কচুরিপানা ও হোগলা হস্তশিল্প
কচুরিপানা শুকিয়ে ট্রে, বাস্কেট ও পাপোশ বোনা। ঝিনাইদহে ৮০০ নারী বাড়িতে বসে এই কাজ করেন — পিস প্রতি ৳২০, দিনে ১২–১৫টি, মাসে প্রায় ৳৩,০০০। পণ্য যায় ৮২ দেশে।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

কচুরিপানা ও হোগলা হস্তশিল্প
- শুরুর পুঁজি
- ৳১,০০০ – ৳৪০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম বিক্রি
- ৭ – ৩০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ০.৫ – ৪.৫ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- ঘরে বসে · সহজ
ব্যবসাটি সম্পর্কে
খাল-বিলের কচুরিপানা তুলে রোদে শুকিয়ে তা দিয়ে ট্রে, বাস্কেট আর পাপোশ বোনা। কাজটা বাড়ির বারান্দায় বসেই হয়, আর যন্ত্র বলতে কিছুই লাগে না — হাতই যন্ত্র। ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ, সদর আর কোটচাঁদপুরের নয়টি গ্রামে ‘বিডি ক্রিয়েশন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ৮০০ জন নারী ৪০টি দলে ভাগ হয়ে বাড়িতে বসে এই কাজ করছেন। মাসে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার পিস পণ্য বিশ্বের ৮২টি দেশে যাচ্ছে। কিন্তু টাকার হিসাবটা শান্তভাবে দেখা দরকার। কোটচাঁদপুরের তালসার গ্রামের শম্পা দেবী সংসারের কাজের ফাঁকে দিনে ১২ থেকে ১৫টি পণ্য বানাতে পারেন, প্রতিটির জন্য পান ৳২০, আর মাসে গড়ে আয় ৳৩,০০০। কোম্পানির লোক বাড়িতে কাঁচামাল দিয়ে যান, তৈরি হলে আবার তাঁরাই নিয়ে যান। অর্থাৎ এটা নিজের ব্যবসা নয় — এটা ঘরে বসে ঠিকা কাজ। ঝুঁকি কম, কিন্তু দামও ঠিক করে দেয় অন্য কেউ। দুটো কথা আগে জেনে রাখা ভালো। এক, কচুরিপানা আর ফ্রি নয় — কাজ ছড়িয়ে পড়ায় এখন শুকনা কচুরিপানা ৳৪০ কেজি দরে কিনতে হচ্ছে; স্থানীয় লোকজন নদী থেকে তুলে শুকিয়ে বিক্রি করছেন। দুই, আসল বাধা কাঁচামাল নয়, ক্রেতা। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর হিসাবে দেশ থেকে হস্তশিল্প রপ্তানি মাত্র ৩৮ কোটি ডলার, যেখানে এসব পণ্যের বৈশ্বিক বাজার ৩ হাজার ২০০ কোটি ডলারের — বাংলাদেশের দখলে ১.১৮ শতাংশ। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর নগদ প্রণোদনা ২০ শতাংশ থেকে নামিয়ে ৬ শতাংশ করা হয়েছে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳০ – ৳৫,০০০ | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳২০ / একক | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳০ – ৳৮ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৬০% – ১০০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ৭ – ৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ০.৫ – ৪.৫ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৭ – ৩০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৩% – ১০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ১২ – ১৫ | অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত |
শুরু করতে যা লাগবে
