মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

ভুট্টা চাষ

ফিড মিল প্রতি কেজি কিনে নেয়, তাই ক্রেতা আগেই ঠিক। এক বিঘায় খরচ ৳১২,০০০–১৪,০০০, ফলন ৩০–৩৬ মণ, আর কাঁচা মণ ৳৭৫০–৮০০ হলেও শুকিয়ে বেচলে ৳১,০৪০–১,০৬০।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
ভুট্টা চাষ

ভুট্টা চাষ

শুরুর পুঁজি
৳১২,০০০ – ৳৪২,০০০
অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম বিক্রি
১২০ – ১৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৫ – ৬ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
খামার · সহজ

ব্যবসাটি সম্পর্কে

ভুট্টা চাষের সবচেয়ে বড় সুবিধাটা সবজি চাষির নেই — ক্রেতা আগে থেকেই ঠিক। পোলট্রি, মাছ ও গবাদি পশুর ফিড মিল প্রতি কেজি ভুট্টা কিনে নেয়, কারণ ফিডের উপাদানের প্রায় ৬০ শতাংশই ভুট্টা। তাই বেগুন বা টমেটোর মতো বাজারে দাম পড়ে গেলে ফেলে দিতে হয় না। বাসসের ১০ মে ২০২৬ তারিখের প্রতিবেদনে লালমনিরহাটের হিসাব: এক বিঘা জমিতে খরচ ৳১২,০০০–১৪,০০০, ফলন ভালো হলে ৩০ থেকে ৩৬ মণ, আর খরচ বাদে থাকে ৳১৬,০০০–১৮,০০০। দাম দুই রকম — জমি থেকে কাঁচা ভুট্টা মণপ্রতি ৳৭৫০–৮০০, আর শুকিয়ে বিক্রি করলে ৳১,০৪০–১,০৬০। এই ফারাকটাই আসল খেলা। যে চাষি শুকানোর জায়গা আর কিছুদিন অপেক্ষা করার টাকা রাখতে পারেন, তিনি মণপ্রতি প্রায় তিনশ টাকা বেশি পান; যাকে মাড়াইয়ের দিনই বেচে দিতে হয়, তিনি পান না। কুড়িগ্রামের চিলমারীর পাইকার জামিলুর রহমান ২০২৫ সালে কৃষকের কাছ থেকে কেজি ২৭–২৮ টাকায় কিনে ফিড মিলে দিতেন ২৯ টাকায় — অর্থাৎ ফড়িয়ার লাভও কেজিতে এক-দুই টাকা, খুব বেশি নয়, কিন্তু সে টাকাটা নগদে দিতে পারে। ঝুঁকি একটাই আর সেটা দামে। ফিড মিল আমদানি করা ভুট্টাও কেনে, তাই বিশ্ববাজারের দর পড়লে দেশের দরও পড়ে। ২০২৫ সালে খরচ বাড়লেও দাম কমায় উত্তরের চাষিরা লোকসানে পড়েছিলেন। ভুট্টা পচনশীল নয়, তাই ভালো করে শুকিয়ে রাখতে পারলে দাম ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করা যায় — এই ব্যবসায় লাভ-লোকসানের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত হলো কবে বেচবেন।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৩,০০০ – ৳১০,৫০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৭৫০ – ৳১,০৬০ / এককঅভিজ্ঞ-যাচাইকৃত
পরিবর্তনশীল খরচ৳৩৩৩ – ৳৪৬৭ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৩৮% – ৬৯%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১২০ – ১৬০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৫ – ৬ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ৭ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৪% – ১০%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা০.১ – ০.৩সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • সেচের পাম্প বা সেচের ব্যবস্থা, মাড়াই বা শেলার মেশিন (ভাড়ায় পাওয়া যায়), শুকানোর জন্য ত্রিপল বা চাতাল, আর বস্তা।যন্ত্রপাতি
  • হাইব্রিড ভুট্টার বীজ, ইউরিয়া-টিএসপি-এমওপি সার, কীটনাশক ও সেচের খরচ। লালমনিরহাটের চাষিদের হিসাবে বিঘায় সব মিলিয়ে ৳১২,০০০–১৪,০০০।শুরুর মাল
  • ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা থেকে। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। নিজের জমির ফসল নিজে বেচলে লাগে না, কিন্তু কিনে-বেচা বা আড়ত করলে লাগে।লাইসেন্স
  • শুকানোর মাত্রা বোঝা। ভুট্টা যথেষ্ট না শুকালে ফিড মিল ফেরত দেয় বা দাম কাটে, আবার বেশি দেরি করলে ওজন কমে যায়।দক্ষতা
  • স্বীকৃত বীজ ও সার ডিলার, সেচের পাম্প মালিক, মাড়াই মেশিনের মালিক, আর ফিড মিলের ক্রয় প্রতিনিধি বা ভুট্টার পাইকার।সরবরাহকারী
  • চাষের জমি — এক বিঘা (৩৩ শতক) থেকেই শুরু করা যায়, চরের বালুমাটিতেও চলে। সঙ্গে ভুট্টা শুকানোর খোলা জায়গা ও রাখার শুকনো ঘর।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1জমি বাছুন। ভুট্টা রবি মৌসুমের ফসল — নভেম্বর-ডিসেম্বরে বোনা হয়, কাটা পড়ে এপ্রিল-মে মাসে। চরের বালুমাটিতেও ভালো হয় বলে যে জমিতে ধান হয় না, সেখানেও চাষ চলে।
  2. 2উপজেলা কৃষি অফিসে যান। বীজ, সার ও আধুনিক প্রযুক্তির বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পরামর্শ ও প্রণোদনা দেয়, আর কোন জাত এ এলাকায় ভালো ফলে তা তারাই জানেন।
  3. 3বিঘাপ্রতি খরচের হিসাব আগে কষুন। লালমনিরহাটের চাষিদের হিসাবে বিঘায় ৳১২,০০০–১৪,০০০ লাগে। জমি ভাড়ার হলে সেই ভাড়াটা এর উপরে যোগ করুন।
  4. 4ভালো বীজ কিনুন সরকারি বা স্বীকৃত ডিলারের কাছ থেকে, আর রসিদ রাখুন। ভুট্টার হাইব্রিড বীজের দাম বেশি, তাই নকল বীজে এক মৌসুমের পুরো খরচ মার যায়।
  5. 5সেচ ও সারের সময়টা ঠিক রাখুন। ভুট্টার ফলন ৩০ মণ হবে না ৩৬ মণ, সেটা এই দুটোর উপরেই দাঁড়ায়।
  6. 6মাড়াইয়ের আগেই ঠিক করুন — কাঁচা বেচবেন না শুকিয়ে বেচবেন। জমি থেকে কাঁচা ভুট্টা মণপ্রতি ৳৭৫০–৮০০, শুকনো ৳১,০৪০–১,০৬০। পার্থক্য প্রায় তিনশ টাকা প্রতি মণে।
  7. 7শুকানোর জায়গা ঠিক করুন — উঠান, পাকা চাতাল বা স্কুলমাঠ। বৃষ্টি এলে ভুট্টা তুলে ফেলার লোক আগে থেকে ঠিক রাখুন, কারণ ভেজা ভুট্টায় ছত্রাক ধরে আর ফিড মিল তা নেয় না।
  8. 8স্থানীয় ফিড মিল বা তাদের ক্রয় প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করুন। মিলগুলো আমদানির চেয়ে দেশি ভুট্টাকে অগ্রাধিকার দেয়, তাই দর জানিয়ে রাখলে মৌসুমে খোঁজ আসে।
  9. 9পাইকারের দর আর মিলের দর দুটোই জেনে তবে বেচুন। ২০২৫ সালে চিলমারীর পাইকার কৃষকের কাছ থেকে কেজি ২৭–২৮ টাকায় কিনে মিলে দিতেন ২৯ টাকায় — মাঝের ফারাক কত, সেটা জানলে দর-কষাকষি সহজ।
  10. 10সব একসঙ্গে বেচবেন না। ভুট্টা পচনশীল নয়, ভালোভাবে শুকিয়ে ও পোকামুক্ত রাখতে পারলে কয়েক মাস রাখা যায় — দাম পড়ে গেলে অপেক্ষা করার সুযোগ এই ফসলে আছে।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলবেশি
  5. মেবেশি
  6. জুনবেশি
  7. জুলাইকম
  8. আগস্টকম
  9. সেপ্টেকম
  10. অক্টোকম
  11. নভেবেশি
  12. ডিসেবেশি
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীদিনাজপুর · উত্তরের বড় ভুট্টা উৎপাদনের জেলা; আড়ত ও পাইকারি বাজার প্রতিষ্ঠিত, তাই দর জানা ও ক্রেতা পাওয়া সহজ।
  • খুব উপযোগীকুড়িগ্রাম · চিলমারীর পাইকাররা জমি থেকেই ভুট্টা কিনে সরাসরি ফিড কোম্পানিতে পাঠান, মজুত করেন না — নগদ বিক্রির সুযোগ এখানে সবচেয়ে ভালো।
