বাঁশ ও বেতের হস্তশিল্প
বাঁশ-বেত চিরে কুলা, ঝুড়ি, খাঁচা ও পর্যটকের কারুপণ্য বোনা। একটি ভালো বাঁশ ৳৪০০–৫০০, তা থেকে পাঁচ দিনে ১৫–২০টি কুলা; হাঁস-মুরগির খাঁচা কারিগর পান ৳১৮০, দোকানি বেচেন ৳২০০।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

বাঁশ ও বেতের হস্তশিল্প
- শুরুর পুঁজি
- ৳১০,০০০ – ৳১,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৫ – ৩০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ২ – ৬ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ঘরে বসে · সহজ
ব্যবসাটি সম্পর্কে
বাঁশ আর বেত চিরে ফালি বানিয়ে কুলা, ঝুড়ি, হাঁস-মুরগির খাঁচা, দরমা, কিংবা পর্যটকের জন্য বোতল, মগ ও কলমদানি বোনা। কাঁচামাল কাছেই, বাড়িতেই কাজ চলে, আর ঘরের নারী-পুরুষ সবাই মিলে করেন — এটাই এই কাজের সুবিধা। কিন্তু টাকার হিসাবটা কঠিন। কুমিল্লার বড় মাছিমপুরের কারিগর নিখিল নম সূত্রধর ত্রিশ বছর ধরে এই কাজ করছেন; তিনি বলেছেন, একটি ভালো বাঁশ কিনতে লাগে ৳৪০০–৫০০, আর সেই এক বাঁশ দিয়ে পাঁচ দিনে ১৫ থেকে ২০টি কুলা বানানো যায়। ওই পাড়ার নারী কারিগরেরা মূলত হাঁস-মুরগির খাঁচা বানান, স্বামী-স্ত্রী মিলে সপ্তাহে ১৫টির মতো। খুচরা ব্যবসায়ী রিপন মিয়া সেই খাঁচা কারিগরের কাছ থেকে ১৮০ টাকায় কিনে বাজারে ২০০ টাকায় বেচেন। অর্থাৎ পুরো সপ্তাহের কাজ শেষে দুজনের ঘরে আসে প্রায় ২,৭০০ টাকা, তার থেকে আবার বাঁশের দাম যায়। বাঁশের দাম কয়েক গুণ বেড়েছে, অথচ পণ্যের দাম সেই অনুপাতে বাড়েনি, আর সস্তা প্লাস্টিকের দাপটে চাহিদাও কমছে। পাহাড়ে ছবিটা একটু আলাদা — সেখানে ক্রেতা মূলত পর্যটক। বান্দরবানের শৈলপ্রপাতে একটি বাঁশের বোতল ৳৩৫০, মগ ৳১৫০ আর কলমদানি ৳১০০ দরে বিক্রি হয়, আর বিদেশি পর্যটক এলে বিক্রি অনেক বেড়ে যায়। তিন পার্বত্য জেলায় বনশিল্প গবেষণা ইনস্টিটিউট কয়েক শ কারুশিল্পীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছিল, বেসরকারি সংস্থাগুলোও বাজারজাতকরণে সাহায্য করত। কিন্তু প্রকল্প শেষ হতেই তারা হাত গুটিয়ে নেওয়ায় উৎপাদকেরা বাজার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। উৎপাদকদের জন্য ব্যাংকঋণের কোনো ব্যবস্থা নেই — তাই বড় করে কিছু করাও যায় না।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳২,০০০ – ৳৬,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳১০০ – ৳৩৫০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳২০ – ৳১০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৪৪% – ৮৬% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৫ – ৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ২ – ৬ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৫ – ৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ১০% – ১৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ২ – ৪ | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত |
শুরু করতে যা লাগবে
