মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

অনলাইন গ্রোসারি ডেলিভারি

অ্যাপ বা পেজে অর্ডার নিয়ে মুদি বাজার বাসায় পৌঁছে দেওয়া। চিনিতে লাভ ৭%, বোতলজাত তেলে প্রায় শূন্য — এই পাতলা লাভের ভেতর থেকেই ডেলিভারির খরচ বের করতে হয়।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
অনলাইন গ্রোসারি ডেলিভারি

অনলাইন গ্রোসারি ডেলিভারি

শুরুর পুঁজি
৳১,০০,০০০ – ৳৮,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
২ – ১০ জন
প্রথম বিক্রি
৭ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
১২ – ২৪ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
অনলাইন · কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

অ্যাপ বা ফেসবুক পেজে অর্ডার নিয়ে চাল-ডাল-তেল-সবজি বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কাজ। এই ব্যবসার পুরো সমস্যাটা একটাই — মুদি পণ্যে লাভ খুবই পাতলা, আর সেই পাতলা লাভের ভেতর থেকেই ডেলিভারির খরচ বের করতে হয়। হিসাবটা দেখুন। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ ঢাকার পাইকারি দরে চিনি ছিল ৳১০২–১০৩ কেজি, আর চালডাল ডটকমে সেদিন চিনির দাম ৳১১০ — লাভ ৭ টাকার মতো, অর্থাৎ ৭ শতাংশ। বোতলজাত সয়াবিন তেল ১ লিটার পাইকারিতে ৳১৯৭–২০৩, চালডালে বিক্রি ৳১৯৯ — লাভ প্রায় শূন্য। ৫ লিটারের বোতল পাইকারিতে ৳৯৭৫–৯৯৫, চালডালে ৳৯৭৫ — এখানে লাভ নেই, বরং লোকসানও হতে পারে। আলু ৳২৯ কেজি, দেশি পেঁয়াজ ৳৩৯। এখন ডেলিভারি। চালডাল নেয় প্রতি অর্ডারে ৳৫৯ ডেলিভারি ফি আর এক ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছে দেয়। ৫০০ টাকার একটা বাজারে ৭ শতাংশ লাভ মানে ৳৩৫। সেই অর্ডার পৌঁছে দিতে একজন লোক, একটা মোটরসাইকেল বা ভ্যান, তেল আর সময় লাগে। খদ্দেরের কাছ থেকে নেওয়া ৳৫৯ যদি সেই খরচ না ঢাকে, তাহলে যত অর্ডার বাড়বে লোকসানও তত বাড়বে। তাই এখানে আসল প্রশ্ন বিক্রি কত নয় — আসল প্রশ্ন, একটা অর্ডার পৌঁছে দিতে আপনার কত টাকা লাগে।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳১,০০,০০০ – ৳৮,০০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳২৯ – ৳১৯৯ / কেজিবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳২৪ – ৳২০৩ / কেজিসরকারি সূত্র
মোট লাভের হার০% – ৭%সরকারি সূত্র
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৭ – ৩০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়১২ – ২৪ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ১ দিনবাজারদর
অপচয় ও ক্ষতির হার২% – ৬%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা১৫০ – ১,০০০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • ডেলিভারির বাহন (সাইকেল, মোটরসাইকেল বা ভ্যান), ওজন করার দাঁড়িপাল্লা, প্যাকিংয়ের ব্যাগ ও ক্রেট, আর অর্ডার নেওয়ার ফোন বা কম্পিউটার।যন্ত্রপাতি
  • ডিবিআইডি (ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন) — আরজেএসসি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ডিবিআইডি ছাড়া ই-কমার্স বা এফ-কমার্স ব্যবসা করা যায় না; ১৯ নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত পেয়েছে ১,৮৭০টি প্রতিষ্ঠান আর ঝুলে আছে প্রায় ১২ হাজার আবেদন, তাই সময় ধরে রাখুন।লাইসেন্স