  • খুব উপযোগীলালমনিরহাট · চলতি বছরে জেলায় ৩০ হাজার ৮৮৫ হেক্টর জমিতে ভুট্টার আবাদ; বিঘায় ৩০–৩৬ মণ ফলনে খরচ বাদে থাকে ৳১৬,০০০–১৮,০০০, ক্রেতা পোলট্রি-মাছ-গবাদি পশুর ফিড উৎপাদক।
  • খুব উপযোগীনীলফামারী · ধানের দাম পড়লে চাষিরা ভুট্টায় ঝোঁকেন; জেলার ভুট্টার হাটে ফিড কোম্পানির ক্রয় প্রতিনিধিরা আসেন।
  • খুব উপযোগীরংপুর · বিভাগীয় শহরকেন্দ্রিক ভুট্টার আড়ত ও পরিবহন সুবিধা; চর ও বালুমাটির জমিতেও আবাদ হয়।
  • সম্ভবচুয়াডাঙ্গা · দক্ষিণ-পশ্চিমের ভুট্টা উৎপাদনের জেলা; ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের ফিড মিলে যাওয়ার দূরত্ব কম।
  • সম্ভবগাইবান্ধা · ব্রহ্মপুত্রের চরে রেকর্ড পরিমাণ জমিতে ভুট্টা হয়; যে বালুমাটিতে ধান হয় না, সেখানেই ভুট্টা লাভজনক।
  • সম্ভবজামালপুর · যমুনার চরে ভুট্টার আবাদ, আর ঢাকার ফিড মিলে পৌঁছানো তুলনামূলক সহজ।
  • সম্ভবঝিনাইদহ · কোটচাঁদপুরসহ উপজেলাগুলোতে ভালো দামের কারণে ভুট্টা চাষে আগ্রহ বাড়ছে।
  • সম্ভবপঞ্চগড় · উত্তরের সীমান্ত জেলা, ভুট্টার আবাদ বাড়ছে; তবে বড় ফিড মিল দূরে বলে পরিবহন খরচ বেশি।
  • সম্ভবঠাকুরগাঁও · ভুট্টার আবাদ ভালো, বীজ ও সারের ডিলার নেটওয়ার্ক শক্ত; পাইকাররা জমি থেকেই কেনেন।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিচাহিদা: দাম ওঠানামা করে বিশ্ববাজারের সঙ্গে, কারণ ফিড মিল দেশি ভুট্টার পাশাপাশি আমদানিও করে। ২০২৪ সালের জুনে দুই মাসের মধ্যে খামার থেকে মিল গেট পর্যন্ত দর কেজিতে ৩২–৩৮ টাকা থেকে নেমে ২৪–২৮ টাকায় এসেছিল, অর্থাৎ প্রায় ৪০ শতাংশ পতন। ২০২৫ সালে উৎপাদন খরচ বাড়লেও দাম কমায় লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও দিনাজপুরের চাষিরা ক্ষতিতে পড়েন। ফসল তোলার আগে দাম কী হবে, কেউ বলতে পারে না।
  • বেশিচলতি মূলধন: বিঘায় ৳১২,০০০–১৪,০০০ খরচ হয়ে যায় বীজ, সার ও সেচে, আর টাকা ফেরে ফসল ওঠার পর — অর্থাৎ চার-পাঁচ মাস পর। হাতে টাকা না থাকলে মাড়াইয়ের দিনই কাঁচা অবস্থায় মণ ৳৭৫০–৮০০-এ বেচে দিতে হয়, অথচ শুকিয়ে রাখলে ৳১,০৪০–১,০৬০ পাওয়া যেত। শুধু অপেক্ষা করতে না পারার কারণেই মণপ্রতি প্রায় তিনশ টাকা হারায় অনেক চাষি।
  • মাঝারিনির্ভরশীলতা: ক্রেতা নিশ্চিত, কিন্তু ক্রেতার সংখ্যা কম। পোলট্রি ও ফিডের বাজারের বড় অংশ হাতে গোনা কয়েকটি কোম্পানির — বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির ভাষ্যে ছয়-সাতটি বড় কোম্পানি ফিড, একদিনের বাচ্চা ও ডিমের বাজারে প্রভাবশালী। দর তারাই ঠিক করে, চাষি শুধু নেয় বা নেয় না।
  • মাঝারিনষ্ট হওয়া: ভুট্টা নিজে পচনশীল নয়, কিন্তু ভেজা অবস্থায় ছত্রাক ধরে আর তখন ফিড মিল নেয় না বা দাম কেটে নেয়। এপ্রিল-মে মাসে কাল বৈশাখী বা অকালবৃষ্টি হলে মাঠে থাকা ও শুকাতে দেওয়া ভুট্টা একদিনেই নষ্ট হতে পারে।
  • মাঝারিঅন্যান্য: ভুট্টার আবাদ দ্রুত বাড়ছে — চাষিরা গম ছেড়ে ভুট্টায় আসছেন আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আবাদ ৬ লাখ ৭২ হাজার হেক্টরে উঠেছে। আবাদ বাড়লে মৌসুমে একসঙ্গে ফসল ওঠে আর দর পড়ে যায়। সবাই যে বছর লাভ দেখে ঝাঁপ দেয়, পরের বছর সেই ফসলেই দাম থাকে না।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা শিখেছিপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঠাকুরগাঁওয়ের একজন ভুট্টাচাষি

