ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি
ক্লায়েন্টের বিজ্ঞাপনের টাকা আপনার আয় নয় — আয় শুধু রিটেইনার। দেশে বছরে প্রায় ৭,৪০০ কোটি টাকার ডিজিটাল বিজ্ঞাপন, ভ্যাট ১৫%; আর বিকাশ যুক্ত হওয়ায় মধ্যস্থতার আয় শেষ হয়ে আসছে।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সি
- শুরুর পুঁজি
- ৳৫০,০০০ – ৳৪,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ১৫ জন
- প্রথম বিক্রি
- ১৫ – ৯০ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ৪ – ৭ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- অনলাইন · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় ভুলটা হিসাবের গোড়াতেই হয়। ক্লায়েন্ট বিজ্ঞাপনের জন্য যে টাকা দেয়, সেটা আপনার আয় নয় — ওই টাকা ফেসবুক বা গুগলের। আপনার আয় শুধু সার্ভিস ফি বা মাসিক রিটেইনারটুকু। এক লাখ টাকার বুস্ট চালিয়ে 'এক লাখ টাকার কাজ করেছি' বললে হিসাব ভুল হয় আর ব্যাংকের কাছেও ভুল বার্তা যায়। বাজারটা ছোট নয়। সরকারের কাছে থাকা হিসাব অনুযায়ী দেশে বছরে প্রায় ৭ হাজার ৪০০ কোটি টাকার ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের লেনদেন হয়, আর তা থেকে প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকার ভ্যাট আদায় হয় না। ডিজিটাল বিজ্ঞাপনে ভ্যাটের হার ১৫ শতাংশ। এতদিন এদেশে অনেক এজেন্সির আসল কাজ ছিল মধ্যস্থতা। ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিতে ডলার-কার্ড লাগত, আর তার জন্য পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট করাতে হতো — যা বেশির ভাগ ছোট উদ্যোক্তার ছিল না। তাই তাঁরা এজেন্সির কার্ডে বুস্ট করাতেন আর ডলারের উপর বাড়তি দিতেন। ২০২৬ সালের আগস্টে মেটা পরীক্ষামূলকভাবে ফেসবুক অ্যাড অ্যাকাউন্টে বিকাশ পেমেন্ট যুক্ত করা শুরু করেছে। এখন উদ্যোক্তা নিজের বিকাশ থেকেই টাকায় বিজ্ঞাপন চালাতে পারবেন — অর্থাৎ ওই মধ্যস্থতার আয়টাই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যে এজেন্সির টাকা কার্ডের সুবিধা বেচে আসত, তাকে এখন সত্যিকারের কাজ বেচতে হবে। নিয়মও বদলাচ্ছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের 'ক্রস-বর্ডার ডিজিটাল বাণিজ্য নীতিমালা, ২০২৬' এর খসড়া (২২ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত) অনুযায়ী ফেসবুক, ইউটিউব বা গুগলের মতো বিদেশি প্ল্যাটফর্মকে ডিবিআইডি নিবন্ধন নিতে হবে এবং ভ্যাট ও আয়কর দিতে হবে।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৩০,০০০ – ৳২,০০,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৫০০ – ৳২,৫০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳৩০০ – ৳১,০০০ / একক | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৪০% – ৬০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ১৫ – ৯০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ৪ – ৭ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ৩০ – ৬০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ৫% – ১২% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৩ – ৫০ | সম্পাদকীয় অনুমান |
শুরু করতে যা লাগবে
- কম্পিউটার বা ল্যাপটপ, ভালো ইন্টারনেট, ইউপিএস বা ব্যাকআপ, আর ছবি-ভিডিওর জন্য ক্যামেরা ও এডিটিং সফটওয়্যার। লোডশেডিং হলে কাজ বন্ধ, তাই ব্যাকআপ ঐচ্ছিক নয়।যন্ত্রপাতি
- ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০, সঙ্গে ভ্যাট ও সাইনবোর্ড ফি। ৩–৫ কর্মদিবসে ইস্যু।লাইসেন্স
- টিআইএন ও ভ্যাট নিবন্ধন — জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। ডিজিটাল বিজ্ঞাপনে ভ্যাটের হার ১৫ শতাংশ। মেটা বাংলাদেশে ভ্যাট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিবন্ধিত, তাই দেশি টাকায় পেমেন্ট হলে প্রতিটি লেনদেনে ভ্যাট ট্র্যাক করা সহজ হয়ে যাচ্ছে।লাইসেন্স
- কনটেন্ট ও ক্রিয়েটিভ বানানোর সক্ষমতা, বিজ্ঞাপন ম্যানেজারে কাজ, আর সংখ্যা পড়ে ক্লায়েন্টকে বোঝানো। শুধু বুস্ট বোতাম চাপার দক্ষতার বাজারমূল্য দ্রুত কমছে।দক্ষতা
- আন্তর্জাতিক লেনদেনের ব্যবস্থা — ডুয়েল কারেন্সি ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড এবং পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট, যার বার্ষিক সীমা ১২,০০০ ডলার। মেটা এখন ফেসবুক অ্যাড অ্যাকাউন্টে বিকাশ পেমেন্টও পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছে।সরবরাহকারী
- ছোট অফিস বা বাসার একটি কক্ষ। ক্লায়েন্টের সঙ্গে বসার মতো একটা জায়গা লাগে, তবে শুরুতে বড় অফিস দরকার নেই।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1প্রথমেই ঠিক করুন আপনি কী বেচছেন — কৌশল ও কনটেন্ট, নাকি শুধু বিজ্ঞাপন চালানোর সুবিধা। দ্বিতীয়টির দিন শেষ হয়ে আসছে।
- 2সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন আর এনবিআর থেকে টিআইএন করান; ব্যবসায়িক ক্লায়েন্ট বিল ছাড়া টাকা দেয় না।
- 3ভ্যাট নিবন্ধন নিয়ে হিসাবরক্ষকের সঙ্গে বসুন। ডিজিটাল বিজ্ঞাপনে ভ্যাটের হার ১৫ শতাংশ, আর সেটা কার দায় তা চুক্তিতে পরিষ্কার লিখতে হবে।
- 4চুক্তিতে রিটেইনার আর বিজ্ঞাপনের বাজেট আলাদা লাইনে লিখুন। এক লাইনে মিশিয়ে দিলে ক্লায়েন্ট ভাবে পুরোটাই আপনার আয়, আর দর কষাকষি শুরু হয় ভুল জায়গা থেকে।
- 5ক্লায়েন্টের নিজের অ্যাড অ্যাকাউন্টে কাজ করুন, নিজের কার্ডে নয়। মেটা এখন ফেসবুক অ্যাড অ্যাকাউন্টে বিকাশ পেমেন্ট যুক্ত করছে, তাই ক্লায়েন্ট নিজেই টাকায় বিল দিতে পারবেন — আর আপনার টাকা আটকাবে না।
- 6প্রতিটি ক্লায়েন্টের জন্য মাসিক রিপোর্ট দিন — কত খরচ হলো, কত পৌঁছাল, কত বিক্রি এলো। রিপোর্ট না থাকলে ক্লায়েন্ট তিন মাস পর কারণ খুঁজে পান না এবং চলে যান।
- 7একটা ক্লায়েন্টের উপর আয়ের বড় অংশ নির্ভর করতে দেবেন না। ছোট এজেন্সিতে এক ক্লায়েন্ট গেলেই মাসের বেতন আটকে যায়।
- 8শুধু বুস্ট নয়, কনটেন্ট, ছবি, ভিডিও আর ল্যান্ডিং পেজ — এই কাজগুলোও নিজে করুন। প্ল্যাটফর্ম পেমেন্ট সহজ করে দিলে শুধু বুস্টের কাজ আর থাকে না।
- 9বিদেশি ক্লায়েন্টের টাকা বৈধ পথে আনুন। রপ্তানি আয় হিসেবে দেখানো গেলে নীতিসহায়তা পাওয়ার সুযোগ আছে; খসড়া নীতিমালায় ডিজিটাল মাধ্যমের রপ্তানি আয়কে প্রচলিত রপ্তানির মতো স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
- 10লোডশেডিং ও ইন্টারনেটের জন্য ব্যাকআপ রাখুন। আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টের সময়সীমা মিস হলে কাজ ফিরে আসে না — ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ঘন ঘন লোডশেডিং নিয়ে দেশের ফ্রিল্যান্সারদের ঝুঁকির কথা সংবাদপত্রে এসেছে।
মৌসুম
- জানুস্বাভাবিক
- ফেব্রুবেশি
- মার্চবেশি
