মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঢাকার অনলাইনে ডাব সরবরাহ করা দুই তরুণ উদ্যোক্তা · ২০২২ সালে শুরু

৮ হাজার টাকার ১০০ ডাব থেকে মাসে ২৫ লাখ টাকার বিক্রি

কারওয়ান বাজার থেকে ৮ হাজার টাকায় ১০০টি ডাব কিনে শুরু; এখন মোট বিনিয়োগ প্রায় ১০ লাখ টাকা, ১২ জন কর্মী আর মাসে গড়ে ২৫ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি।

আগে অনলাইনে নানা পণ্য বিক্রি করা দুই বন্ধু ২০২২ সালের শুরুর দিকে ঢাকায় অনলাইনে অর্ডার নিয়ে কেটে-মোড়কজাত ডাব পৌঁছে দেওয়ার ব্যবসা চালু করেন। ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিয়ে সাড়া পাওয়ার পর কারওয়ান বাজার থেকে ৮ হাজার টাকায় ১০০টি ডাব কিনে নিজেদের বাইকে করে সরবরাহ করেন — ওটুকুই ছিল প্রাথমিক পুঁজি। শুরুতে দা-চাকু দিয়ে কাটায় মোড়কটা সুন্দর হতো না, তাই তাঁদের ভাষায়, "কিছুদিন পর প্রায় ছয় লাখ টাকা খরচ করে চীন থেকে একটি কাটিং যন্ত্র আনি," আর পাইকারের কাছ থেকে কেনা ডাবের আকার-মান ঠিক রাখতে কারওয়ান বাজারের আড়তে আরও ৮ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। একবার নোয়াখালী থেকে আনা ১ হাজার ডাবের প্রায় ৬০০টি বর্ষণে অবিক্রীত থেকে গেলে সেগুলো দিয়ে ডাবের পুডিং বানানো শুরু করেন, যা পরে নিজেই একটি বাণিজ্যিক পণ্য হয়ে ওঠে। এখন প্রতিষ্ঠানে কর্মী ১২ জন, মোট বিনিয়োগ প্রায় ১০ লাখ টাকা আর মাসে গড়ে ২৫ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি হয় — মাসে ২৪ থেকে ২৫ হাজার ডাব, ছয়টির কার্টন ৮৪০ টাকা, বড় আকারে ৯৬০ টাকা, ডেলিভারি চার্জ ১০০ টাকা। ক্রেতার তালিকায় এখন ক্লাব, জিমনেসিয়াম, হাসপাতালের ক্যানটিন আর ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিও আছে।

যা শেখার আছে

  1. ১.অনলাইন ডেলিভারিতে মোড়ক আর পরিবেশনার মানই পার্থক্য গড়ে দেয় — হাতে কাটা আর যন্ত্রে কাটার ফারাকেই ক্রেতা আসে
  2. ২.পচনশীল পণ্যে অবিক্রীত মজুত লোকসান, তবে তা থেকে উপজাত পণ্য বানাতে পারলে অপচয়টাই আয় হয়ে যায়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।