- শুকনা কচুরিপানা ৳৪০ কেজি (ঝিনাইদহ, মে ২০২৬)। সঙ্গে ধানের খড় ও খেজুরপাতাও একই কাজে ব্যবহার হয়। ঠিকা কাজ করলে এই কাঁচামাল কোম্পানি বাড়িতে পৌঁছে দেয়।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — নিজে সংগ্রহ করে বা বানিয়ে বিক্রি করলে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি করপোরেশন থেকে। ফরম ৳১০, বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী। শুধু ঠিকা কাজ করলে নারীদের কারও লাইসেন্স লাগে না — বলুহরের সংগঠক বলেছেন, বাড়তি কোনো নিয়মনীতির প্রয়োজন পড়ে না।লাইসেন্স
- রপ্তানি নিবন্ধন সনদ (ইআরসি) — সরাসরি বিদেশে পাঠাতে চাইলে আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে। ফি ও নবায়নের শর্ত এখানে যাচাই করা যায়নি। বেশির ভাগ গ্রামের কারিগর রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করেন, নিজে রপ্তানি করেন না।লাইসেন্স
- হাতে বোনা — মাপ ঠিক রেখে ঘন বুনট। প্রতিষ্ঠান প্রথমে প্রশিক্ষণ দেয়, তারপর কাজ দেয়। যন্ত্র লাগে না, তাই দক্ষতাটাই একমাত্র সম্পদ।দক্ষতা
- কচুরিপানা তোলা ও শুকানোর লোক; আর মাল নেওয়ার জন্য একটা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান বা তার স্থানীয় সংগঠক। বাংলাদেশ হস্তশিল্প প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বাংলাক্রাফট) এই ক্রেতাদের সংগঠন।সরবরাহকারী
- বাড়ির বারান্দা বা উঠান — বসে কাজ করার জায়গা আর রোদে শুকানোর খোলা জায়গা। আলাদা কারখানা লাগে না; ঝিনাইদহে ৮০০ জনই নিজের বাড়িতে বসে কাজ করেন।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1আগে খুঁজে বের করুন আপনার এলাকায় কোন প্রতিষ্ঠান এই কাজ করায় আর কে মাল নিতে আসে। ক্রেতা ঠিক না করে বোনা শুরু করলে পণ্য ঘরেই পড়ে থাকবে — এই ব্যবসার আসল বাধা কাঁচামাল নয়, ক্রেতা।
- 2প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে প্রশিক্ষণ নিন। ঝিনাইদহে ৮০০ জন নারী ৪০টি দলে ভাগ হয়ে কাজ করেন — দলে যুক্ত হলে কাঁচামাল আর কাজ দুটোই বাড়িতে আসে।
- 3কচুরিপানা তোলা ও শুকানোর কাজটা আলাদা রোজগার — নদী-খাল থেকে তুলে রোদে শুকিয়ে ৳৪০ কেজি দরে বিক্রি করা যায়। যাঁর হাতে বোনার সময় নেই, তাঁর জন্য এটাই ঢোকার পথ।
- 4উঠানে বা ছাদে শুকানোর জায়গা ঠিক করুন। বর্ষায় রোদ না পেলে কচুরিপানা পচে যায় আর কালো হয়ে যায় — কালো ডগা রপ্তানির পণ্যে চলে না।
- 5প্রথমে একটাই পণ্য ধরুন — পাপোশ, ট্রে বা বাস্কেটের যেকোনো একটা। একই জিনিস বারবার বানালে হাত দ্রুত হয়, আর দিনের সংখ্যাটাই আয়।
- 6মাপ আর বুনটের ঘনত্ব একদম নমুনার মতো রাখুন। বিদেশি ক্রেতার অর্ডারে মাপ এক আঙুল এদিক-ওদিক হলে পুরো লট ফেরত আসে, আর তখন মজুরি কাটা যায়।
- 7কত পিস দিলেন আর কত টাকা পেলেন তা খাতায় লিখে রাখুন। ঠিকা কাজে হিসাব রাখার দায়িত্ব কোম্পানির নয়, আপনার।
- 8দল বাঁধুন। একা পাঁচ-দশজনের কাজ করা যায় না, কিন্তু গ্রামে ২০ জন একসঙ্গে থাকলে কোম্পানি গাড়ি নিয়ে মাল নিতে আসে — একা থাকলে আসে না।
- 9নিজে ব্যবসা করতে চাইলে ট্রেড লাইসেন্স নিন, আর সরাসরি রপ্তানি করতে চাইলে আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর থেকে রপ্তানি নিবন্ধন সনদ নিতে হবে।