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেবেশি
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোস্বাভাবিক
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীচট্টগ্রাম · বন্দর ঘিরে আমদানিকারক ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বেশি; স্থানীয় রেস্টুরেন্ট, রিয়েল এস্টেট ও হাসপাতালের নিয়মিত কাজ থাকে।
- খুব উপযোগীঢাকা · ক্লায়েন্ট, ব্র্যান্ড ও বিজ্ঞাপনের বাজেট প্রায় সবই ঢাকাকেন্দ্রিক; বড় দেশি ব্র্যান্ডের বিপণন বিভাগও এখানেই।
- সম্ভববগুড়া · উত্তরবঙ্গের বাণিজ্যকেন্দ্র; স্থানীয় ব্র্যান্ড ও শোরুমের কাজ আছে, বাজেট ছোট।
- সম্ভবকুমিল্লা · প্রবাসী পরিবারের ব্যবসা ও মহাসড়কের রেস্টুরেন্ট-হোটেলের কাজ পাওয়া যায়।
- সম্ভবগাজীপুর · কারখানা ও স্থানীয় ব্যবসার সংখ্যা বেশি, আর ঢাকার ক্লায়েন্ট ধরা সহজ — কিন্তু বাজেট ঢাকার চেয়ে ছোট।
- সম্ভবখুলনা · বিভাগীয় শহরের ব্যবসা ও কোচিং সেন্টারের কাজ; প্রতিযোগিতা তুলনামূলক কম।
- সম্ভবময়মনসিংহ · বিভাগীয় শহর ও বড় শিক্ষা কেন্দ্র; কোচিং ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত প্রচার লাগে।
- সম্ভবনারায়ণগঞ্জ · ছোট পোশাক ও ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের বড় সংখ্যা; ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ সহজ।
- সম্ভবরাজশাহী · বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক দক্ষ তরুণ পাওয়া যায় বলে কর্মীর খরচ কম, তবে স্থানীয় ক্লায়েন্টের বাজেট ছোট।
- সম্ভবসিলেট · প্রবাসী মালিকানার রেস্টুরেন্ট, হাসপাতাল ও রিয়েল এস্টেট প্রকল্পের বিজ্ঞাপনের বাজেট আছে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিচাহিদা: মধ্যস্থতার আয় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতদিন ছোট উদ্যোক্তাদের ডুয়েল কারেন্সি কার্ড বা পাসপোর্ট এনডোর্সমেন্ট না থাকায় তাঁরা এজেন্সি বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে বুস্ট করাতেন এবং ডলারের উপর চড়া দাম দিতেন। ২০২৬ সালের আগস্টে মেটা ফেসবুক অ্যাড অ্যাকাউন্টের পেমেন্ট মেথডে পরীক্ষামূলকভাবে বিকাশ যুক্ত করা শুরু করেছে, ফলে উদ্যোক্তা নিজের ওয়ালেট থেকেই টাকায় বিজ্ঞাপন চালাতে পারবেন। যে এজেন্সির আয়ের বড় অংশ এই সুবিধা বেচা থেকে আসত, তার আয়ের লাইনটাই মুছে যাচ্ছে।
- বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: বিজ্ঞাপনের নিয়ম একসঙ্গে বদলাচ্ছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২২ জুলাই ২০২৬ তারিখে 'ক্রস-বর্ডার ডিজিটাল বাণিজ্য নীতিমালা, ২০২৬' এর খসড়া প্রকাশ করে; এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে কোম্পানি প্রতিষ্ঠা ও ডিবিআইডি নিবন্ধন ছাড়া বিদেশি প্ল্যাটফর্ম ডিজিটাল বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারবে না এবং নির্ধারিত ভ্যাট, আয়কর ও অন্যান্য কর পরিশোধ করতে হবে। নকল, নিষিদ্ধ বা বিভ্রান্তিকর পণ্যের বিজ্ঞাপনও নিষিদ্ধ। এজেন্সির ক্লায়েন্ট যদি এমন পণ্যের হয়, কাজটাই বন্ধ।
- বেশিনির্ভরশীলতা: পুরো ব্যবসাটা একটা বিদেশি প্ল্যাটফর্মের সিদ্ধান্তের উপর দাঁড়িয়ে। মেটা বা গুগল পেমেন্ট পদ্ধতি, বিজ্ঞাপনের নিয়ম বা অ্যাকাউন্ট নীতিমালা বদলালে বাংলাদেশের এজেন্সির কিছুই করার থাকে না। অ্যাড অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে গেলে একই সঙ্গে সব ক্লায়েন্টের কাজ থেমে যায়, আর ফেরত পাওয়ার কোনো নিশ্চিত পথ নেই।
- মাঝারিচলতি মূলধন: ক্লায়েন্টের বিজ্ঞাপনের টাকা নিজের কার্ডে চালিয়ে দিলে ঝুঁকি এজেন্সির। ক্লায়েন্ট বিল না দিলে বা কাজ ছেড়ে দিলে ওই টাকা এজেন্সির ক্ষতি, অথচ তা আয়ের খাতায় কখনো ছিলই না। এক পাসপোর্টে কার্ড এনডোর্সমেন্টের বার্ষিক সীমা ১২,০০০ ডলার, তাই এভাবে চালালে ব্যবসার আকারও ওই সীমাতেই আটকে যায়।
- মাঝারিঅন্যান্য: বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে দেশের ফ্রিল্যান্সারদের আন্তর্জাতিক বাজারে ঝুঁকিতে পড়ার কথা সংবাদপত্রে এসেছে। ক্যাম্পেইনের সময় একটি দিন হাতছাড়া হলে ক্লায়েন্টের বিক্রির মৌসুমও হাতছাড়া হয়, আর সেই ক্লায়েন্ট সাধারণত ফেরে না।
সূত্র
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি, প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় · বাংলাদেশ
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
এই ব্যবসার গল্প
৫ ডলারের প্রথম কাজে ব্যর্থ, এখন মাসে হাজার ডলার
২০২০ সালে ক্ষুদ্রঋণের ৩০,০০০ টাকায় কম্পিউটার; ফাইভারে প্রথম ৫ ডলারের কাজটিই শেষ করতে পারেননি। এখন মাসে আয় প্রায় ১,০০০ ডলার, বাবার ৩ লাখ টাকার ঋণও শোধ করেছেন।
- পুঁজি
- ৳৩০ হাজার
- কারণ
- দক্ষতার ঘাটতি, চলতি মূলধন
হুইলচেয়ারে বসে গুগল অ্যাডসের কাজ, মাসে আয় ১ থেকে দেড় লাখ
২০১৭ সালের দুর্ঘটনায় দুই পা অবশ; ২০২১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে গুগল অ্যাডস ও ই-কমার্সের কাজ শুরু। এখন ফাইভার-আপওয়ার্ক থেকে মাসে আয় ১,০০,০০০–১,৫০,০০০ টাকা।
- কারণ
- পরিবার বা স্বাস্থ্য, ভালো মান
একই রকম আরও ব্যবসা
ডিজিটাল ও বি২বি সেবামোবাইল ব্যাংকিং এজেন্ট
বিকাশ-নগদ-রকেটের এজেন্ট কমিশন প্রতি হাজারে মাত্র ৳৪। মাসে ৳৩০,০০০ আয় করতে কাউন্টার দিয়ে মাসে প্রায় ৳৭৩ লাখ টাকা যেতে হবে।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৩.৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ২ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৪৫ দিন
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাঅনলাইন নিউজ পোর্টাল
খবরের ওয়েবসাইট চালানো। তথ্য মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক — ফি ৳১০,০০০, প্রতি বছর নবায়ন ৳৫,০০০ — আর অনলাইন পোর্টালের জন্য সরকারি বিজ্ঞাপনের কোনো নির্ধারিত দর আজও নেই।
- পুঁজি
- ৳৫০ হাজার – ৳৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ১৫ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৩৬৫ দিন
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাসফটওয়্যার ও অ্যাপ রিসেলিং
ছোট দোকানে পিওএস ও হিসাবের সফটওয়্যার বসিয়ে দেওয়ার কাজ। প্রতিযোগী বিনা মূল্যের অ্যাপ — টালিখাতায় নিবন্ধিত প্রায় ৪৭ লাখ ব্যবসায়ী; তাই আয় আসে যন্ত্র ও সেবা থেকে।
- পুঁজি
- ৳৬০ হাজার – ৳২.৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৬০ দিন
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাফ্রিল্যান্সিং এজেন্সি
বিদেশি ক্রেতার কাজ নিয়ে দল বেঁধে করা আর বৈধ পথে টাকা আনা। আয়ে আয়কর ও ভ্যাট দুটোই মওকুফ, বৈধ পথে আনলে ২.৫% নগদ প্রণোদনা — কিন্তু প্রথম বছরের আয় নগণ্য।
- পুঁজি
- ৳৬০ হাজার – ৳৪ লাখ
- জনবল
- ১ – ১০ জন
- প্রথম আয়
- ৯০ – ৩৬৫ দিন
