ফুল চাষ ও ফুলের দোকান
গোলাপ, জারবেরা, গ্ল্যাডিওলাস ও গাঁদা ফলিয়ে গদখালী বা গাবতলীর পাইকারি মোকামে বিক্রি। এক বিঘা গোলাপে খরচ প্রায় ৳১,৫০,০০০, আর সারা বছরের আয় নির্ভর করে কয়েকটি দিবসের দামের উপর।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

ফুল চাষ ও ফুলের দোকান
- শুরুর পুঁজি
- ৳১,২০,০০০ – ৳৩,৫০,০০০ বাজারদর
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৬০ – ৯০ দিন বাজারদর
- খরচ উঠতে
- ৬ – ২৪ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- খামার · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
জমিতে গোলাপ, জারবেরা, গ্ল্যাডিওলাস, রজনীগন্ধা আর গাঁদা ফুল ফলিয়ে পাইকারি মোকামে বিক্রি করা, আর চাইলে শহরে নিজের ফুলের দোকান রাখা। দেশের ফুল চাষের কেন্দ্র যশোরের ঝিকরগাছার গদখালী। যশোর জেলায় ৬৩৭ হেক্টর জমিতে ফুলের চাষ হয় আর প্রায় তিন হাজার চাষি এই কাজে আছেন; গদখালীর মোকামে দুই হাজারের বেশি চাষি ভোরে ফুল নিয়ে বসেন। ২০২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকার গাবতলী বেড়িবাঁধে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের প্রকল্পে দেশের সবচেয়ে বড় পাইকারি ফুলের বাজার চালু হয়েছে — সাড়ে তিন শ দোকানের জায়গা, ২০ টন ধারণক্ষমতার পাঁচটি কুলিং স্টোরেজ, প্যাকেজিং যন্ত্র আর সাতটি গাড়ি। কুলিং স্টোরেজে ফুল সাত থেকে দশ দিন তাজা থাকে। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সেখানে পাইকারি দর ছিল লিংকন গোলাপ ৳৭, চায়না গোলাপ ৳৫–২০, জারবেরা ৳৫–৭, গ্ল্যাডিওলাস ৳৫–২০, রজনীগন্ধা ৳৭ প্রতি স্টিক আর গাঁদা ৳৩০০ প্রতি ঝোপা। এই ব্যবসার আসল কথা হলো সারা বছরের পরিশ্রমের দাম ওঠে মাত্র কয়েকটা দিনে — ভালোবাসা দিবস, পয়লা ফাল্গুন, একুশে ফেব্রুয়ারি, পয়লা বৈশাখ, পূজা আর বিয়ের মৌসুম। সেই দিনগুলোতে দাম না পেলে পুরো বছর মার। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঠিক সেটাই হয়েছিল — হঠাৎ গরমে একসঙ্গে বেশি ফুল ফোটায় আর শবে বরাত একই সময়ে পড়ায় দাম আগের বছরের অর্ধেকে নেমে যায়, চাষিরা উৎপাদন খরচও তুলতে পারেননি। এক বিঘা গোলাপ চাষে তখন খরচ হয়েছিল দেড় লাখ টাকা।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳১২,০০০ – ৳৪০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৫ – ৳২০ / একক | বাজারদর | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳২ – ৳৪ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ২০% – ৯০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৬০ – ৯০ দিন | বাজারদর | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৬ – ২৪ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ০ – ২ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৫% – ২৫% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৫০০ – ৬০০ | বাজারদর |
শুরু করতে যা লাগবে
