মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেসমকালের প্রতিবেদনে পাবনার ঈশ্বরদীর একজন মুড়ি ভাজার কারিগর

যন্ত্রের মুড়ি ৬০–৭০ টাকা, রাসায়নিকমুক্ত মুড়ি ১৬০–২০০ টাকা

ঢেঁকিছাঁটা চালে লবণ আর পানি দিয়ে ভাজা রাসায়নিকমুক্ত মুড়ি স্থানীয়ভাবে ১৬০ টাকা আর ঢাকা-চট্টগ্রামের সুপারশপে ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হয়, যেখানে যন্ত্রে ভাজা প্যাকেট মুড়ি ৬০–৭০ টাকা। একজন কারিগরের মাসিক আয় ১৫,০০০ টাকা।

পাবনার ঈশ্বরদীর হাজারীপাড়াসহ সাতটি গ্রামে শত শত নারী ত্রিশ বছর ধরে ঢেঁকিছাঁটা চাল, লবণ আর পানি ছাড়া আর কিছু না দিয়েই মুড়ি ভাজছেন; পেছনে আছে উবিনীগ আর নয়াকৃষি আন্দোলন। দামে লড়ার বদলে পণ্যটিকে নিরাপদ ও আলাদা হিসেবে দাঁড় করানো হয়েছে, আর ফারাকটা সেখানেই — যন্ত্রে ভাজা প্যাকেটের মুড়ি যেখানে ৬০–৭০ টাকা কেজি, সেখানে এই মুড়ি স্থানীয়ভাবে ১৬০ টাকা আর ঢাকা-চট্টগ্রামের সুপারশপে ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হয়। ত্রিশ বছর ধরে মুড়ি ভাজছেন এমন একজন কারিগর শুধু ভাজা থেকেই মাসে ১৫,০০০ টাকা আয় করেন। এলাকায় দিনে সব মিলিয়ে প্রায় ২৫ মণ মুড়ি হয়; এক চাতালমালিক একাই দিনে প্রায় আড়াই মণ ভাজেন, আর রোজা শুরুর পর এক জায়গা থেকেই ২,১০০ কেজি মুড়ি বিক্রি হয়েছে। এই মুড়ি যাচ্ছে সৌদি আরব, আরব আমিরাত, ইউরোপ, আমেরিকা ও ব্রিটেনে, আর হজের মৌসুমে চাহিদা আরও বাড়ে।

যা শেখার আছে

  1. ১.একই পণ্য নিরাপদ ও রাসায়নিকমুক্ত হিসেবে বিক্রি করলে সাধারণ দামের দ্বিগুণের বেশি পাওয়া যায় — টিকে থাকার কারণ পরিমাণ নয়, অবস্থান
  2. ২.স্বীকৃত একটা মান আর পেছনে একটা সংগঠন থাকলেই গ্রামের উৎপাদক সুপারশপের তাক পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেন

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।