প্রশিক্ষণ আর একটি ফেসবুক পেজ, খরচ বাদে মাসে ২০ হাজার টাকা
২০১৭ সালে স্নাতক শেষ করে চাকরির পেছনে না ছুটে ২০২১ সালে বাঁশের হস্তশিল্পের প্রশিক্ষণ, সে বছরের ডিসেম্বরেই ব্যবসা শুরু। ট্রে ৬০০, ফুলদানি ৪০০ আর জুমঘরের নকশা ১,২০০ টাকায় বিক্রি; খরচ বাদে মাসে আয় প্রায় ২০,০০০ টাকা।
খাগড়াছড়ির দীঘিনালার এই ৩৬ বছর বয়সী তরুণ ২০১৭ সালে স্নাতক শেষ করেন, তারপর চাকরির পেছনে না ছুটে ২০২১ সালে রাঙামাটির ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট থেকে বাঁশের হস্তশিল্পের প্রশিক্ষণ নেন। ওই বছরের ডিসেম্বরেই ঘরে বসে বাঁশের ফুলদানি, ট্রে, চায়ের কাপ আর পাহাড়ি জুমঘরের ছোট নকশা বানিয়ে বিক্রি শুরু করেন। বিক্রি হয় নিজের ফেসবুক পেজে আর সরাসরি অনলাইন বিক্রেতাদের কাছে; ক্রেতাদের কাছ থেকে আগাম অর্ডারও আসে। ট্রে বিক্রি হয় ৬০০ টাকায়, ফুলদানি ৪০০ টাকায় আর জুমঘরের নকশা ১,২০০ টাকায় — অর্থাৎ এলাকার নিজস্ব নকশার পণ্যেই প্রতি পিসে সবচেয়ে বেশি টাকা আসে। প্রতিবেদন অনুযায়ী সব খরচ বাদ দিয়ে এখন তাঁর মাসিক আয় প্রায় ২০,০০০ টাকা। শুরুর পুঁজি কত ছিল, প্রতিবেদনে সেটি বলা নেই।
যা শেখার আছে
- ১.এই কাজে বাধা মেশিন নয়, দক্ষতা আর বিক্রির জায়গা — একটি সরকারি প্রশিক্ষণ আর একটি ফেসবুক পেজেই ব্যবসাটা দাঁড়িয়েছে
- ২.সাধারণ ঝুড়ির চেয়ে এলাকার নিজস্ব নকশার পণ্যে পিসপ্রতি আয় অনেক বেশি — জুমঘরের নকশা ১,২০০ টাকা, ফুলদানি ৪০০
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