- 10বিসিকের জেলা কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন — ঝিনাইদহের উপপরিচালক জানিয়েছেন, এসব ক্ষুদ্র শিল্প যোগাযোগ করলে সার্বিক সহযোগিতা করা হয়। ব্যাংক ঋণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩০ হাজার কোটি টাকার তহবিল থেকে ৫–৭ শতাংশ সুদে ঋণের কথা বলা হয়েছে।
- 11বর্ষার তিন মাসের জন্য আগে থেকে শুকনা কচুরিপানা জমিয়ে রাখুন। শুকানো যায় না বলে ওই সময়েই কাঁচামালের দাম সবচেয়ে বেশি ওঠে।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুবেশি
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনকম
- জুলাইকম
- আগস্টকম
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোবেশি
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীঝিনাইদহ · দেশের সবচেয়ে বড় দলিলভুক্ত কাজের জায়গা — কালীগঞ্জের বারোবাজার ও কাশিমা, সদরের কালুহাটি ও কামারকুন্ডু, কোটচাঁদপুরের বলাবাড়িয়া, সলেমানপুর, বলুহর, হরিণদীয়া ও মামুনশিয়ায় ৮০০ নারী ৪০টি দলে কাজ করেন; সদরের নৈহাটীতে কারখানা হচ্ছে।
- সম্ভববরিশাল · খাল-নদীর জেলা, কাঁচামাল সহজ; বিভাগীয় শহর থেকে ঢাকার রপ্তানিকারকদের কাছে মাল পাঠানো যায়।
- সম্ভবচুয়াডাঙ্গা · ঝিনাইদহের গায়ে লাগানো জেলা, একই সংগ্রাহকের গাড়ির পথে পড়ে; খাল-বিলে কচুরিপানার জোগানও একই রকম।
- সম্ভবঢাকা · বাংলাক্রাফটের সদস্য রপ্তানিকারক ও হস্তশিল্পের শোরুম এখানেই; কাঁচামাল দূর থেকে আনতে হয়, কিন্তু ক্রেতা হাতের কাছে।
- সম্ভবগোপালগঞ্জ · বিল ও জলাভূমির জেলা — কচুরিপানার জোগান বছরজুড়ে; তবে ক্রেতা প্রতিষ্ঠান কম।
- সম্ভবযশোর · ঝিনাইদহের পাশের জেলা আর বেনাপোল বন্দরের কাছে; রপ্তানিকারকের সংগ্রাহকদের যাতায়াতের মধ্যে পড়ে।
- সম্ভবকুষ্টিয়া · পদ্মা-গড়াইয়ের ধারে কচুরিপানার জোগান প্রচুর, আর হস্তশিল্পের পুরোনো চর্চা আছে।
- সম্ভবমাগুরা · একই অঞ্চলের জেলা, জলাশয় বেশি; ঘরে বসে কাজ করতে ইচ্ছুক নারীর সংখ্যাও বেশি।
- সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · রপ্তানিকারক ও ফিনিশিং কারখানার কাছাকাছি; বোনার কাজ এখানে কম হলেও ক্রেতার কাছে যাওয়া সহজ।
- সম্ভবপিরোজপুর · নাজিরপুরের ভাসমান চাষের এলাকা, কচুরিপানা প্রচুর; কচুরিপানার ডগা বিদেশে পাঠানোর খবরও এসেছে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিনির্ভরশীলতা: গোটা কাজটাই একটা প্রতিষ্ঠানের উপর দাঁড়ানো। ঝিনাইদহের ৮০০ নারীর কাঁচামাল আসে একটি কোম্পানির গাড়িতে, পণ্যও নিয়ে যায় সেই গাড়ি। কোম্পানির বিদেশি অর্ডার কমে গেলে বা তারা অন্য জেলায় চলে গেলে ৮০০ জনের কাজ একসঙ্গে বন্ধ। কারিগরের হাতে দাম ঠিক করার কোনো ক্ষমতা নেই — পিসে ৳২০ কোম্পানিই ঠিক করে দেয়।
- বেশিচাহিদা: রপ্তানির উপর নির্ভরশীল, আর সরকারি সহায়তা কমছে। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর হস্তশিল্প রপ্তানির নগদ প্রণোদনা ২০ শতাংশ থেকে নামিয়ে ৬ শতাংশে আনা হয়েছে — ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান নিজেই এটা জানিয়েছেন (ডিসেম্বর ২০২৫)। প্রণোদনা কমলে রপ্তানিকারকের মার্জিন কমে, আর সেই চাপ শেষ পর্যন্ত পিসের মজুরির উপর এসে পড়ে।