একদিনে দুই দফা শিলাঝড়, ভুট্টাখেত মাটির সঙ্গে মিশে গেল

ঠাকুরগাঁওয়ে শনিবার সকালে এক দফা আর সেই রাতে আরেক দফা ঝড়-শিলাবৃষ্টিতে ভুট্টাগাছ মাটিতে শুয়ে পড়ে; এই চাষির ভাষায় মৌসুমের পুঁজিটাই শেষ হয়ে গেছে।

কারণ
অন্যান্য, চলতি মূলধন

একই রকম আরও ব্যবসা

কৃষি ও খামার

খেজুরের রস ও গুড়

শীতে খেজুরগাছ কেটে রস নামিয়ে জ্বাল দিয়ে গুড় বানানো। ২০২৫-২৬ মৌসুমে দানা গুড় ৳৩৫০–৪০০ কেজি আর পাটালি ৳৪৫০–৬০০ কেজি, কিন্তু কাজটা চলে বছরে মাত্র তিন-চার মাস আর গাছ কাটার গাছি দিন দিন কমছে।

পুঁজি
৳১০ হাজার – ৳৬০ হাজার
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
২০ – ৩৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

নেপিয়ার ঘাস ও গো-খাদ্য চাষ

গরুর খামারের জন্য কাঁচা ঘাস চাষ। একবার লাগালে ৪–৫ বছর ফলন, বছরে ৪–৬ বার কাটা যায়, আর এক বিঘায় উদ্বৃত্ত ঘাস বেচে বছরে ৳৩০,০০০–৩৫,০০০ বাড়তি আয় হচ্ছে।

পুঁজি
৳১০ হাজার – ৳৫০ হাজার
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
৫০ – ৭০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

বাঁশ চাষ

ঝাড় করে বাঁশ লাগিয়ে বছর বছর বাঁশ কেটে বিক্রি। চারা লাগানোর ৩–৪ বছরের আগে একটি বাঁশও কাটা যায় না; এরপর গ্রামে প্রতিটি বাঁশ ৳১০০–২৫০, হাটে পাইকারি ৳১২৫–৩৫০।

পুঁজি
৳১৫ হাজার – ৳৩ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
১,০৯৫ – ২,৯২০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

ঔষধি গাছ চাষ

বাসক, কালোমেঘ, তুলসী ও অর্জুনের চাষ। ক্রেতা ওষুধ কোম্পানি, তাই দাম চুক্তি বা দরপত্রে ঠিক হয় — বিঘায় কালোমেঘে ৳১৫,০০০ খরচে ২০–২২ মণ, মণ ৳২,৪০০।

পুঁজি
৳১৫ হাজার – ৳১ লাখ
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম আয়
৯০ – ৩৬৫ দিন
অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত