মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

আলু মজুদ ও ব্যবসা

মৌসুমে আলু কিনে হিমাগারে রেখে পরে বিক্রি। ভাড়া সরকার-নির্ধারিত কেজি ৳৬, কিন্তু ২০২৬ সালে ৬০ কেজির বস্তায় খরচ ৳১,১৫০–১,৩০০ আর বিক্রি ৳৮০০–৮৭০।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
আলু মজুদ ও ব্যবসা

আলু মজুদ ও ব্যবসা

শুরুর পুঁজি
৳১,১৫,০০০ – ৳৬,৫০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম বিক্রি
১৫০ – ২৭০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৮ – ২০ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
দোকান · কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

মৌসুমে সস্তায় আলু কিনে হিমাগারে রেখে দেওয়া, আর কয়েক মাস পর দাম উঠলে বিক্রি করা — এটাই এই ব্যবসা। ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে আলু ওঠে, তখনই হিমাগারে বস্তা ঢোকাতে হয়। এরপর সাত-আট মাস টাকা আটকে থাকে, কোনো আয় নেই। ভাড়া সরকার বেঁধে দেয়। কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে হিমাগারে আলু রাখার সর্বোচ্চ ভাড়া ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কেজিপ্রতি ৳৬ করেছে; আগে ছিল ৳৬.৭৫। ৬০ কেজির এক বস্তায় ভাড়াই দাঁড়ায় ৳৩০০–৪০০। এই ব্যবসার আসল কথা হলো, লাভ আপনার পরিশ্রমে হয় না — হয় দামের ওঠানামায়। আর গত দুই বছর সেই ওঠানামা উল্টো দিকে গেছে। জয়পুরহাটে ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে দেখা গেছে, ৬০ কেজির এক বস্তা আলু হিমাগারে তুলতে সব মিলিয়ে খরচ পড়েছে ৳১,১৫০–১,৩০০, আর সেই বস্তা বিক্রি হচ্ছে ৳৮০০–৮৭০ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি বস্তায় ৳৩০০–৫০০ লোকসান। অথচ একই সময়ে ঢাকায় খুচরা আলুর দাম ছিল কেজি ৳২৫–৩০, যা এক বছরে ২২ শতাংশ বেড়েছে। হিমাগারের গেটে যিনি ১৩–১৪ টাকায় ছাড়ছেন আর ঢাকায় যিনি ২৫–৩০ টাকায় কিনছেন, মাঝের টাকাটা পরিবহন আর পাইকারি-খুচরা হাতবদলে চলে যায়। যিনি ঢাকায় বা দূরের বাজারে নিজে মাল পাঠাতে পারেন না, তিনি গেটের দামেই আটকে থাকেন। জায়গা পাওয়াও নিশ্চিত নয় — এপ্রিলেই দেশের হিমাগারের ৮০ শতাংশ ভরে গিয়েছিল। যে টাকা এক মৌসুমের জন্য ফেলে রাখা যায়, শুধু সেই টাকাই এখানে লাগানো উচিত।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳১,১৫,০০০ – ৳১,৩০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳১৩ – ৳১৫ / কেজিবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳১৯ – ৳২২ / কেজিবাজারদর
মোট লাভের হার-৬৩% – -৩২%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১৫০ – ২৭০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৮ – ২০ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র১৮০ – ২৭০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৩% – ৬%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৫০ – ২৫০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • আলু আর বস্তা। ৬০ কেজির এক বস্তা হিমাগারে তুলতে ২০২৬ সালে সব মিলিয়ে ৳১,১৫০–১,৩০০ লেগেছে।শুরুর মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। সাধারণত ৩–৫ কর্মদিবসে হয়।লাইসেন্স