- দা, কাটারি, ছুরি ও বাঁশ চেরার সরঞ্জাম; রং করলে রঙের ব্যবস্থা। যন্ত্র ছাড়া পুরোটাই হাতের কাজ — বিসিক বলছে, টিকে থাকতে হলে কিছুটা যান্ত্রিকীকরণে যেতে হবে।যন্ত্রপাতি
- বাঁশ ও বেত। একজন কারিগরের মাসে ৫–৬টি বাঁশ লাগে, কারণ একটি বাঁশে পাঁচ দিনের কাজ হয়।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। নিয়মিত পাইকারি সরবরাহ বা দোকান দিলে লাগে। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০।লাইসেন্স
- বাঁশ চেরা ও সমান ফালি তৈরি করা, তারপর নকশা ধরে বুনন। কুমিল্লার কারিগরেরা ছোটবেলা থেকে বাবা-দাদার কাছে শিখেছেন; তিন পার্বত্য জেলায় বনশিল্প গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রশিক্ষণ দিয়েছে।দক্ষতা
- বাঁশের হাট ও বাঁশঝাড়ের মালিক। একটি ভালো বাঁশের দাম ৳৪০০–৫০০, আর ভালো বাঁশের জন্য অনেক সময় দূরের হাটে যেতে হয়। বাঁশের দাম কয়েক গুণ বেড়েছে বলে কারিগরেরা জানিয়েছেন।সরবরাহকারী
- বাড়ির উঠান বা বারান্দা, শুকনো ও ছায়াযুক্ত জায়গাসহ। আলাদা কারখানা লাগে না, তাই পুঁজি কম লাগে।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1কাছের কোন হাটে ভালো বাঁশ পাওয়া যায় তা আগে খুঁজে বের করুন। কুমিল্লার কারিগরেরা মাছিমপুর বা গাজীপুর বাজার থেকে বাঁশ কেনেন, আর ভালো বাঁশের জন্য মুরাদনগর বা ঘাড়মুড়া পর্যন্ত যেতে হয়।
- 2কী বানাবেন ঠিক করুন। গৃহস্থালির কুলা, ঝুড়ি, দরমা আর হাঁস-মুরগির খাঁচার ক্রেতা গ্রামে; বোতল, মগ, ফুলদানি ও কলমদানির ক্রেতা পর্যটক। দুটোর বাজার, দাম ও মৌসুম আলাদা।
- 3বাঁশ চেরা, ফালি করা আর বুননের কাজটা শিখে নিন। তিন পার্বত্য জেলায় বনশিল্প গবেষণা ইনস্টিটিউট কয়েক শ কারুশিল্পীকে প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি সহায়তা দিয়েছে — খোঁজ নিলে এখনো সুযোগ মিলতে পারে।
- 4জেলার বিসিক কার্যালয়ে গিয়ে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের নিবন্ধন এবং প্রশিক্ষণের খোঁজ নিন। বিসিক এই খাতের ক্লাস্টার ও মেলা দেখভাল করে।
- 5দা, কাটারি, ছুরি ও বাঁশ চেরার সরঞ্জাম জোগাড় করুন। ঘরের বারান্দা বা উঠানেই কাজ চলে, আলাদা কারখানা লাগে না।
- 6প্রথমে অল্প কয়েকটি বাঁশ নিয়ে শুরু করুন আর হিসাব রাখুন — এক বাঁশে কতগুলো জিনিস হলো আর কত দিনে হলো। এটাই আপনার আসল মজুরির হিসাব।
- 7স্থানীয় খুচরা দোকানির সঙ্গে দর ঠিক করুন। কুমিল্লায় দোকানি খাঁচা কেনেন ১৮০ টাকায় আর বেচেন ২০০ টাকায় — জানা থাকলে দর কষাকষি সহজ হয়।
- 8পর্যটন এলাকায় কাজ করলে শৈলপ্রপাত, চিম্বুক বা নীলাচলের মতো স্পটের দোকানে মাল দিন, আর বায়না পেলে চাহিদামতো বানান। বিদেশি পর্যটক এলে বিক্রি অনেক বেড়ে যায়।
- 9ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের কারুপণ্যের মেলায় যাওয়ার চেষ্টা করুন। কোভিডের আগে পাহাড়ের কারুপণ্য ওই বাজারগুলোতেও যেত; মেলা এখনো সবচেয়ে সহজ পথ।
