর ইজারার মাশুল।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳১৫ লাখ
জনবল
২ – ২০ জন
প্রথম আয়
৩০ – ৩৬৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

বাচ্চাদের পোশাকের দোকান

০–১২ বছরের বাচ্চাদের জামাকাপড়ের খুচরা দোকান। পাঞ্জাবি সেট ৳২৬০–৯৮৫, ফ্রক ৳১৫০–৬৫০। বাচ্চা বড় হয়ে যায় বলে মাল পড়ে থাকে না — বড়দের বুটিকের চেয়ে এটাই বড় সুবিধা।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৭ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
২০ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

খেলনা ও উপহারের দোকান

খেলনা ও উপহারসামগ্রীর খুচরা দোকান। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ অনলাইনে খেলনার দাম ৳৫৮ থেকে ৳৩,৮১৫। আমদানি করা খেলনায় সরকারি আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ, আর বিক্রির বড় অংশ ঈদ ও বৈশাখের কয়েকটা সপ্তাহে।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳১৪ লাখ
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম আয়
৩ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

বীজ ও ফিড ডিলারশিপ

কৃষকের বীজ, সার, কীটনাশক ও মাছ-মুরগির খাবারের দোকান। সারে কমিশন সরকার বেঁধে দিয়েছে — এখন কেজিতে ৳২, ১ জুলাই ২০২৭ থেকে ৳৩।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳২৫ লাখ
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম আয়
৩০ – ১৮০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান