মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে খাগড়াছড়ির দীঘিনালার একজন জুম ও হলুদচাষি

মণ ১২ হাজার থেকে নেমে ৪ হাজারের নিচে: জুমের সঙ্গে হলুদে ১৮ হাজার টাকা

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় ২০১১–১২ সালে শুকনো হলুদের মণ ছিল ১০–১২ হাজার টাকা, পরে টানা দাম কমে চার হাজারের নিচে নামে, অনেকে চাষ ছেড়ে দেন। এক জুমচাষি চার মণ বীজ হলুদ থেকে সাড়ে চার মণ শুকনো হলুদ বিক্রি করে পান ১৮ হাজার টাকা।

খাগড়াছড়ির দীঘিনালার পাহাড়ি জমিতে হলুদ বড় ফসল। প্রথম আলোর ২০১৬ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১১–১২ সালে প্রতি মণ শুকনো হলুদ বিক্রি হয়েছিল ১০ থেকে ১২ হাজার টাকায়। বাড়তি লাভের আশায় তখন অনেকে হলুদ চাষে নামেন। এরপর প্রতিবছর দাম কমেছে; ২০১৫ সালে মণ চার হাজার টাকার নিচে নেমেছিল। লোকসানে হতাশ হয়ে পরের বছর অনেক চাষি আর হলুদ লাগাননি, উপজেলায় চাষ ১৭৫ একর কমে যায়। ২০১৬ সালে দাম কিছুটা বেড়ে মণপ্রতি ৪ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার ৮০০ টাকায় ওঠে।

বড়াদম এলাকার এক জুমচাষি জুমের ফসলের সঙ্গে পাহাড়ি জমিতে চার মণ কাঁচা হলুদ লাগিয়েছিলেন। ফলন হয় প্রায় ২৫ মণ; শুকিয়ে পান সাড়ে চার মণ শুকনো হলুদ, যা বিক্রি করেন ১৮ হাজার টাকায়। এভাবে লাভ হলে চাষ বাড়াবেন বলে জানান।

কৃষি কর্মকর্তারা জানান, হলুদের আকার ভালো হলে চার মণ কাঁচা হলুদ সেদ্ধ করে শুকিয়ে এক মণ শুকনো হলুদ হয়, আকার ছোট হলে লাগে পাঁচ মণ। আড়তদারেরা স্থানীয় বাজার থেকে কিনে ঢাকা ও চট্টগ্রামে পাঠান।

যা শেখার আছে

  1. ১.এক-দুই বছরের চড়া দাম দেখে সবাই চাষে নামলে পরের বছরগুলোতে দাম পড়ে যায়; দামের কয়েক বছরের ইতিহাস দেখে সিদ্ধান্ত নিন।
  2. ২.কাঁচা থেকে শুকনো হলুদে ওজন চার-পাঁচ ভাগের এক ভাগ হয়; লাভের হিসাব শুকনো ওজনে করুন।
  3. ৩.জুমের সঙ্গে সাথি ফসল হিসেবে হলুদ দিলে আলাদা জমি ও খরচ কম লাগে, দাম পড়লেও ক্ষতি সীমিত থাকে।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।