- 10প্লাস্টিকের সঙ্গে দামে লড়তে যাবেন না। সস্তা প্লাস্টিকের দাপটে সাধারণ জিনিসের চাহিদা কমছে; নকশা, মজবুতি আর হাতের কাজের পরিচয় দিয়েই আলাদা দাম পাওয়া যায়।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনকম
- জুলাইকম
- আগস্টকম
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীবান্দরবান · পর্যটননির্ভর বাজার আছে — শৈলপ্রপাত, চিম্বুক ও নীলাচলের দোকানে বাঁশের বোতল ৳৩৫০, মগ ৳১৫০ ও কলমদানি ৳১০০ দরে বিক্রি হয়। বিসিকের জেলা কার্যালয়ও এখানে।
- খুব উপযোগীকুমিল্লা · বড় মাছিমপুরের নমপাড়ায় প্রায় ৩৫টি পরিবার এখনো এই কাজে; বাঁশ আসে মাছিমপুর, গাজীপুর বাজার ও মুরাদনগর থেকে, আর হাঁস-মুরগির খাঁচা খুচরা ব্যবসায়ীরা নিয়মিত কেনেন।
- খুব উপযোগীখাগড়াছড়ি · তিন পার্বত্য জেলার একটি; বাঁশ-বেতের কাজ পুরোনো, তবে বাজার থেকে বিচ্ছিন্নতার সমস্যা এখানেও একই।
- খুব উপযোগীরাঙ্গামাটি · পার্বত্য তিন জেলার একটি, যেখানে বনশিল্প গবেষণা ইনস্টিটিউট কয়েক শ কারুশিল্পীকে প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি সহায়তা দিয়েছিল; কাঁচামাল ঘরের কাছেই।
- সম্ভবহবিগঞ্জ · মাধবপুরসহ কয়েকটি এলাকায় কারিগর পরিবার টিকে আছে, কিন্তু আয় কমছে।
- সম্ভবলক্ষ্মীপুর · ডোল হারিয়ে গেলেও দরমা তৈরির কাজ এখনো টিকে আছে।
- সম্ভবমাদারীপুর · ঐতিহ্যবাহী বেত শিল্পের এলাকা, যদিও তা বিলুপ্তির পথে বলে সংবাদমাধ্যমে এসেছে।
- সম্ভবমৌলভীবাজার · রাজনগরসহ এলাকায় বাঁশ-বেতের কাজ চলে, আর চা-বাগান এলাকার পর্যটকও ক্রেতা হতে পারেন।
- সম্ভবনেত্রকোণা · কদর কমে যাওয়ায় কারিগরেরা কষ্টে আছেন, তবে কাঁচামাল ও দক্ষতা দুটোই আছে।
- সম্ভবসুনামগঞ্জ · হাওরাঞ্চলের পুরোনো বাঁশ-বেতের কাজ, তবে শান্তিগঞ্জসহ কয়েক জায়গায় শিল্পটি সংকুচিত হয়ে এসেছে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচলতি মূলধন: কাঁচামালের দাম বাড়ছে, পণ্যের দাম বাড়ছে না। কারিগরেরা বলছেন, বাঁশের দাম কয়েক গুণ বেড়েছে কিন্তু পণ্যের দাম সেই অনুপাতে বাড়েনি। স্বামী-স্ত্রী মিলে সপ্তাহে ১৫টি খাঁচা বানিয়ে ১৮০ টাকা দরে পান প্রায় ২,৭০০ টাকা, আর তার থেকেই বাঁশের দাম যায়। উৎপাদকদের জন্য ব্যাংকঋণের কোনো ব্যবস্থাও নেই, তাই বেশি বাঁশ কিনে রাখাও যায় না।
- বেশিচাহিদা: সস্তা প্লাস্টিক জায়গা নিয়ে নিচ্ছে। কুলা, ঝুড়ি ও গৃহস্থালির যে জিনিসগুলো একসময় বাঁশেরই হতো, সেগুলো এখন প্লাস্টিকে পাওয়া যায় আর দামে সস্তা। বিসিকের বান্দরবান কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক শামীম আলম বলছেন, উন্নত প্রযুক্তিতে বানানো বিদেশি পণ্যের মান বেশি ও দাম কম, তাই হাতের কাজের সঙ্গে যান্ত্রিকীকরণ না মেশালে টেকা যাবে না।
- বেশিনির্ভরশীলতা: বাজার পর্যন্ত পৌঁছানোর কেউ নেই। সাত-আট বছর আগেও বেসরকারি সংস্থা আর বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন বাজারজাতকরণে সাহায্য করত; প্রকল্প শেষ হতেই তারা হাত গুটিয়ে নিয়েছে। ফলে সরবরাহশৃঙ্খল ভেঙে পড়েছে আর উৎপাদকেরা বাজার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। কারিগর আছেন, কাঁচামাল আছে, চাহিদাও আছে — শুধু মাঝখানের উদ্যোক্তাটি নেই।
