মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের হাওর এলাকার এক তরুণ ফ্রিল্যান্সার · ২০২১ সালে শুরু

ইন্টারনেটের জন্য নৌকায় হাওরে, প্রথম ৪ মাসে ৪০০ ডলার — এখন মাসে ২ হাজার ডলার

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের হাওরের এক তরুণ ধার করা ৪ হাজার টাকায় প্রথম কোর্সে কিছুই পারেননি। পরে গুগল অ্যাডস ও ওয়েব অ্যানালিটিকস শিখে ফাইভারে কাজ শুরু করেন, এখন মাসে প্রায় ২ হাজার ডলার আয়।

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জের হাওর এলাকার এক তরুণের কথা আছে, যিনি বিদেশি ক্লায়েন্টের জন্য গুগল অ্যাডস ও ওয়েব অ্যানালিটিকসের কাজ করেন। ২০২০ সালে করোনায় পড়াশোনা বন্ধ হয়, বাবার আয়ও থেমে যায়। চাচাতো ভাইয়ের কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা ধার করে চার মাসের একটি আইটি কোর্সে ভর্তি হন, কিন্তু তেমন কিছু শিখতে পারেননি, মার্কেটপ্লেসে কাজও পাননি। পরে ২০২১ সালের অক্টোবরে আরেকটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে গুগল অ্যাডস ও ওয়েব অ্যানালিটিকস কোর্স শেষ করেন, পাশাপাশি নিজে চর্চা চালান। ফাইভারে প্রোফাইল খোলার ১৪ দিনের মাথায় ৭৫ ডলারের কাজ পান। হাওরে দ্রুতগতির ইন্টারনেট ছিল না; পুরোনো ল্যাপটপ চার্জে চলত এক ঘণ্টা। ক্লায়েন্টের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য নৌকায় করে হাওরের মধ্যে যেতেন ভালো নেটওয়ার্কের খোঁজে। তিন-চার মাসে ১৫টি কাজ করে আয় হয় ৪০০ ডলার। এরপর ভালো ইন্টারনেট, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ আর কাজের পরিবেশের জন্য মোহনগঞ্জ ছেড়ে নেত্রকোনা শহরে চলে যান। এখন তাঁর আয় মাসে প্রায় ২ হাজার ডলার, অর্থাৎ ২ লাখ ১৬ হাজার টাকার মতো। এই আয়ে বাড়ি মেরামত ও পরিবারের ঋণ শোধ করেছেন। তবে একই প্রতিবেদনে তিন সফল ফ্রিল্যান্সারই বলেছেন, এ খাতে সফলতার চেয়ে ব্যর্থতার গল্পই বেশি।

যা শেখার আছে

  1. ১.প্রথম প্রশিক্ষণ কাজে না এলে থেমে না গিয়ে নির্দিষ্ট চাহিদাসম্পন্ন দক্ষতা (যেমন গুগল অ্যাডস) বেছে নিয়ে নিজে চর্চা করুন।
  2. ২.বিদেশি ক্লায়েন্টের কাজে ইন্টারনেট আর বিদ্যুৎই মূল পুঁজি — প্রয়োজনে কাজের জায়গা বদলানো আয় বাড়াতে পারে।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।