পুকুরে মাছ চাষ
মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাবে পুকুরে হেক্টরপ্রতি গড় উৎপাদন ৪.৯৬ টন — ময়মনসিংহে ১২.৭২ টন আর রাঙ্গামাটিতে ২.০১ টন। জেলা বদলালেই আয় বদলে যায়।
- শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংস্করণ ১

পুকুরে মাছ চাষ
- শুরুর পুঁজি
- ৳১,০০,০০০ – ৳৬,০০,০০০ সম্পাদকীয় অনুমান
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম বিক্রি
- ২৪০ – ৩৬৫ দিন সম্পাদকীয় অনুমান
- খরচ উঠতে
- ১২ – ২৪ মাস সম্পাদকীয় অনুমান
- কাজের ধরন
- খামার · মাঝারি কঠিন
ব্যবসাটি সম্পর্কে
পুকুরে পোনা ছেড়ে, খাবার দিয়ে বড় করে মাছ বিক্রি করা। দেশে যত মাছ হয় তার সবচেয়ে বড় অংশ আসে এই চাষের পুকুর থেকেই — ২০২৩-২৪ সালে মোট ৫০ লাখ ১৮ হাজার টন মাছের মধ্যে ২৯ লাখ ৭৮ হাজার টনই এসেছে বদ্ধ জলাশয় থেকে। বাংলাদেশে এই একটাই ব্যবসা যেখানে সরকার নিজে মেপে বলে দেয় কোন জেলার পুকুরে হেক্টরপ্রতি কত মাছ হয়। মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাবে সারা দেশে পুকুরের গড় হেক্টরপ্রতি উৎপাদন ছিল ৪.৯৬ টন। ময়মনসিংহে তা ১২.৭২ টন, যশোরে ৭.১৭, নরসিংদীতে ৮.২৮ — আবার রাঙ্গামাটিতে মাত্র ২.০১ টন। অর্থাৎ একই আকারের পুকুর থেকে এক জেলায় যা হয়, আরেক জেলায় তার ছয় ভাগের এক ভাগও হয় না। অধিদপ্তর পুকুরকে চার ভাগে ভাগ করেছে — হেক্টরে দেড় টনের কম হলে সনাতন, দেড় থেকে চার টন আধা-নিবিড়, চার থেকে দশ টন নিবিড় আর দশ টনের বেশি অতি-নিবিড়। পুকুর যত নিবিড় হবে, পোনা আর খাবারের খরচ তত বাড়বে, লাভও তত বাড়বে — ঝুঁকিও। পুকুরের ৯০ ভাগের বেশি মাছ মাত্র কয়েকটা জাতের: পাঙাশ, তেলাপিয়া, রুই, সিলভার কার্প আর মৃগেল। টাকা আসে বছরে এক বা দুইবার, মাছ ধরার দিনে; কিন্তু খাবারের খরচ প্রতিদিন।
আয়-ব্যয়ের হিসাব
| খাত | পরিসর | সূত্র | সংশোধন পাঠান |
|---|---|---|---|
| মাসিক চলতি মূলধন | ৳৬,০০০ – ৳১৩,০০০ | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| বিক্রয় মূল্য | ৳৩০০ – ৳৪৫০ / কেজি | সরকারি সূত্র | |
| পরিবর্তনশীল খরচ | ৳১৫০ – ৳৩০০ / কেজি | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| মোট লাভের হার | ৩৩% – ৫০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময় | ২৪০ – ৩৬৫ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| খরচ উঠে আসার সময় | ১২ – ২৪ মাস | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| নগদ চক্র | ২৪০ – ৩৭০ দিন | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| অপচয় ও ক্ষতির হার | ১০% – ২০% | সম্পাদকীয় অনুমান | |
| দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা | ৫ – ৩৫ | সরকারি সূত্র |
শুরু করতে যা লাগবে
- জাল, চুন ও সার, পানির গভীরতা মাপার ব্যবস্থা, আর নিবিড় চাষ হলে অ্যারেটর বা পানির পাম্প।যন্ত্রপাতি
- পোনা ও মাছের খাবার — এই দুটোই বছরের প্রধান খরচ। পুকুর যত নিবিড়, দুটোই তত বেশি লাগে।শুরুর মাল
- ট্রেড লাইসেন্স — ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০। বাণিজ্যিকভাবে মাছ বিক্রি ও সরকারি সহায়তার জন্য দরকার হয়।লাইসেন্স
- মৎস্যচাষি নিবন্ধন ও পরামর্শ — উপজেলা মৎস্য দপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর। নিবন্ধিত চাষি প্রশিক্ষণ, পোনা ও প্রযুক্তি সহায়তার তালিকায় আসেন। ফি ও মেয়াদ এখানে যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
- পানির রং ও গন্ধ দেখে অক্সিজেন বোঝা, মাছের ওজন বৃদ্ধির হিসাব রাখা, আর কখন মাছ তুলতে হবে তা বুঝতে পারা।দক্ষতা
- হ্যাচারি বা সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার, মাছের খাবারের ডিলার, বরফকল, আর মাছ নেওয়ার জন্য একজন আড়তদার বা পাইকার।সরবরাহকারী
- পুকুর — নিজের বা লিজ নেওয়া। পাড় মজবুত হতে হবে যাতে বন্যায় মাছ বেরিয়ে না যায়, আর চারপাশে বড় গাছ না থাকাই ভালো।কাজের জায়গা
কাজের ধাপ
- 1নিজের জেলার পুকুরে হেক্টরে কত টন মাছ হয়, উপজেলা মৎস্য অফিসে গিয়ে সেই সংখ্যাটা জেনে নিন। ময়মনসিংহে যা সম্ভব, রাঙ্গামাটিতে তা নয় — শুরুর আগেই এটা জানা দরকার।
- 2পুকুর ঠিক করুন — নিজের, নাকি লিজ। লিজ হলে কত বছরের আর বছরে কত টাকা, তা লিখিত রাখুন; এক বছরের লিজে নিবিড় চাষ করা যায় না।
- 3পুকুর শুকিয়ে বা জাল টেনে রাক্ষুসে মাছ সরান, পাড় মেরামত করুন আর চুন দিন। এই কাজটা বাদ দিলে পোনা ছাড়ার টাকাটাই জলে যায়।
- 4কোন জাত চাষ করবেন ঠিক করুন। পুকুরের মাছের সবচেয়ে বড় অংশ পাঙাশ, তারপর তেলাপিয়া আর রুই — কারণ এগুলো দ্রুত বাড়ে আর বাজারে সব সময় চাহিদা থাকে।
- 5সরকারি মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার বা নির্ভরযোগ্য হ্যাচারি থেকে পোনা নিন। সস্তা ও দুর্বল পোনা কিনলে সারা বছরের খাবার খরচ বাড়ে, বৃদ্ধি কমে।
- 6খাবার দেওয়ার নিয়ম ঠিক করুন — দিনে কতবার, কত কেজি। খাবারই এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় খরচ, আর বেশি দিলে পানি নষ্ট হয়ে মাছ মরে।
- 7পানির রং আর মাছের আচরণ প্রতিদিন দেখুন। ভোরে মাছ পানির উপরে ভেসে হাঁ করলে অক্সিজেন কমে গেছে — তখনই ব্যবস্থা নিতে হয়, পরদিন নয়।
- 8মাঝে মাঝে জাল টেনে কয়েকটা মাছ ওজন করুন। ওজন না বাড়লে খাবার বা পানির সমস্যা আছে, আর তা যত দেরিতে ধরবেন তত বেশি টাকা নষ্ট।
- 9মাছ ধরার আগেই ক্রেতা ঠিক করুন — আড়তদার, পাইকার নাকি বাজারের খুচরা বিক্রেতা। মাছ তোলার পর ক্রেতা খুঁজলে যে দাম বলবে সেটাই নিতে হবে।
- 10একবারে সব মাছ না তুলে ধাপে ধাপে তুলুন। একসঙ্গে সব তুললে স্থানীয় বাজারে দাম পড়ে যায়, আর বরফ ও পরিবহনের খরচও একসঙ্গে বেড়ে যায়।
- 11প্রতি চক্র শেষে হিসাব করুন — মোট কত কেজি মাছ পেলেন আর কত টাকা খরচ হলো। কেজিপ্রতি খরচ বিক্রির দামের চেয়ে বেশি হলে পরের চক্রে জাত বা ঘনত্ব বদলাতে হবে।
মৌসুম
- জানুবেশি
- ফেব্রুস্বাভাবিক
- মার্চস্বাভাবিক
- এপ্রিলস্বাভাবিক
- মেস্বাভাবিক
- জুনস্বাভাবিক
- জুলাইস্বাভাবিক
- আগস্টস্বাভাবিক
- সেপ্টেস্বাভাবিক
- অক্টোবেশি
- নভেবেশি
- ডিসেবেশি
কোন জেলায় ভালো
- খুব উপযোগীগাজীপুর · হেক্টরপ্রতি ৬.৪৫ টন; ঢাকার বাজার হাতের কাছে।
- খুব উপযোগীযশোর · হেক্টরপ্রতি ৭.১৭ টন; পুরোনো হ্যাচারি বলয় হওয়ায় ভালো পোনা কাছেই পাওয়া যায়।
- খুব উপযোগীময়মনসিংহ · মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাবে পুকুরে হেক্টরপ্রতি ১২.৭২ টন — দেশের সর্বোচ্চ, আর অতি-নিবিড় চাষের জমিও এখানেই সবচেয়ে বেশি।
- খুব উপযোগীনরসিংদী · হেক্টরপ্রতি ৮.২৮ টন; ঢাকার কাছে হওয়ায় মাছ দ্রুত বড় বাজারে পৌঁছায়।
- সম্ভববগুড়া · হেক্টরপ্রতি ৪.৯৮ টন, জাতীয় গড়ের সামান্য উপরে; উত্তরবঙ্গের বড় মাছের আড়ত এখানেই।
- সম্ভবকুমিল্লা · হেক্টরপ্রতি ৪.৯১ টন; ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে হওয়ায় দুই শহরেই মাছ পাঠানো যায়।
- সম্ভবদিনাজপুর · হেক্টরপ্রতি ৪.৮৪ টন; পুকুরের আয়তন বড় কিন্তু বড় বাজার দূরে।
- সম্ভবরাজশাহী · হেক্টরপ্রতি ৪.৭৬ টন; নিবিড় চাষের আওতায় জমি তুলনামূলক বেশি।
- সম্ভবটাঙ্গাইল · হেক্টরপ্রতি ৫.৩৭ টন এবং চাষের আওতায় পুকুরের আয়তন বড়।
- কম উপযোগীচট্টগ্রাম · হেক্টরপ্রতি মাত্র ৩.০০ টন, আর পুকুরের বড় অংশ এখনো সনাতন পদ্ধতিতে চলে।
- কম উপযোগীকক্সবাজার · হেক্টরপ্রতি ২.৪০ টন; মিঠাপানির পুকুরে চাষের বদলে এখানে চিংড়ি ও লবণপানির চাষই বেশি।
- কম উপযোগীরাঙ্গামাটি · হেক্টরপ্রতি ২.০১ টন — দেশের সর্বনিম্ন। পাহাড়ি পথে পোনা ও খাবার আনার খরচই লাভ খেয়ে ফেলে।
ঝুঁকি ও সাবধানতা
- বেশিনষ্ট হওয়া: রাতারাতি মাছ মরে যাওয়া এই ব্যবসার সবচেয়ে বড় ভয়। গরমে অক্সিজেন কমে গেলে, বেশি খাবার দিয়ে পানি নষ্ট হলে বা রোগ ছড়ালে এক রাতেই পুকুরের বড় অংশ মাছ ভেসে উঠতে পারে — অথচ সারা বছরের খাবারের টাকা তার আগেই খরচ হয়ে গেছে। মাছ তোলার পরেও বরফ না পেলে কয়েক ঘণ্টায় দাম অর্ধেক হয়ে যায়।
- বেশিচলতি মূলধন: টাকা আসে বছরে এক বা দুইবার, মাছ ধরার দিনে; কিন্তু খাবারের খরচ প্রতিদিন। পুরো চক্রের খাবারের টাকা হাতে না রেখে শুরু করলে মাঝপথে খাওয়ানো কমাতে হয়, আর খাওয়ানো কমালে মাছের ওজন বাড়ে না — তখন যে টাকা খরচ হয়ে গেছে সেটাও ফেরত আসে না।