- মাঝারিচাহিদা: পাহাড়ে বিক্রি পুরোপুরি পর্যটকের উপর। শৈলপ্রপাতের বিক্রেতারা বলছেন, ক্রেতা মূলত জেলার বাইরের সচ্ছল ও বিদেশি পর্যটক, আর বিদেশি পর্যটক এলে বিক্রি অনেক বেড়ে যায়। পাহাড়ে ভ্রমণ বন্ধ বা কম হলে বা বর্ষায় পর্যটক না এলে বিক্রি প্রায় থেমে যায়।
- মাঝারিঅন্যান্য: কাঁচামালও নিশ্চিত নয়। কারিগরেরা বলছেন, ভালো বাঁশ আনতে দূরের হাটে যেতে হয় — কুমিল্লার কারিগরেরা মুরাদনগর বা ঘাড়মুড়া পর্যন্ত যান। বাঁশঝাড় কমে গেলে দাম আরও বাড়ে আর দূরত্বও বাড়ে, দুটোই সরাসরি মজুরি থেকে কাটা যায়।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
একটি বাঁশের দাম ১৫০–২০০ টাকা, ঝুড়ির দাম আটকে ১৫০ টাকাতেই
দেবহাটার কোরা পাকড়াতলা গ্রামে প্রায় ৫০ জন কারিগর বাঁশের কাজ করেন। একটি ঝুড়িতে খরচ ৭০–৮০ টাকা, বিক্রি ১৫০ টাকা, দিনে হয় দুটি; আরেকজন তাবড়া ১৮০ টাকায় কিনে বিক্রি করেন ২০০ টাকায়।
- কারণ
- সরবরাহকারীর সমস্যা, চাহিদা কম
প্রশিক্ষণ আর একটি ফেসবুক পেজ, খরচ বাদে মাসে ২০ হাজার টাকা
২০১৭ সালে স্নাতক শেষ করে চাকরির পেছনে না ছুটে ২০২১ সালে বাঁশের হস্তশিল্পের প্রশিক্ষণ, সে বছরের ডিসেম্বরেই ব্যবসা শুরু। ট্রে ৬০০, ফুলদানি ৪০০ আর জুমঘরের নকশা ১,২০০ টাকায় বিক্রি; খরচ বাদে মাসে আয় প্রায় ২০,০০০ টাকা।
- কারণ
- চাহিদা কম, ভালো মান
একই রকম আরও ব্যবসা
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকাগজের ঠোঙা ও প্যাকেজিং
বর্জ্য কাগজ কিনে হাতে ঠোঙা বানিয়ে দোকানে সরবরাহ। খাকি ঠোঙা কেজি ৳১৩৫–১৪০, সাদা ৳৮০; ৬০ কেজি কাগজে সাড়ে ৭ হাজার খরচে ৭০ কেজি ঠোঙা, লাভ ২,৩০০ টাকা।
- পুঁজি
- ৳১০ হাজার – ৳৬০ হাজার
- জনবল
- ১ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৩ – ১৫ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপশীতলপাটি বুনন
মুর্তার বেতি দিয়ে হাতে পাটি বোনা। ঝালকাঠিতে একটি পাটি চার-পাঁচ দিনে বুনে বিক্রি ৳১,০০০–৩,৫০০, আর জিআই সনদ থাকলেও দাম বাড়েনি — কারিগর এখনো মহাজনের দাদনেই বাঁধা।
- পুঁজি
- ৳১০ হাজার – ৳৮০ হাজার
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ১২ – ৩৬৫ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপসাইকেল ও রিকশা মেরামত
রাস্তার পাশে ছোট দোকানে সাইকেল, রিকশা ও ই-রিকশা মেরামত। যন্ত্রপাতি ও মালের দাম মিলিয়ে ৳১৫,০০০ থেকেই শুরু করা যায়, আর খদ্দের কাজ শেষে নগদ টাকা দিয়ে যান।
- পুঁজি
- ৳১৫ হাজার – ৳১.২ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপব্লক-বাটিক ও টাই-ডাই
ঘরে বসে সুতি কাপড়ে মোম ও রং দিয়ে বাটিক-টাই-ডাইয়ের শাড়ি ও থ্রি-পিস তৈরি। কুমিল্লার দোকানে বাটিক শাড়ি ৳৫০০ থেকে ৳১,৭০০; একজন কারিগর দিনে প্রায় ১০টি শাড়ি করতে পারেন।
- পুঁজি
- ৳৫ হাজার – ৳৫০ হাজার
- জনবল
- ১ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