  • খাদ্য নিরাপত্তা নিবন্ধন — বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, খাদ্য নিরাপত্তা (নিবন্ধন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬ অনুযায়ী। নতুন নিবন্ধন ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর; প্রতিষ্ঠানভেদে লাইসেন্স ফি ৳১,০০০–৫,০০০ এবং বড় গুদামের ক্ষেত্রে ৪০,০০০ টাকা পর্যন্ত। আপনার কাজের ধরনে কোনটি প্রযোজ্য তা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জেনে নিন।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ৩–৫ কার্যদিবসে পাওয়া যায়।লাইসেন্স
  • প্রতিটি পণ্যের কেনা-বেচার ব্যবধান হিসাব রাখা আর অর্ডারপ্রতি ডেলিভারির খরচ বের করা। এই দুটো না পারলে বিক্রি বাড়িয়েও লোকসান বাড়তে থাকে।দক্ষতা
  • পাইকারি আড়ত ও সরবরাহকারী। ঢাকার পাইকারি দর কৃষি বিপণন অধিদপ্তর প্রতিদিন প্রকাশ করে — কেনার আগে সেই তালিকা মিলিয়ে নিলে আড়তে বাড়তি দর দেওয়ার ঝুঁকি কমে।সরবরাহকারী
  • ছোট একটি গুদাম বা দোকানঘর যেখানে মাল রাখা যায় ও অর্ডার গোছানো যায়। শুকনো মাল রাখার জায়গা আলাদা আর পচনশীল মালের জন্য ফ্রিজ বা চিলার দরকার।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1ছোট একটা এলাকা বেছে নিন — এক-দুই মহল্লা। দূরত্ব বাড়লেই ডেলিভারির খরচ বাড়ে আর পাতলা লাভটা শেষ হয়ে যায়।
  2. 2কারওয়ান বাজার বা নিজের এলাকার পাইকারি আড়তে গিয়ে দর লিখে আনুন, আর সেটা কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের প্রকাশিত পাইকারি দরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন।
  3. 3প্রতিটি পণ্যের কেনা ও বেচা দাম পাশাপাশি লিখে লাভের শতাংশ বের করুন। যেখানে লাভ ৩ শতাংশের নিচে, সেই পণ্য শুধু খদ্দের টানার জন্য রাখুন — লাভের আশায় নয়।
  4. 4একটা অর্ডার পৌঁছে দিতে আপনার কত টাকা লাগে তা মেপে নিন — ডেলিভারিম্যানের মজুরি, তেল বা গাড়ির খরচ, আর সময়। এই সংখ্যাটাই ঠিক করবে ব্যবসাটা চলবে কি না।
  5. 5ডেলিভারি ফি আর সর্বনিম্ন অর্ডারের পরিমাণ ঠিক করুন। চালডাল প্রতি অর্ডারে ৳৫৯ নেয়; আপনার খরচ এর বেশি হলে ছোট অর্ডারে লোকসান হবে।
  6. 6ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর ডিজিটাল ব্যবসার জন্য আরজেএসসি থেকে ডিবিআইডি নিবন্ধনের আবেদন করুন।
  7. 7খাদ্যপণ্য বিক্রি করছেন, তাই বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন লাগে কি না জেনে নিন। নতুন নিবন্ধন ফি ৳১,০০০, নবায়ন ৳৫০০, মেয়াদ তিন বছর।
  8. 8শুরুতে অল্প পণ্যে থাকুন — চাল, ডাল, তেল, চিনি, আটা, আলু, পেঁয়াজ। পচনশীল সবজি ও মাছ যত কম রাখবেন, নষ্ট হওয়ার ক্ষতি তত কম।
  9. 9প্রতিদিন হিসাব রাখুন: কয়টা অর্ডার, গড়ে কত টাকার, আর অর্ডারপ্রতি মোট লাভ কত। অর্ডারের সংখ্যা বাড়লেও লাভ না বাড়লে বুঝবেন ডেলিভারির খরচ লাভটা খেয়ে ফেলছে।
  10. 10বিকাশ-নগদে আগাম টাকা নেওয়ার ব্যবস্থা রাখুন। ক্যাশ অন ডেলিভারিতে খদ্দের দরজা থেকে ফিরিয়ে দিলে পুরো বাজারটা আপনার ঘাড়ে থেকে যায়।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বড় শহর, ফ্ল্যাটবাড়ির ঘনত্ব ভালো আর পাইকারি বাজার কাছেই।