- পলিনেট হাউস বা গ্রিনহাউস, সেচের ব্যবস্থা, ফুল কাটার কাঁচি, পরিবহনের জন্য ভ্যান বা বাক্স, আর পাতা ও ফুল বাঁধার সুতা।যন্ত্রপাতি
- চারা বা কন্দ। জারবেরার ৩ হাজার টিস্যু কালচার চারায় খরচ ৳১,৫০,০০০ আর সব মিলিয়ে ৳২,০০,০০০। এক বিঘা গোলাপে খরচ পড়েছিল ৳১,৫০,০০০, ৩৮ শতকে ৳১,২০,০০০।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। ফুল শুধু জমিতে ফলিয়ে মোকামে বেচলে অনেকে লাইসেন্স নেন না, কিন্তু দোকান বা মোকামে স্টল নিলে লাগে।লাইসেন্স
- কোন দিবসে কোন ফুল লাগবে তা মাথায় রেখে রোপণের সময় হিসাব করা, আর ফুল ফোটার আগে কেটে ঠিক সময়ে মোকামে তোলা।দক্ষতা
- সার ও বালাইনাশক — লাল মাকড় দমনে ককোডাস, পটাশ, টিএসপি ও দস্তার মিশ্রণ কৃষি কর্মকর্তারা বলে দেন। চারার জন্য টিস্যু কালচার ল্যাব বা আমদানিকারক।সরবরাহকারী
- কমপক্ষে এক বিঘা (৩৩ শতক) জমি, বেলে-দোআঁশ মাটি আর পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা। জারবেরার জন্য পলিনেট হাউস বাধ্যতামূলক।কাজের জায়গা
- ঢাকায় বিক্রি করতে চাইলে গাবতলীর স্থায়ী পাইকারি বাজারে ৭০–৮০ বর্গফুটের স্টল, ভাড়া প্রতি বর্গফুট ৳২৫।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1কোন ফুল ফলাবেন আগে ঠিক করুন। গাঁদা ও রজনীগন্ধা খোলা জমিতে হয়, খরচ কম; জারবেরা পানি সহ্য করে না, তাই পলিনেট হাউস ছাড়া হয় না।
- 2উপজেলা কৃষি অফিসে গিয়ে জমির মাটি ও পলিনেট হাউসের সরকারি সহায়তার কথা জেনে নিন। সিরাজগঞ্জের চাষি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহায়তায় দুই বিঘা পলিনেট হাউস করেছেন।
- 3চারা বা কন্দ জোগাড় করুন। জারবেরার টিস্যু কালচার চারা বাইরে থেকে আনতে হয় — ৩ হাজার চারায় খরচ পড়েছে ৳১,৫০,০০০। গোলাপ ও গ্ল্যাডিওলাসের চারা গদখালী এলাকা থেকেই পাওয়া যায়।
- 4বেড তৈরি করে চারা লাগান। জারবেরায় বেড থেকে বেডের দূরত্ব ২৪ ইঞ্চি আর চারা থেকে চারার দূরত্ব ১৩ ইঞ্চি, মাটি হতে হবে বেলে-দোআঁশ।
- 5দিবসের হিসাব ধরে রোপণের সময় ঠিক করুন। ভালোবাসা দিবস, পয়লা ফাল্গুন, একুশে ফেব্রুয়ারি, ২৬ মার্চ, পয়লা বৈশাখ, পূজা আর ১৬ ডিসেম্বর — এই দিনগুলোতেই দাম সবচেয়ে বেশি।
- 6বালাই সামলান। জারবেরার সবচেয়ে বড় শত্রু লাল মাকড়। পর্যাপ্ত রোদ ও বাতাস চলাচলের জায়গা রাখতে হয়।
- 7ভোরে ফুল কেটে মোকামে নিন। গদখালীতে দুই হাজারের বেশি চাষি ভোরে ভ্যান-সাইকেলে ফুল নিয়ে বসেন আর সারা দেশের পাইকার সেখান থেকে কেনেন।
- 8ঢাকায় বিক্রি করতে চাইলে গাবতলী বেড়িবাঁধের স্থায়ী পাইকারি বাজারে দোকান বরাদ্দের খোঁজ নিন। সাড়ে তিন শ দোকানের মধ্যে ১৫০টি বরাদ্দ হয়েছে, ভাড়া প্রতি বর্গফুট ৳২৫।
- 9না বিক্রি হওয়া ফুল কুলিং স্টোরেজে রাখুন — সেখানে ৭ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত ফুল তাজা থাকে। গাবতলী বাজারে ২০ টন ধারণক্ষমতার পাঁচটি কুলিং স্টোরেজ আছে।
- 10বিবর্ণ ফুল ফেলে না দিয়ে কাজে লাগান। পানিসারা গ্রামে বিবর্ণ ফুলের পাপড়ি দিয়ে কাপড়ের প্রাকৃতিক রং বানানো হচ্ছে, তাতে শাড়ি, থ্রি-পিস ও পাঞ্জাবি রাঙানো হয়।