- মাঝারিচাহিদা: মাছ তোলার দিনে দাম যা বলবে তাই। একই এলাকায় অনেকে একসঙ্গে মাছ তুললে স্থানীয় আড়তে দাম পড়ে যায়, আর মাছ জমিয়ে রাখার উপায় নেই। পাঙাশ ও তেলাপিয়ার মতো যেসব জাত সবচেয়ে বেশি চাষ হয়, তাদের দামই সবচেয়ে কম।
- মাঝারিনির্ভরশীলতা: লিজ নেওয়া পুকুরে চাষ করলে মালিকের সিদ্ধান্তের উপর সব নির্ভর করে। লিজের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে পুকুর ছাড়তে হলে পাড় মেরামত ও চুনের খরচ পুরোটাই লোকসান।
- মাঝারিঅন্যান্য: বন্যা ও অতিবৃষ্টিতে পাড় ডুবে গেলে মাছ বেরিয়ে যায়, আর সেটা বিমার আওতায় নেই। নিচু জমির পুকুরে এটি প্রতি কয়েক বছরে একবার ঘটে।
ভিডিও ও সাক্ষাৎকার
২৮:৪৬
১৩:৪০
৯:২৬
১৮:৩২
১১:৫৮এই ব্যবসার গল্প
১৫–২০ লাখ টাকা ঋণে ছয় পুকুরে মাছ, বিক্রির আগমুহূর্তে বন্যায় ভেসে গেল
চট্টগ্রামের চন্দনাইশের এক মৎস্যচাষি ব্যাংক, এনজিও ও আত্মীয়দের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে ছয়টি পুকুরে মাছ ছেড়েছিলেন। বিক্রির কয়েক দিন আগে ২০২৬ সালের বন্যায় অধিকাংশ মাছ ভেসে যায়, এখন ঋণ শোধের পথ নেই।
- কারণ
- চলতি মূলধন, ভুল জায়গা
প্রবাস থেকে ফিরে ইজারার পুকুরে পাঙাশ, ১২ পুকুরে বছরে ৫ কোটির মাছ বিক্রি
সিঙ্গাপুরে ১৩ বছর কাটিয়ে ফেরা টাঙ্গাইলের সখীপুরের এক চাষি ইজারার পাঁচটি পুকুরে পাঙাশ দিয়ে শুরু করে এখন ৪০ একরে ১২টি পুকুরে মাছ চাষ করেন। ২০২১ সালে প্রায় পাঁচ কোটি টাকার মাছ বিক্রি করে খরচ বাদে প্রায় কোটি টাকা আয় হয়।
- কারণ
- ভালো যোগাযোগ, চাহিদা কম
পদক পাওয়া খামার উঠল নিলামে, ঘাড়ে ১১টি মামলা
২০১০ ও ২০১১ সালে জাতীয় পদক পাওয়া এই খামারির ছিল ৫০ বিঘার বেশি পুকুর, ২০০ গরু আর ৫,০০০ মুরগি। ২০১২ সাল থেকে ব্যাংকঋণে জড়িয়ে এখন বাড়ি ও খামার নিলামে, বিরুদ্ধে ১১টি মামলা।
- কারণ
- চলতি মূলধন, দক্ষতার ঘাটতি
কোথায় কিনবেন
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর (মহাপরিচালকের কার্যালয়)
যুব উন্নয়নের প্রধান দপ্তর — গরু মোটাতাজাকরণ, মাছ চাষ, সেলাই, কম্পিউটার ও ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ এবং যুব ঋণের নিয়ম এখান থেকে জানা যায়।
জীবন বীমা ভবন, ১০ দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে
বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি)
সরকারি মাছ অবতরণ কেন্দ্র ও পাইকারি মাছ বাজার চালায় — মাছ বেচাকেনা, বরফ ও প্রক্রিয়াকরণের সুবিধা এখান থেকে মেলে।
বিএফডিসি ভবন, ২৩-২৪, কাওরান বাজার, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫৪টি ব্যবসায় কাজে লাগে
মৎস্য প্রশিক্ষণ একাডেমি, সাভার
সাভারের মৎস্য প্রশিক্ষণ একাডেমিতে মাছ চাষ, পোনা উৎপাদন ও খামার ব্যবস্থাপনার আবাসিক প্রশিক্ষণ নেওয়া যায়।
মৎস্য প্রশিক্ষণ একাডেমি, সি এন্ড বি মোড়, সাভার, ঢাকা৫টি ব্যবসায় কাজে লাগে
জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়, বগুড়া
বগুড়ার জেলা মৎস্য দপ্তর — পোনার উৎস, পুকুরে মাছ চাষের পরামর্শ, হ্যাচারি ও মাছের খামার নিবন্ধনের কাজ করে।
জেলা মৎস্য দপ্তর, কৈগাড়ী, বগুড়া৫টি ব্যবসায় কাজে লাগে
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, উপপরিচালকের কার্যালয়, রংপুর
রংপুর জেলার তরুণরা এখানে সেলাই, কম্পিউটার, গরু-ছাগল ও মাছ চাষের স্বল্প খরচের প্রশিক্ষণ নিতে পারেন এবং যুব ঋণের আবেদন করতে পারেন।
উপপরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, বাংলাদেশ ব্যাংক মোড় (কফি হাউজের গলি), ধাপ, রংপুর৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, উপপরিচালকের কার্যালয়, বগুড়া
বগুড়া জেলার তরুণরা এখানে সেলাই, কম্পিউটার, গরু-ছাগল ও মাছ চাষের স্বল্প খরচের প্রশিক্ষণ নিতে পারেন এবং যুব ঋণের আবেদন করতে পারেন।
উপপরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, তিনমাথা রেলগেট, পুরান বগুড়া, বগুড়া-৫৮০০৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, উপপরিচালকের কার্যালয়, রাজশাহী
রাজশাহী জেলার তরুণরা এখানে সেলাই, কম্পিউটার, গরু-ছাগল ও মাছ চাষের স্বল্প খরচের প্রশিক্ষণ নিতে পারেন এবং যুব ঋণের আবেদন করতে পারেন।
উপ-পরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ষষ্ঠীতলা, রাজশাহী৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, উপপরিচালকের কার্যালয়, খুলনা
খুলনা জেলার তরুণরা এখানে সেলাই, কম্পিউটার, গরু-ছাগল ও মাছ চাষের স্বল্প খরচের প্রশিক্ষণ নিতে পারেন এবং যুব ঋণের আবেদন করতে পারেন।
উপ-পরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সৈয়দ আলী হোসেন সড়ক, সোনাডাঙ্গা, খুলনা-৯০০০৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে
উপপরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সিলেট
সিলেট জেলার তরুণরা এখানে সেলাই, কম্পিউটার, গরু-ছাগল ও মাছ চাষের স্বল্প খরচের প্রশিক্ষণ নিতে পারেন এবং যুব ঋণের আবেদন করতে পারেন।
উপপরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, যুব ভবন, টিলাগড়, সিলেট।৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে
উপপরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ঠাকুরগাঁও
ঠাকুরগাঁও জেলার তরুণরা এখানে সেলাই, কম্পিউটার, গরু-ছাগল ও মাছ চাষের স্বল্প খরচের প্রশিক্ষণ নিতে পারেন এবং যুব ঋণের আবেদন করতে পারেন।
উপপরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, জগন্নাথপুর, ঠাকুরগাঁও।৪টি ব্যবসায় কাজে লাগে
উপপরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, পাবনা
পাবনা জেলার তরুণরা এখানে সেলাই, কম্পিউটার, গরু-ছাগল ও মাছ চাষের স্বল্প খরচের প্রশিক্ষণ নিতে পারেন এবং যুব ঋণের আবেদন করতে পারেন।
