মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা শিখেছিঢাকা টাইমসের প্রতিবেদনে কুড়িগ্রামের উলিপুরের একজন ফুলচাষি

৬ হাজার টাকায় শুরু ফুলবাগানে বছরে দেড় লাখ আয়, করোনায় ফুল ছিঁড়ে ফেলতে হলো

কুড়িগ্রামের উলিপুরের এক ফুলচাষি ৫০ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে ছয় হাজার টাকায় শুরু করে বছরে প্রায় দেড় লাখ টাকা আয় করতেন। করোনায় ক্রেতা না থাকায় গাছ বাঁচাতে ফুল ছিঁড়ে ফেলতে হয়, ঋণ শোধের পথ ছিল না।

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার কাশিয়াগাড়ী গ্রামের এই চাষি ৫০ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে প্রথমে ছয় হাজার টাকা দিয়ে ফুল চাষ শুরু করেছিলেন। ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এতে বছরে প্রায় দেড় লাখ টাকা আয় হতো, ছয় সদস্যের সংসার চলত। উপজেলার বাগানগুলোতে গাঁদা, চন্দ্রমল্লিকা, গোলাপ, ডালিয়া, বেলী, রজনীগন্ধা জাতীয় ফুল হয়।

করোনার সময় ক্রেতা না থাকায় বাগানের ফুল বিক্রি হয়নি, গাছেই শুকিয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘গাছ বাঁচিয়ে রাখার জন্য ফুল ছিঁড়ে ফেলে দিচ্ছি। জানি না কিভাবে ঋণের টাকা পরিশোধ করব।’

একই উপজেলার আরেক চাষি বিশ বছর ধরে এনজিও ঋণ নিয়ে প্রায় এক একরে ফুল চাষ করে জাতীয় দিবসে আর স্কুল-কলেজের গেটে বিক্রি করে সংসার চালাতেন। স্কুল-কলেজ বন্ধ হতেই বিক্রি কমে যায়, ঋণের বোঝা নিয়ে তিনি চাষ ছোট করে ফেলেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, করোনাকালে ফুলচাষিদের জন্য সরকারি কোনো বরাদ্দ ছিল না।

যা শেখার আছে

  1. ১.ফুলের বিক্রি নির্দিষ্ট কিছু দিবস আর অনুষ্ঠানের ওপর নির্ভর করে; সেগুলো বন্ধ হলে ফুল রাখা যায় না, পুরো মৌসুম নষ্ট হয়।
  2. ২.ঋণ নিয়ে ফুল চাষ করলে কিস্তি অন্তত কয়েক মাস ব্যবসা বন্ধ থাকলেও চালানোর মতো সঞ্চয় রাখুন।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।