  • খুব উপযোগীঢাকা · চাকরিজীবী পরিবারের ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি, এক ভবনে অনেক অর্ডার মেলে বলে ডেলিভারির খরচ ভাগ হয়ে যায়; চালডালের মতো প্রতিষ্ঠান এখানেই চলে।
  • সম্ভবগাজীপুর · কারখানার কর্মী ও ভাড়াটের সংখ্যা বেশি; ছোট অর্ডার বেশি হওয়ায় অর্ডারপ্রতি খরচ বেশি পড়ে।
  • সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহর, চাকরিজীবী পরিবার আছে তবে সংখ্যা সীমিত।
  • সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · ঘন বসতি ও ঢাকার পাইকারি বাজারের কাছাকাছি, তবে ক্রেতার অনলাইনে কেনার অভ্যাস কম।
  • সম্ভবরাজশাহী · শহরের আকার ছোট বলে দূরত্ব কম, ডেলিভারির খরচও কম; তবে অর্ডারের সংখ্যাও কম।
  • সম্ভবসিলেট · প্রবাসী পরিবারের ক্রয়ক্ষমতা বেশি, বড় অর্ডারের সম্ভাবনা ভালো।
  • কম উপযোগীবগুড়া · মুদি বাজার সহজলভ্য আর দাম নিয়ে দরকষাকষির অভ্যাস প্রবল; ডেলিভারি ফি দিতে চাওয়া ক্রেতা কম।
  • কম উপযোগীকুমিল্লা · বাজার কাছে থাকায় মানুষ নিজেই বাজার করতে যান; অনলাইনে মুদি কেনার চাহিদা কম।
  • কম উপযোগীরংপুর · ক্রয়ক্ষমতা তুলনামূলক কম আর অর্ডারের আকার ছোট; পাতলা লাভে ডেলিভারির খরচ ওঠে না।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচলতি মূলধন: মুদি পণ্যে লাভ এত পাতলা যে ডেলিভারির খরচ তা সহজেই খেয়ে ফেলে। ১৫-১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর দর ধরে চিনিতে লাভ ৬–৭ শতাংশ, বোতলজাত ১ লিটার তেলে ১ শতাংশ বা তার কম, আর ৫ লিটারের বোতলে শূন্য বা লোকসান। ৫০০ টাকার বাজারে মোট লাভ ৳৩৫ ধরলে একজন লোক, একটা বাহন আর তেলের খরচ তাতে ওঠে না। খদ্দেরের কাছ থেকে ডেলিভারি ফি না নিলে বা কম নিলে অর্ডার যত বাড়বে লোকসানও তত বাড়বে।
  • বেশিনষ্ট হওয়া: সবজি, ফল, মাছ ও মাংস একদিনের জিনিস। অর্ডার না এলে সেগুলো নষ্ট হয়, আর মুদি পণ্যের ৩–৭ শতাংশ লাভ দিয়ে সেই ক্ষতি পোষানো যায় না — একটা পচা মালের ক্ষতি সামলাতে কয়েক ডজন অর্ডারের লাভ লাগে। শুরুতে পচনশীল পণ্য যত কম রাখা যায় ততই ভালো।
  • বেশিচাহিদা: খদ্দের পাড়ার মুদি দোকানের দর জানেন এবং দুই দর মিলিয়ে দেখেন। চালডালের দর টিসিবির ঢাকার খুচরা দরের ঘরেই পড়ে — অর্থাৎ অনলাইনে দোকানের চেয়ে বেশি দাম রাখার সুযোগ নেই। তাহলে আপনার আয় আসতে হবে হয় ডেলিভারি ফি থেকে, নয়তো এত বেশি অর্ডার থেকে যে খরচ ভাগ হয়ে যায়। ছোট এলাকায় সেই সংখ্যা জোগাড় করাই সবচেয়ে কঠিন কাজ।
  • মাঝারিবাকিতে বিক্রি: ক্যাশ অন ডেলিভারিতে খদ্দের দরজায় দাঁড়িয়ে অর্ডার ফিরিয়ে দিতে পারেন। মুদি বাজার ফেরত এলে দ্বিগুণ ক্ষতি — যাতায়াতের খরচ গেল, আর পচনশীল মাল ফেরত এসে নষ্ট হলো। আগাম টাকা নেওয়ার ব্যবস্থা না থাকলে এই ঝুঁকি পুরোটাই আপনার।
  • মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: এটি একই সঙ্গে ডিজিটাল ব্যবসা ও খাদ্য ব্যবসা, তাই দুই দিক থেকেই নিয়ম আসে। ডিজিটাল ব্যবসার জন্য ডিবিআইডি বাধ্যতামূলক, অথচ আরজেএসসিতে প্রায় ১২ হাজার আবেদন ঝুলে আছে। আর খাদ্যপণ্যের জন্য নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন প্রবিধানমালা ২০২৬ অনুযায়ী প্রযোজ্য হতে পারে। দুটোর কোনোটি ছাড়া চললে পরে জরিমানা বা কার্যক্রম বন্ধের ঝুঁকি থাকে।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঢাকার অনলাইনে ডাব সরবরাহ করা দুই তরুণ উদ্যোক্তা