- মাঝারিঅন্যান্য: কাঁচামাল আর ফ্রি নয়। যত মানুষ এই কাজে ঢুকছে, তত কচুরিপানার দাম উঠছে — ঝিনাইদহে এখন শুকনা কচুরিপানা ৳৪০ কেজি দরে কিনতে হচ্ছে, অথচ আগে এটা ফেলে দেওয়া আগাছা ছিল আর শ্রমিক দিয়ে পরিষ্কার করাতে হতো। যে হিসাব ‘কাঁচামাল বিনা মূল্যে’ ধরে করা হয়, সেটা আজ আর মেলে না।
- মাঝারিচলতি মূলধন: নিজে কাঁচামাল কিনে কাজ করতে গেলে টাকা আগে বেরোয় আর ফেরে পণ্য জমা দেওয়ার পর। বর্ষায় শুকানো যায় না বলে তখন আগেভাগে কিনে রাখতে হয় — সেটাই বছরের সবচেয়ে বড় টাকার চাপ। ঠিকা কাজ করলে এই ঝুঁকি নেই, কিন্তু আয়ও পিসের মজুরিতেই আটকে থাকে।
- মাঝারিবাকিতে বিক্রি: পণ্য জমা দেওয়ার পর টাকা কবে আসবে তা কোম্পানির হিসাবের উপর নির্ভর করে, আর কারিগরের হাতে লিখিত কোনো চুক্তি থাকে না। মাপ বা বুনট নিয়ে আপত্তি উঠলে মজুরি কেটে নেওয়া হয়, আর তার বিরুদ্ধে বলার জায়গা নেই।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
ঢাকার কারখানায় কাজ শিখে গ্রামে ফিরে বছরে কোটি টাকার হোগলাপণ্য
নবম শ্রেণিতে থাকতে ঢাকার এক হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠানে কাজ শিখে ২০১৬ সালে গ্রামে ফিরে উৎপাদন শুরু। এখন বছরে প্রায় ১ কোটি টাকার পণ্য তৈরি হয়; বাড়িতে বসে কাজ করা নারীরা মাসে পান ৫,০০০–৬,০০০ টাকা।
- কারণ
- ভালো যোগাযোগ, চাহিদা কম
দিনে ৫০–৬০ মণ কচুরিপানা, খরচ বাদে মাসে ৩০–৪০ হাজার টাকা
ঢাকার এক ক্রেতার কাছে কচুরিপানার পণ্য দেখে ২০২০ সালে শুরু। এখন দিনে ৫০–৬০ মণ কাঁচা কচুরিপানা কেনা হয় মণপ্রতি ১০০–১২০ টাকায়; খরচ বাদে মাসে থাকে ৩০,০০০–৪০,০০০ টাকা, কাজ করেন ৬০–৭০ জন।
- কারণ
- নির্ভরশীলতা, ভালো যোগাযোগ
একই রকম আরও ব্যবসা
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকারচুপি ও হাতের কাজ
ঘরে বসে শাড়ি ও থ্রি-পিসে চুমকি, পুঁতি ও জরির হাতের কাজ। মহাজন সব উপকরণ দিয়ে যান; মজুরি শাড়িপ্রতি ৳৭০০–৮০০, আর একটি শাড়িতে অন্তত ১৫ দিন লাগে।
- পুঁজি
- ৳৫০০ – ৳৫ হাজার
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ২০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপপাটজাত হস্তশিল্প
পাট দিয়ে ব্যাগ, টব ও শো-পিস তৈরি। ২ হাজার টাকার কাঁচি-দড়ি দিয়ে হাতে শুরু করা যায়, কিন্তু রপ্তানির অর্ডার পেতে কারখানা লাগে — ১০ মেশিনের কারখানায় গেছে প্রায় ৫ লাখ টাকা।
- পুঁজি
- ৳২ হাজার – ৳১০ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪০ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ১২০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপব্লক-বাটিক ও টাই-ডাই
ঘরে বসে সুতি কাপড়ে মোম ও রং দিয়ে বাটিক-টাই-ডাইয়ের শাড়ি ও থ্রি-পিস তৈরি। কুমিল্লার দোকানে বাটিক শাড়ি ৳৫০০ থেকে ৳১,৭০০; একজন কারিগর দিনে প্রায় ১০টি শাড়ি করতে পারেন।
- পুঁজি
- ৳৫ হাজার – ৳৫০ হাজার
- জনবল
- ১ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৩০ দিন
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকাগজের ঠোঙা ও প্যাকেজিং
বর্জ্য কাগজ কিনে হাতে ঠোঙা বানিয়ে দোকানে সরবরাহ। খাকি ঠোঙা কেজি ৳১৩৫–১৪০, সাদা ৳৮০; ৬০ কেজি কাগজে সাড়ে ৭ হাজার খরচে ৭০ কেজি ঠোঙা, লাভ ২,৩০০ টাকা।
- পুঁজি
- ৳১০ হাজার – ৳৬০ হাজার
- জনবল
- ১ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৩ – ১৫ দিন
