মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
মিশ্র অভিজ্ঞতাপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে টাঙ্গুয়ার হাওরের এক তরুণ হাউসবোট মালিক ও ট্যুর পরিচালক · ২০২২ সালে শুরু

১৮ লাখ টাকার হাউসবোট, আকস্মিক বন্যায় হাতছাড়া দুই মাসের ভাড়া

টাঙ্গুয়ার হাওরে দুই বন্ধু মিলে ১৮ লাখ টাকায় হাউসবোট বানিয়েছিলেন, তিন মৌসুমে খরচ তোলার আশায়। আকস্মিক বন্যায় এক মৌসুমেরই দুই মাস হাতছাড়া হয়।

সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে পর্যটকদের জন্য কেবিন, ফ্যান আর টাইলস করা বাথরুমসহ ‘হাউসবোট’ ভাড়া দেওয়া এখন নতুন ব্যবসা। প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২২ সালের মৌসুমে অর্ধশতাধিক নতুন হাউসবোট হাওরে নামে; বিনিয়োগকারী ১০ তরুণ জানান, প্রতিটি বানাতে খরচ ১৮ থেকে ২৫ লাখ টাকা। দুই দিন এক রাতের যাত্রায় জনপ্রতি চার থেকে আট হাজার টাকা নেওয়া হয়, বুকিং চলে ফেসবুক পেজে। ২০১৬ সাল থেকে ট্যুর পরিচালনা করা এক তরুণ একজন অংশীদার নিয়ে ‘জগৎজ্যোতি’ নামে হাউসবোট বানান, খরচ পড়ে ১৮ লাখের মতো। তাঁর হিসাব ছিল তিন মৌসুমে মূল খরচ উঠে আসবে। কিন্তু সেবার আকস্মিক বন্যায় দুই মাস হাতছাড়া হয়। তবু তিনি বলেন, পর্যটক এখনো যথেষ্ট। প্রতিটি হাউসবোটে সুকানি-পাচকসহ চার–পাঁচজন কাজ করেন, প্রতি যাত্রায় একেকজন দুই থেকে তিন হাজার টাকা পান। ভ্রমণ মৌসুম মাত্র পাঁচ থেকে ছয় মাস, আর উপজেলা প্রশাসন নৌযান নিবন্ধনসহ ১২টি শর্ত দিয়েছে। অর্থাৎ বড় বিনিয়োগ ফেরত আসে অল্প কয়েক মাসের ভাড়া থেকে, আর আবহাওয়া বা নিয়মের একটা ধাক্কাতেই সেই হিসাব পিছিয়ে যায়।

যা শেখার আছে

  1. ১.মৌসুমি ব্যবসায় খরচ ফেরতের হিসাব করুন বন্যা বা খারাপ আবহাওয়ায় কয়েক মাস হারানোর কথা ধরে, শুধু ভালো মৌসুম ধরে নয়।
  2. ২.প্রতি যাত্রায় কর্মীদের পারিশ্রমিক দিলে খালি মাসে স্থির বেতনের চাপ কমে।
  3. ৩.সংরক্ষিত এলাকায় নৌযান নামানোর আগে প্রশাসনের নিবন্ধন ও শর্তগুলো জেনে নিন।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।