  • কৃষি বিপণন লাইসেন্স — কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, ফরম-১ দিয়ে আবেদন ও নবায়ন। কৃষিপণ্যের ব্যবসায়ীর জন্য এই লাইসেন্স রাখা হয়েছে; ফি ও মেয়াদ নিজ জেলার বিপণন কার্যালয় থেকে জেনে নিতে হবে।লাইসেন্স
  • চোখে দেখে আলুর মান ও ওজন বোঝা, আর বাজারের দর পড়তে পারা। কোন সপ্তাহে মাল ছাড়বেন সেই একটি সিদ্ধান্তেই পুরো মৌসুমের লাভ-লোকসান।দক্ষতা
  • চাষি বা মাঠপর্যায়ের ফড়িয়া যার কাছ থেকে মৌসুমে মাল আসবে, আর একটি নির্দিষ্ট হিমাগার। মুন্সিগঞ্জে ৬২টি, জয়পুরহাটে ২২টি আর রাজশাহীতে ৩৭টি হিমাগার আছে।সরবরাহকারী
  • হিমাগারে বুক করা চেম্বার বা র‍্যাক, সঙ্গে হিমাগারের রসিদ বা বন্ড। ভাড়া সরকার-নির্ধারিত — ৩১ আগস্ট ২০২৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কেজিপ্রতি সর্বোচ্চ ৳৬।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1নভেম্বর–ডিসেম্বরেই ঠিক করুন কোন হিমাগারে জায়গা নেবেন, আর কত বস্তার বুকিং দেবেন। এপ্রিল নাগাদ দেশের হিমাগারের ৮০ শতাংশ ভরে যায়, তখন জায়গা খুঁজে লাভ নেই।
  2. 2হিমাগারের সঙ্গে লিখিতভাবে ঠিক করুন — কেজিপ্রতি ভাড়া কত, বস্তার ওজন ৫০ না ৬০ কেজি ধরা হবে, ভাড়া কখন দিতে হবে, আর আগাম ঋণ দিলে তার সুদ কত।
  3. 3ট্রেড লাইসেন্স আর কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের কৃষি বিপণন লাইসেন্স নিয়ে নিন। কৃষিপণ্যের ব্যবসায়ীর এই লাইসেন্স লাগে, আর ভাড়ার সীমাও এই দপ্তরই ঠিক করে।
  4. 4ফেব্রুয়ারি–মার্চে মাঠ থেকে বা হাট থেকে আলু কিনুন। জমিতে দাঁড়িয়ে কেনা সস্তা, কিন্তু বাছাইয়ের ঝামেলা তখন আপনার ঘাড়ে পড়ে।
  5. 5বাছাই করে তবেই বস্তা বাঁধুন — কাটা, ছোট আর ভেজা আলু বাদ দিন। একটা পচা আলু পুরো বস্তা নষ্ট করে, আর হিমাগার সেই ক্ষতি নেবে না।
  6. 6বস্তা ঢোকানোর সময় হিমাগারের রসিদ বা বন্ড বুঝে নিন। ওই কাগজেই আপনার মালিকানা, আর ব্যাংক বা মহাজন ওই কাগজের বিপরীতেই ঋণ দেয়।
  7. 7প্রতি মাসে অন্তত একবার হিমাগারে গিয়ে নিজের চেম্বার দেখে আসুন। লোডশেডিং হলে ভেতরে তাপমাত্রা ওঠে আর আলু ঘামে — রাজশাহীতে এ বছর সেভাবেই আলু পচেছে।
  8. 8আগস্ট থেকে প্রতিদিন গেটের দর লিখে রাখুন। পুরো মাল একদিনে ছাড়বেন না — ভাগে ভাগে বিক্রি করলে গড় দাম ভালো পড়ে।
  9. 9শুধু গেটে বিক্রির উপর নির্ভর করবেন না। ঢাকা বা চট্টগ্রামের আড়তে নিজে মাল পাঠাতে পারলে দাম অনেক বেশি, তবে ট্রাক ভাড়া আর পথে নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি আপনার।
  10. 10ডিসেম্বরের মধ্যে হিমাগার খালি করতে হয়। যা থাকবে তা নতুন মৌসুমের আলুর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পড়বে, তখন দাম আরও পড়ে যায়।