- 11বিয়ে ও অনুষ্ঠানের ডেকোরেটরদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখুন — মোকামের দরের চেয়ে সেখানে দাম ভালো, তবে বাকির শর্ত আগে লিখে নিন।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিলবেশি
- মেস্বাভাবিক
- জুনকম
- জুলাইকম
- আগস্টকম
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোবেশি
- নভেস্বাভাবিক
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীঢাকা · শাহবাগ ও আগারগাঁওয়ের পুরোনো বাজারের সঙ্গে ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে যোগ হয়েছে গাবতলী বেড়িবাঁধের স্থায়ী পাইকারি ফুলের বাজার — কুলিং স্টোরেজ, প্যাকেজিং যন্ত্র ও পরিবহনের গাড়িসহ।
- খুব উপযোগীযশোর · ঝিকরগাছার গদখালী দেশের ফুল চাষের কেন্দ্র। জেলায় ৬৩৭ হেক্টর জমিতে ফুল, প্রায় তিন হাজার চাষি, আর মোকামে দুই হাজারের বেশি চাষি বসেন। পানিসারা ও পটুয়াপাড়া গ্রাম গোলাপের জন্য পরিচিত।
- সম্ভবচট্টগ্রাম · বড় শহর, বিয়ে ও অনুষ্ঠানের ফুলের চাহিদা বেশি; তবে ফুল আসে মূলত যশোর থেকে, স্থানীয় চাষ কম।
- সম্ভবচুয়াডাঙ্গা · যশোর-ঝিনাইদহ বেল্টের একই কৃষি অঞ্চলে, গাঁদা ও রজনীগন্ধার মতো কম খরচের ফুলের জন্য উপযোগী।
- সম্ভবগাজীপুর · ঢাকার লাগোয়া, গাবতলীর পাইকারি বাজারে দিনে দিনে ফুল পৌঁছে দেওয়া যায় আর জমির দামও রাজধানীর তুলনায় কম।
- সম্ভবঝিনাইদহ · গদখালী বেল্টের গা ঘেঁষা জেলা, একই মাটি আর একই মোকামের দূরত্বে। কালীগঞ্জ হয়ে যশোরের মোকামে ফুল পৌঁছানো যায়।
- সম্ভবমাগুরা · যশোর-ঝিনাইদহ ফুল বেল্টের উত্তরে, যশোর-ঢাকা মহাসড়কের উপর। গদখালীর মোকাম একদিনের দূরত্বে, তাই খোলা জমির গাঁদা ও রজনীগন্ধা এখান থেকে পাঠানো সম্ভব।
- সম্ভবময়মনসিংহ · মুক্তাগাছায় লিলিয়ামের মতো দামি বিদেশি ফুলের চাষ শুরু হয়েছে, আর ঢাকার বাজার সড়কপথে কাছেই।
- সম্ভবনড়াইল · যশোরের ফুল বেল্টের পাশের জেলা আর ঢাকার ফুল ব্যবসায় নড়াইলের লোক পুরোনো — গাবতলী বাজারের সমবায় সমিতির প্রতিষ্ঠাতা ক্যাশিয়ার নড়াইলের, ১৯৯২ সাল থেকে এই ব্যবসায়। ঢাকায় বিক্রির পথ তাই চেনা।
- সম্ভবসিরাজগঞ্জ · উল্লাপাড়ায় প্রথমবার বাণিজ্যিক জারবেরা চাষ সফল হয়েছে; কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পলিনেট হাউসে সহায়তা দিয়েছে আর বেলে-দোআঁশ মাটি জারবেরার উপযোগী।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচাহিদা: সারা বছরের আয় ঝুলে থাকে কয়েকটা দিবসের উপর, আর সেই দিবস ফসকে গেলে ফেরার পথ নেই। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে হঠাৎ গরম পড়ায় একসঙ্গে বেশি ফুল ফুটে যায় আর শবে বরাত ভালোবাসা দিবসের সঙ্গে পড়ায় খুচরা ব্যবসায়ীরা ঝুঁকি নেননি। দাম আগের বছরের অর্ধেকের কমে নেমে যায়। একজন চাষি ৩৮ শতকে ৳১,২০,০০০ খরচ করে সেই সময় পর্যন্ত মাত্র ৳২৫,০০০-এর গোলাপ বিক্রি করতে পেরেছিলেন। শতকোটি টাকা বিক্রির লক্ষ্য ধরা গদখালী মোকামে দশ দিনে বিক্রি হয়েছিল ১৮ কোটি টাকার ফুল।