উপ-পরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, মহেন্দ্রপুর, পাবনা।৪টি ব্যবসায় কাজে লাগে
উপপরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, নাটোর
নাটোর জেলার তরুণরা এখানে সেলাই, কম্পিউটার, গরু-ছাগল ও মাছ চাষের স্বল্প খরচের প্রশিক্ষণ নিতে পারেন এবং যুব ঋণের আবেদন করতে পারেন।
উপপরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, মেডিপ্যাথ ভবন, চকরামপুর, নাটোর।৪টি ব্যবসায় কাজে লাগে
উপপরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইল জেলার তরুণরা এখানে সেলাই, কম্পিউটার, গরু-ছাগল ও মাছ চাষের স্বল্প খরচের প্রশিক্ষণ নিতে পারেন এবং যুব ঋণের আবেদন করতে পারেন।
উপ পরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, যুব ভবন, নগরজালফৈ, টাঙ্গাইল।৪টি ব্যবসায় কাজে লাগে
উপপরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ফরিদপুর
ফরিদপুর জেলার তরুণরা এখানে সেলাই, কম্পিউটার, গরু-ছাগল ও মাছ চাষের স্বল্প খরচের প্রশিক্ষণ নিতে পারেন এবং যুব ঋণের আবেদন করতে পারেন।
উপপরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, পূর্ব গংগাবর্দী (কৃষি কলেজের বিপরীতে), ফরিদপুর।৪টি ব্যবসায় কাজে লাগে
উপপরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ভোলা
ভোলা জেলার তরুণরা এখানে সেলাই, কম্পিউটার, গরু-ছাগল ও মাছ চাষের স্বল্প খরচের প্রশিক্ষণ নিতে পারেন এবং যুব ঋণের আবেদন করতে পারেন।
উপ-পরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, ভোলা।৪টি ব্যবসায় কাজে লাগে
উপপরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, খাগড়াছড়ি
খাগড়াছড়ি জেলার তরুণরা এখানে সেলাই, কম্পিউটার, গরু-ছাগল ও মাছ চাষের স্বল্প খরচের প্রশিক্ষণ নিতে পারেন এবং যুব ঋণের আবেদন করতে পারেন।
উপপরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, খাগড়াপুর, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা।৪টি ব্যবসায় কাজে লাগে
উপপরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, মুন্সীগঞ্জ
মুন্সীগঞ্জ জেলার তরুণরা এখানে সেলাই, কম্পিউটার, গরু-ছাগল ও মাছ চাষের স্বল্প খরচের প্রশিক্ষণ নিতে পারেন এবং যুব ঋণের আবেদন করতে পারেন।
উপ পরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর (যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র), নাহাপাড়া (ভাংগার মোড়), বজ্রযোগিনী, মুন্সীগঞ্জ।৪টি ব্যবসায় কাজে লাগে
উপপরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরা জেলার তরুণরা এখানে সেলাই, কম্পিউটার, গরু-ছাগল ও মাছ চাষের স্বল্প খরচের প্রশিক্ষণ নিতে পারেন এবং যুব ঋণের আবেদন করতে পারেন।