৮ হাজার টাকার ১০০ ডাব থেকে মাসে ২৫ লাখ টাকার বিক্রি

কারওয়ান বাজার থেকে ৮ হাজার টাকায় ১০০টি ডাব কিনে শুরু; এখন মোট বিনিয়োগ প্রায় ১০ লাখ টাকা, ১২ জন কর্মী আর মাসে গড়ে ২৫ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি।

পুঁজি
৳৮ হাজার
কারণ
ভালো মান, চলতি মূলধন

একই রকম আরও ব্যবসা

ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

সিসিটিভি স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণ

ক্যামেরা বসানো ও রক্ষণাবেক্ষণ। ক্যামেরা ৳৭৯৯–৬,৪৩৮ আর এনভিআর ৳৪,৪০০–৪১,৯৯০ — মাল সস্তা বলে বসানোয় লাভ কম, আসল আয় বাৎসরিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তিতে।

পুঁজি
৳৮০ হাজার – ৳৬ লাখ
জনবল
২ – ৮ জন
প্রথম আয়
৭ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

অ্যাপ তৈরির সেবা

মোবাইল অ্যাপ বানিয়ে দেওয়ার কাজ। পুঁজি একটা কম্পিউটার, ইন্টারনেট আর বিদ্যুৎ; বাড়তি খরচ গুগল প্লেতে এককালীন ২৫ ডলার আর অ্যাপলে বছরে ৯৯ ডলার। ব্যক্তি ফ্রিল্যান্সারের নগদ সহায়তা ২.৫০%, প্রতিষ্ঠানের ৬%।

পুঁজি
৳৬৩ হাজার – ৳১.৭ লাখ
জনবল
১ – ৮ জন
প্রথম আয়
১৮০ – ২৭০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

ভিডিও এডিটিং সেবা

পণ্যের ভিডিও ও কনটেন্ট সম্পাদনা করে দেওয়ার সেবা। খদ্দের প্রস্তুত — পাঠাওয়ে ২ লাখ ও স্টেডফাস্টে ৩ লাখ অনলাইন মার্চেন্ট; মূল পুঁজি একটি সম্পাদনার কম্পিউটার।

পুঁজি
৳৬২ হাজার – ৳২.৫ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৯০ – ৩৬৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

সফটওয়্যার ও অ্যাপ রিসেলিং

ছোট দোকানে পিওএস ও হিসাবের সফটওয়্যার বসিয়ে দেওয়ার কাজ। প্রতিযোগী বিনা মূল্যের অ্যাপ — টালিখাতায় নিবন্ধিত প্রায় ৪৭ লাখ ব্যবসায়ী; তাই আয় আসে যন্ত্র ও সেবা থেকে।

পুঁজি
৳৬০ হাজার – ৳২.৫ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৭ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান