পদক পাওয়া খামার উঠল নিলামে, ঘাড়ে ১১টি মামলা
২০১০ ও ২০১১ সালে জাতীয় পদক পাওয়া এই খামারির ছিল ৫০ বিঘার বেশি পুকুর, ২০০ গরু আর ৫,০০০ মুরগি। ২০১২ সাল থেকে ব্যাংকঋণে জড়িয়ে এখন বাড়ি ও খামার নিলামে, বিরুদ্ধে ১১টি মামলা।
পাবনার ঈশ্বরদীর মূলাডুলি গ্রামের এই খামারি ২০১০ সালে জাতীয় মৎস্য পদক আর ২০১১ সালে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক পেয়েছিলেন। সবচেয়ে ভালো সময়ে তাঁর ছিল ৫০ বিঘারও বেশি জমির মাছের পুকুর, ২০০টি গরু আর ৫,০০০ মুরগি। খামার আরও বড় করতে গিয়ে ২০১২ সাল থেকে ব্যাংকঋণে জড়িয়ে পড়েন। অ্যানথ্রাক্সে ২৫টি গরু মারা যায়, আর দুধ ও মাছের ভালো দাম না পাওয়ায় তিনি ঋণখেলাপি হয়ে যান। ২০২১ সালে ব্যাংক মামলা করে; এখন তাঁর বিরুদ্ধে ১১টি মামলা চলছে আর বাড়ি ও পুরো খামার নিলামে উঠেছে। প্রতিবেদনে ঈশ্বরদীর এমন চারজন পদকজয়ী খামারির কথা আছে, যাঁদের কারও খামার ব্যবস্থাপনার প্রশিক্ষণ ছিল না, ঋণের বিপরীতে কোনো বিমাও ছিল না।
যা শেখার আছে
- ১.ছোট পুকুরে পাওয়া পদক বড় ঋণের খামার চালানোর প্রমাণ নয় — ব্যবস্থাপনার ফাঁকটাই মানুষকে ডুবিয়ে দেয়
- ২.ঋণের টাকায় মাছ, গরু আর মুরগি একসঙ্গে চালালে একটি রোগ আর একটি খারাপ দামের মৌসুমেই কিস্তি দেওয়া বন্ধ হয়ে যায়
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
