ঢাকার কারখানায় কাজ শিখে গ্রামে ফিরে বছরে কোটি টাকার হোগলাপণ্য
নবম শ্রেণিতে থাকতে ঢাকার এক হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠানে কাজ শিখে ২০১৬ সালে গ্রামে ফিরে উৎপাদন শুরু। এখন বছরে প্রায় ১ কোটি টাকার পণ্য তৈরি হয়; বাড়িতে বসে কাজ করা নারীরা মাসে পান ৫,০০০–৬,০০০ টাকা।
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার এই উদ্যোক্তা নবম শ্রেণিতে পড়ার সময়ই ঢাকার একটি হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে শুরু করেছিলেন, আর ২০১৬ সালে নিজের গ্রামে ফিরে হোগলা পাতার পণ্য বানানো শুরু করেন — অর্থাৎ পণ্য আর ক্রেতা দুটোই তিনি আগে থেকেই চিনতেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী তাঁর প্রতিষ্ঠানে এখন বছরে প্রায় ১ কোটি টাকার পণ্য তৈরি হয়, আর পাঁচটি গ্রামের হাজারের বেশি পরিবার এই কাজে যুক্ত; পুরো এলাকার হোগলাপণ্যের বাজার বছরে প্রায় ৩ কোটি টাকা। তৈরি হয় ১২০ রকমের পণ্য, আর কারিগরেরা পণ্যভেদে প্রতি পিসে পান ৩৫ থেকে ২০০ টাকা। কাঁচামাল কেনা হয় আঁটি ধরে — দড়ি ১,৩০০–১,৪০০ টাকা আর পাতা ৫০০–৬০০ টাকা আঁটি। কাছের এক গ্রামের একজন নারী ঘরের কাজের ফাঁকে বুনে মাসে ৫,০০০–৬,০০০ টাকা আয় করেন। তৈরি পণ্য বিক্রি হয় রপ্তানিকারকদের কাছে; একই এলাকার আরেকটি প্রতিষ্ঠান ২৫০টি পরিবারকে কাজ দেয়।
যা শেখার আছে
- ১.শহরের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানে কাজ শিখে গ্রামে ফিরলে প্রথম বছরের পণ্য আর ক্রেতা খোঁজার ঝুঁকিটা আর থাকে না
- ২.ঘরে বসে বুনে মাসে ৫–৬ হাজার টাকা আসে — এটি সংসারের বাড়তি আয়, পুরো সংসারের খরচ নয়
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