- বেশিনষ্ট হওয়া: কাটা ফুল কয়েক দিনের জিনিস। কুলিং স্টোরেজ না থাকলে সেদিন না বিক্রি হলে পরদিন দাম অর্ধেক, তারপর ফেলে দিতে হয়। গাবতলী বাজারের কুলিং স্টোরেজ ঢাকার জন্য নতুন সুবিধা, কিন্তু জেলার মোকামে সেই ব্যবস্থা নেই — গদখালীর চাষি ভোরে এনে সেদিনই বেচে দিতে বাধ্য, দাম যাই হোক।
- বেশিচলতি মূলধন: টাকা আগে ঢালতে হয়, আয় আসে অনেক পরে। জারবেরার ৩ হাজার চারাতেই ৳১,৫০,০০০ চলে যায় আর ফুল আসতে দুই মাস, পুরো বাগান ফুলে ভরতে তিন মাস। এক বিঘা গোলাপে দেড় লাখ টাকা খরচ হয়ে যায়। ভরা মৌসুমের আগে টাকা ফুরিয়ে গেলে সার-সেচ বন্ধ হয়, আর তখনই ফলন পড়ে যায়।
- মাঝারিনির্ভরশীলতা: জারবেরার টিস্যু কালচার চারা দেশে সহজে মেলে না, ভারত থেকে আনতে হয়। তিন বছর পর গাছ বদলাতে হয়, তখন আবার একই খরচ। চারা সময়মতো না এলে বা মান খারাপ হলে পুরো বছর নষ্ট। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নিজেই বলেছেন, খরচ বেশি হওয়ায় দেশের চাষিরা জারবেরা চাষে আগ্রহ দেখান না।
- মাঝারিবাকিতে বিক্রি: মোকামে নগদ পাওয়া গেলেও বিয়ের ডেকোরেটর ও অনুষ্ঠানের ক্রেতারা অনুষ্ঠান শেষে টাকা দেন, অনেক সময় তারও পরে। ভরা বিয়ের মৌসুমে একসঙ্গে অনেক বাকি পড়ে গেলে পরের চালানের ফুল কেনার টাকা থাকে না।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
ফেব্রুয়ারিতে বাজার বসল মোটে তিন দিন, ৭ হাজার ফুল অবিক্রীত
যশোরের পানিসারায় দুই বিঘার শেডে জারবেরা। নির্বাচন ও গণভোটের কারণে গদখালীর বাজার ফেব্রুয়ারিতে বসেছে মোটে ৭ থেকে ৯ তারিখ; ৭,০০০ ফুল বিক্রি না হওয়ায় শুধু সেখান থেকেই ক্ষতি প্রায় ১ লাখ টাকা।
- কারণ
- নষ্ট হওয়া, অন্যান্য
একই রকম আরও ব্যবসা
কৃষি ও খামারহাঁস পালন (খাকি ক্যাম্পবেল)
ডিম বিক্রির জন্য ৩০০টি হাঁস দিয়ে শুরু। হাওর ও বিল এলাকায় খাবারের খরচ অনেক কম।
- পুঁজি
- ৳১.২ লাখ – ৳২ লাখ
- জনবল
- ১ – ২ জন
- প্রথম আয়
- ১৫০ – ১৮০ দিন
কৃষি ও খামারক্যাপসিকাম ও উচ্চমূল্যের সবজি
নভেম্বর-ফেব্রুয়ারিতে ক্যাপসিকাম চাষ। ঢাকায় খুচরা সবুজ ৳২২০ ও রঙিন ৳৪০০ কেজি, কিন্তু সারা দেশের মোট উৎপাদন বছরে মাত্র ৪৭৫ টন — ক্রেতার সংখ্যা সীমিত।
- পুঁজি
- ৳১.১ লাখ – ৳৭ লাখ
- জনবল
- ২ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ৬০ – ৯০ দিন
কৃষি ও খামারটার্কি পালন
২০১৫–২০২০ সালের হুজুগে প্রায় ৫ হাজার খামার হয়েছিল, এখন কয়েক শ। বাচ্চার দাম ৬০০ থেকে ১৫০ টাকায় নেমেছে আর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এই পালন নিরুৎসাহিত করে।
- পুঁজি
- ৳১ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ দিন
কৃষি ও খামারপান বরজ
বাঁশ ও ছনের বরজে পান চাষ। বিঘাপ্রতি খরচ প্রায় ৳১ লাখ, আর রাজশাহীতে ৬৪ পাতার এক বিড়া ৳১০০–১২০ থেকে নেমে ৳৪ টাকায়ও বিক্রি হয়েছে।
- পুঁজি
- ৳১ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১২০ – ১৮০ দিন
