একদিনে দুই দফা শিলাঝড়, ভুট্টাখেত মাটির সঙ্গে মিশে গেল
ঠাকুরগাঁওয়ে শনিবার সকালে এক দফা আর সেই রাতে আরেক দফা ঝড়-শিলাবৃষ্টিতে ভুট্টাগাছ মাটিতে শুয়ে পড়ে; এই চাষির ভাষায় মৌসুমের পুঁজিটাই শেষ হয়ে গেছে।
ঠাকুরগাঁও সদরের আখানগরের এই চাষির ভুট্টাখেতের ওপর দিয়ে একই দিনে দুই দফা ঝড় বয়ে যায় — শনিবার সকালে শিলাবৃষ্টি, আর সেই রাতের মাঝামাঝি আবার ঝড়-বৃষ্টি। কয়েকটি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় ভুট্টাগাছ মাটির সঙ্গে মিশে যায়, ফসল আদৌ ঘরে উঠবে কি না তার কোনো নিশ্চয়তা থাকে না। তাঁর ভাষায়, "এবার আমার পুঁজিটাই শেষ হয়ে গেল।" একই প্রতিবেদনে রাণীশংকৈলের একজন চাষি ২ একরের করলা আর মাচা হারিয়েছেন, বালিয়াডাঙ্গীর একজন আমচাষি হারিয়েছেন ১ একর বাগানের গুটি। জেলা কৃষি কার্যালয় বলছে, মরিচ আর ভুট্টারই ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হওয়ার কথা, আর ক্ষতির হিসাব তখনো করা হচ্ছিল। ভুট্টা লম্বা আর মাথাভারী ফসল, কালবৈশাখীর পুরো মৌসুমটাই তাকে খেতে দাঁড়িয়ে কাটাতে হয়।
যা শেখার আছে
- ১.ভুট্টা কালবৈশাখীর পুরো মৌসুম খেতে দাঁড়িয়ে থাকে — এক দফা শিলাবৃষ্টিতেই সব যেতে পারে, তাই ফসল না ওঠার হিসাবটাও আগে থেকে ধরে রাখুন
- ২.পুরো মৌসুম চলতি পুঁজিতে চালালে, হাতে সঞ্চয় বা বিমা কিছু না থাকলে, পরের ফসল বোনার টাকাটাও থাকে না
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