মৌসুম

  1. জানুকম
  2. ফেব্রুবেশি
  3. মার্চবেশি
  4. এপ্রিলবেশি
  5. মেকম
  6. জুনকম
  7. জুলাইকম
  8. আগস্টবেশি
  9. সেপ্টেবেশি
  10. অক্টোবেশি
  11. নভেবেশি
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীবগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; হিমাগার ও আড়ত দুটোই ঘন, আর ঢাকাগামী ট্রাক সারা বছর পাওয়া যায়।
  • খুব উপযোগীদিনাজপুর · ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ের সঙ্গে মিলিয়ে ৪৬টি হিমাগার আর প্রায় ৪ লাখ টন ধারণক্ষমতা; উৎপাদন ২৩ লাখ টনের বেশি, তাই জায়গার টান সবচেয়ে বেশি এখানেই।
  • খুব উপযোগীজয়পুরহাট · ২২টি হিমাগারে প্রায় ২.১৬ লাখ টন আলু রাখা হয়; বস্তার হিসাব আর গেটের দর এখানে সবচেয়ে স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়।
  • খুব উপযোগীমুন্সীগঞ্জ · দেশের সবচেয়ে বড় আলুর জেলা; ৬২টি হিমাগার আছে আর ঢাকার বাজার হাতের কাছে। তবে উৎপাদনের তুলনায় জায়গা কম, তাই বুকিং আগে করতে হয়।
  • খুব উপযোগীরংপুর · বড় আলুর এলাকা, কেনা সস্তা; তবে স্থানীয় বাজারে ক্রয়ক্ষমতা কম বলে মাল দূরে পাঠাতে না পারলে দাম পাওয়া যায় না।
  • সম্ভবযশোর · নিজে আলু কম হয়, কিন্তু দক্ষিণ-পশ্চিমের বড় বিক্রয় বাজার; উত্তরের ব্যবসায়ীরা এখানে ট্রাকে মাল পাঠান।
  • সম্ভবপঞ্চগড় · একই উত্তরের বলয়ে; কেনা সস্তা, তবে বড় ভোক্তা বাজার থেকে দূরত্ব বেশি বলে পরিবহন খরচ লাভ থেকে কেটে নিতে হয়।
  • সম্ভবরাজশাহী · ৩৭টি চালু হিমাগার, মোট ধারণক্ষমতা ৪,৩৩,২৫০ টন; তবে ২০২৬ সালে লোডশেডিংয়ে আলু পচার অভিযোগ এখানেই সবচেয়ে বেশি এসেছে।
  • সম্ভবঠাকুরগাঁও · উৎপাদন বেশি কিন্তু হিমাগার কম; মৌসুমে মাঠের দাম কেজি ৳৮–১০-এ নেমে আসে, কেনার জন্য ভালো, তবে রাখার জায়গা পাওয়াই কঠিন।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচাহিদা: দাম না বাড়ার ঝুঁকিই এই ব্যবসার প্রধান ঝুঁকি, আর সেটা এখন কল্পনা নয়। জয়পুরহাটে ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ৬০ কেজির বস্তায় খরচ ৳১,১৫০–১,৩০০ আর বিক্রি ৳৮০০–৮৭০ — বস্তাপ্রতি ৳৩০০–৫০০ লোকসান। টানা দ্বিতীয় বছর এমন হলো। ১০০ বস্তা রাখলে এক মৌসুমেই ৳৩০,০০০–৫০,০০০ চলে যায়।
  • বেশিচলতি মূলধন: মার্চে সব টাকা একসঙ্গে বেরিয়ে যায় আর সেপ্টেম্বরের আগে এক পয়সাও ফেরে না। মাঝের সাত মাস সংসার চালানোর টাকা আলাদা না থাকলে অর্ধেক দামে মাল ছেড়ে দিতে হয়, আর তখনই সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়। ধার করে আলু রাখলে সুদ আর ভাড়া দুটোই ঘাড়ে চাপে।
  • বেশিনষ্ট হওয়া: লোডশেডিং হলেই হিমাগারের ভেতর তাপমাত্রা ওঠে আর আলু ঘেমে পচে। রাজশাহীতে ২১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে দিনে ১–২ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছিল, আর জেনারেটর চালাতে মালিকদের ঘণ্টায় ৳৮,০০০–১০,০০০ যাচ্ছিল। ধারণক্ষমতার বেশি আলু ঠাসা থাকলে পচন আরও বাড়ে, আর সেই ক্ষতি হিমাগার নয়, আপনার।
  • মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: ভাড়ার হার মৌসুমের মাঝপথে বদলে যায়। ৩ মার্চ ২০২৫-এ ঠিক হয়েছিল কেজি ৳৬.৭৫, আর ৩১ আগস্ট ২০২৬-এ তা কমিয়ে ৳৬ করা হলো, তাও মাত্র ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। অর্থাৎ মার্চে যখন আপনি বস্তা ঢোকাচ্ছেন তখন আপনার খরচের একটা বড় লাইন এখনো ঠিকই হয়নি। হিমাগার মালিকেরা আবার ৳৯.৬২ দাবি করছেন।
  • মাঝারিনির্ভরশীলতা: জায়গা না পেলে ব্যবসাই নেই। এপ্রিল ২০২৬ নাগাদ দেশের হিমাগারের ৮০ শতাংশ ভরে গিয়েছিল, আর মুন্সিগঞ্জে ১০.৮২ লাখ টন আলুর বিপরীতে হিমাগারের ধারণক্ষমতা ছিল প্রায় ৫ লাখ টন। যিনি নতুন, তাকে পুরোনো ব্যবসায়ীদের পরে জায়গা পেতে হয়।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা শিখেছিআলোকিত বাংলাদেশের প্রতিবেদনে ঈশ্বরদীর একজন আলুর আড়তদার

