আগাম আলু: বিঘায় খরচ ২০ হাজার, ৬০ টাকা কেজিতে বেচে ৬০ দিনে লাভ ৫২ হাজার
নীলফামারীর জলঢাকার এক কৃষক ২ বিঘায় আগাম জাতের আলু করে বাজারে নতুন আলুর চড়া দামে বিঘাপ্রতি ৭২ হাজার টাকা বিক্রি করেন।
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার কাঁঠালী ইউনিয়নের এক কৃষক ২০২০ সালের মৌসুমে ৬০ শতাংশ (২ বিঘা) জমিতে আগাম জাতের গেনোলা আলু চাষ করেন। সেচ, সার, বীজ, আল তৈরি, আলু তোলা ও পরিবহন মিলিয়ে বিঘায় খরচ হয় ১৯–২০ হাজার টাকা। এক বিঘায় (৩০ শতাংশ) ফলন হয় ৩০ মণ। তখন বাজারে পুরোনো আলুর চাহিদা কমছিল, নতুন আলুর দাম চড়া; তিনি ৬০ টাকা কেজি অর্থাৎ মণপ্রতি ২ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি করে পান ৭২ হাজার টাকা। তাঁর হিসাবে খরচ বাদে ৬০ দিনে লাভ ৫২ হাজার টাকা। একই জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার আরেক কৃষক দেড় বিঘায় আগাম আলু করে এক বিঘায় ২৬ মণ পেয়ে ৫৫ টাকা কেজিতে ৫৭ হাজার ২০০ টাকায় বেচেন; বিঘায় ১১ হাজার খরচ বাদে লাভ ৪৬ হাজার ২০০ টাকা। প্রতিবেদন অনুযায়ী ধানের ন্যায্য দাম না পেয়ে এবং বন্যা ও টানা বৃষ্টিতে অন্য ফসলের ক্ষতি পোষাতে কৃষকেরা উঁচু জমিতে আগাম আলুতে ঝুঁকেছিলেন। আগাম আলুর ফলন সাধারণ মৌসুমের চেয়ে কম (এখানে বিঘায় ২৬–৩০ মণ), লাভটা আসে মূলত মৌসুমের শুরুতে পাওয়া বেশি দামে।
যা শেখার আছে
- ১.আগাম আলুর লাভ আসে ফলন থেকে নয়, আগে বাজারে ওঠার বাড়তি দাম থেকে; তাই সময়মতো তোলা সবচেয়ে জরুরি।
- ২.উঁচু, পানি না জমা জমি আগাম আলুর জন্য বেছে নিন।
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