উপ-পরিচালকের কার্যালয়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, তালতলা, খুলনা রোড, সাতক্ষীরা।৪টি ব্যবসায় কাজে লাগে
আলিম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
থ্রেশার, ড্রায়ার, চাফ কাটার, সেচ ও মাছচাষের যন্ত্রপাতি সিলেটের নিজস্ব কারখানায় তৈরি করে।
Alim Industries Limited, BSCIC Industrial Estate, Gutatikor Kodomtoli, Sylhet-3100, Bangladesh, সিলেট৬টি ব্যবসায় কাজে লাগে
প্যারাগন গ্রুপ
একদিনের বাচ্চা, পোলট্রি ও মাছের ফিড এবং ব্রিডিং সেবা দেয়।
Paragon House, 5 Mohakhali C/A, Dhaka 1212, Bangladesh, ঢাকা৩টি ব্যবসায় কাজে লাগে
সূত্র
- সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি, দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা · বাংলাদেশ
মাছ উৎপাদন / Fisheries Sector: Prospects and Potentials (২০২৩-২৪ অর্থবছরের উৎপাদন)
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা · বাংলাদেশ
সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তির ধাপ সমূহ
সংগ্রহ: ১৬ সেপ, ২০২৬যে হিসাবের সূত্র: শুরুর পুঁজি · বাংলাদেশ
- সংগ্রহ: ১৫ সেপ, ২০২৬
যে হিসাবের সূত্র: বিক্রয় মূল্য · ঢাকা মহানগর — সিপাহীবাগ, মিরপুর-৬, মোহাম্মদপুর টাউন হল, নিউমার্কেট, রামপুরা, মহাখালী বাজার
কী বদলেছে
এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।
প্রশ্নোত্তর
এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।
একই রকম আরও ব্যবসা
কৃষি ও খামারটার্কি পালন
২০১৫–২০২০ সালের হুজুগে প্রায় ৫ হাজার খামার হয়েছিল, এখন কয়েক শ। বাচ্চার দাম ৬০০ থেকে ১৫০ টাকায় নেমেছে আর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এই পালন নিরুৎসাহিত করে।
- পুঁজি
- ৳১ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ দিন
কৃষি ও খামারপান বরজ
বাঁশ ও ছনের বরজে পান চাষ। বিঘাপ্রতি খরচ প্রায় ৳১ লাখ, আর রাজশাহীতে ৬৪ পাতার এক বিড়া ৳১০০–১২০ থেকে নেমে ৳৪ টাকায়ও বিক্রি হয়েছে।
- পুঁজি
- ৳১ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১২০ – ১৮০ দিন
কৃষি ও খামারআগর চাষ
আগর গাছ লাগিয়ে কাঠে পেরেক মেরে আগর জমানো, তারপর সেই কাঠ থেকে আতর। কিন্তু প্রথম টাকা আসে ৮ থেকে ১৬ বছর পর, আর রপ্তানি করতে বন অধিদপ্তরের সাইটিস অনাপত্তি সনদ লাগে।
- পুঁজি
- ৳১ লাখ – ৳১০ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ২,৫৫৫ – ৫,৮৪০ দিন
কৃষি ও খামারসমতলের চা চাষ
সমতল জমিতে চা লাগিয়ে কাঁচা পাতা তুলে কারখানায় নগদে বিক্রি। মার্চ ২০২৬-এ নির্ধারিত দর কেজি ৳২৮, বাজারে ৳৩৪–৩৫; তবে ওজন থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কাটা যায়।
- পুঁজি
- ৳১ লাখ – ৳৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ৭৩০ – ১,০৯৫ দিন
