হিমাগারের আলুতে কেজিতে ৬–৮ টাকা লোকসান, ৯৫ হাজার বস্তা পড়ে আছে
দাম বাড়বে ধরে হিমাগারে রাখা আলুর খরচ দাঁড়ায় কেজিতে ১৮–১৯ টাকা, বাজার নামে ১১–১২ টাকায়। ১,২৫,০০০ বস্তার মধ্যে প্রায় ৯৫,০০০ বস্তা অবিক্রীত।
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের ব্যবসায়ীরা দাম বাড়বে ধরে আলু কিনে হিমাগারে রেখেছিলেন। কেনা দামের সঙ্গে ভাড়া যোগ করে তাঁদের খরচ দাঁড়ায় কেজিতে ১৮–১৯ টাকা, অথচ বাজার নেমে যায় ১১–১২ টাকায় — প্রতি কেজিতে লোকসান ৬–৮ টাকা। ২০২৫–২৬ মৌসুমে রাখা ১,২৫,০০০ বস্তার মধ্যে প্রায় ৯৫,০০০ বস্তা তখনো অবিক্রীত পড়ে ছিল, বস্তায় ৬৫ কেজি ধরে যা প্রায় ৬,১৭৫ টন। খুচরা বাজারে আলু তখন ১৬–১৮ টাকা, আর কৃষকের উৎপাদন খরচই ছিল কেজিতে ১০–১২ টাকা। এক ব্যবসায়ীর কথায়, "এভাবে লোকসান দিয়ে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।" প্রতি মাস দেরি মানে দাম-হারানো মালের ওপর আরও ভাড়া যোগ হওয়া।
যা শেখার আছে
- ১.হিমাগার দামের ঝুঁকি কমায় না, ভাড়া যোগ করে — যত দিন রাখবেন, খরচ তত ওপরে উঠবে
- ২.কোন দাম পেলে চলবে সেটা আগে হিসাব করে রাখুন — ১৮–১৯ টাকার খরচে ১১–১২ টাকার বাজার অপেক্ষা করার মতো নয়
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
