মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেদৈনিক সংগ্রামের প্রতিবেদনে গাইবান্ধার একজন মোটরসাইকেল মেকানিক

১৪ বছরে হাতেখড়ি, দুই বছর অন্যের গ্যারেজে — এখন নিজের দোকানে পাঁচ কর্মী, মাসে ১৫ হাজার

জন্ম থেকেই দুই পা অচল; ১৪ বছর বয়সে মোটরসাইকেল মেরামতের কাজ বেছে নিয়ে দুই বছর অন্যের গ্যারেজে শেখেন। এখন নিজের ওয়ার্কশপে পাঁচজন কর্মী, মাসিক আয় ১৫ হাজার টাকা, সংসার সাতজনের।

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার জামুডাঙ্গা গ্রামের এই ২৬ বছর বয়সী তরুণের জন্ম থেকেই দুই পা অচল, বাবা ছিলেন দিনমজুর। শারীরিক অবস্থার কথা ভেবেই ১৪ বছর বয়সে তিনি মোটরসাইকেল মেরামতের কাজ বেছে নেন এবং দুই বছর অন্যের গ্যারেজে থেকে হাতেকলমে কাজটা শেখেন। এরপর সাদুল্লাপুরের পশ্চিমপাড়ায় মাদারগঞ্জ সড়কে নিজের ওয়ার্কশপ দেন, যেখানে বড় ভাইসহ এখন পাঁচজন কর্মী কাজ করেন। প্রতিবেদনে তাঁর মাসিক আয় ধরা হয়েছে ১৫ হাজার টাকা, আর তাতেই সাতজনের সংসার চলে। এক খদ্দের বলেছেন, শারীরিক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তাঁর হাতের কাজ ভালো আর মেরামতের মজুরি অন্যদের চেয়ে অনেক কম। তাঁর ভাষায়, "ইচ্ছাশক্তি থাকলে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা কোনও বাধা নয়।"

যা শেখার আছে

  1. ১.এই পেশায় ঢোকার স্বাভাবিক পথ পুঁজি নয়, অন্যের গ্যারেজে বছর দুয়েক কাজ শেখা — দক্ষতাই এখানে প্রবেশের টিকিট
  2. ২.আশপাশের চেয়ে কম মজুরি নেওয়াই গ্রামের ছোট ওয়ার্কশপের খদ্দের ধরে রাখার উপায়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।