যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে দিনাজপুরের একজন এসি-ফ্রিজ মেরামতকারী
দিনে ৩০০–৪০০ টাকা থেকে মাসে প্রায় লাখ টাকা, সঙ্গে ছয় কর্মী
তিন বছর আগেও দৈনিক আয় ছিল ৩০০–৪০০ টাকা। এসি ও ফ্রিজ সার্ভিসিংয়ের ছয় মাসের প্রশিক্ষণের পর এখন নিজের ব্যবসা, ছয়জন কর্মী, মাসে আয় প্রায় এক লাখ টাকা।
দিনাজপুরের এই ২৭ বছর বয়সী তরুণের তিন বছর আগেও দৈনিক আয় ছিল ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। এরপর পিকেএসএফের রেইজ প্রকল্পে এসি ও ফ্রিজ সার্ভিসিংয়ের ছয় মাসের প্রশিক্ষণ নেন তিনি। এখন দিনাজপুরে নিজের এসি-ফ্রিজ মেরামতের ব্যবসা চালান, সঙ্গে ছয়জন কর্মী। প্রতিবেদনে তাঁর মাসিক আয় ধরা হয়েছে প্রায় এক লাখ টাকা। এ কাজে প্রশিক্ষিত প্রতিটি কর্মী আলাদা কাজ ধরতে পারেন, তাই একা হাতে চালানো পেশার চেয়ে এটি অনেক দ্রুত বড় হয়।
যা শেখার আছে
- ১.প্রশিক্ষিত কর্মী আলাদা আলাদা কাজ ধরতে পারেন বলে সার্ভিসিংয়ের ব্যবসা লোক বাড়ালেই বড় হয়
- ২.দিনমজুরির কাজ ছেড়ে একটি নির্দিষ্ট মেরামতের দক্ষতায় গেলে আয় কয়েক গুণ হতে পারে, তবে সময় লাগে বছর তিনেক
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