২৬–২৭ টাকায় কেনা আলু বিক্রি হচ্ছে ১২–১৩ টাকায়

আট ট্রাক আলু কেনা হয়েছিল কেজি ২৬–২৭ টাকায়; পাইকারি দাম নেমে ১৩ টাকা, হিমাগার থেকে বাছাই করা আলু ১২, অবাছাই ৯–১০ টাকা।

কারণ
দাম পড়ে যাওয়া, চলতি মূলধন
যা শিখেছিসমকালের প্রতিবেদনে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের আলু ব্যবসায়ীরা

হিমাগারের আলুতে কেজিতে ৬–৮ টাকা লোকসান, ৯৫ হাজার বস্তা পড়ে আছে

দাম বাড়বে ধরে হিমাগারে রাখা আলুর খরচ দাঁড়ায় কেজিতে ১৮–১৯ টাকা, বাজার নামে ১১–১২ টাকায়। ১,২৫,০০০ বস্তার মধ্যে প্রায় ৯৫,০০০ বস্তা অবিক্রীত।

কারণ
দাম পড়ে যাওয়া, চলতি মূলধন

একই রকম আরও ব্যবসা

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

মাংসের দোকান

প্রতিদিন পশু কিনে কেটে খুচরা মাংস বিক্রি। ঢাকায় গরু ৳৭৮০–৮৫০ ও খাসি ৳১২০০–১৩৫০ কেজি, আর এখন 'পরীক্ষিত' সিল ছাড়া বিক্রি করলে দোকান বন্ধ।

পুঁজি
৳১.২ লাখ – ৳৫ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

মাছ ধরার সরঞ্জামের দোকান

বড়শি, ছিপ, রিল, জাল ও মাছের ওষুধের দোকান। ছিপ ৳৪৫৫–১,৫৫২, রিল ৳৬৪১–৬,৭০৫। কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারি নিষিদ্ধ — রাখলে জব্দ ও মোবাইল কোর্ট।

পুঁজি
৳১.২ লাখ – ৳৬ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
২০ – ৫০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

সুপারি ব্যবসা

গৃহস্থের কাছ থেকে সুপারি কিনে হাটে বেচা, বা ভিজিয়ে-শুকিয়ে রেখে পরে বেচা। লক্ষ্মীপুরে অক্টোবর ২০২৫-এ কাউন ৳২,৫০০–২,৮০০, পোন ৳১৫০–২৫০।

পুঁজি
৳১ লাখ – ৳২৫ লাখ
জনবল
১ – ৮ জন
প্রথম আয়
১ – ২৪০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা

কাপড় ও বুটিক দোকান

থান কাপড় ও বানানো পোশাকের দোকান। ঢাকায় সুতি কাপড় গজপ্রতি ৳৩০০–৭০০, আর বছরের বিক্রির বড় অংশ ওঠে রোজার শেষ দশ দিনে।

পুঁজি
৳১ লাখ – ৳৮ লাখ
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম আয়
১৫ – ৪৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান