মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা শিখেছিআলোকিত বাংলাদেশের প্রতিবেদনে ঈশ্বরদীর একজন আলুর আড়তদার

২৬–২৭ টাকায় কেনা আলু বিক্রি হচ্ছে ১২–১৩ টাকায়

আট ট্রাক আলু কেনা হয়েছিল কেজি ২৬–২৭ টাকায়; পাইকারি দাম নেমে ১৩ টাকা, হিমাগার থেকে বাছাই করা আলু ১২, অবাছাই ৯–১০ টাকা।

পাবনার ঈশ্বরদীর এই আড়তদার আট ট্রাক আলু কিনেছিলেন কেজি ২৬–২৭ টাকা দরে, তারপর হিমাগারে রেখেছিলেন। বিক্রির সময় দেখা যায় পাইকারি দর ১৩ টাকা, হিমাগার থেকে বাছাই করা আলু ১২ টাকা আর অবাছাই আলু ৯–১০ টাকা — যা ঢেলেছিলেন তার অর্ধেকও ওঠে না। তাঁর ভাষায়, "আমার মতো সকলেরই বড় ক্ষতি হয়ে যাবে।" কৃষকের উৎপাদন খরচ যেখানে কেজিতে ১৮–২০ টাকা, সেখানে ২৬–২৭ টাকায় কেনা মানে আগেই বাড়তি দাম দিয়ে ঝুঁকি কেনা। স্থানীয় এক হিমাগারের ৬৫,০০০ বস্তার মধ্যে ৩৫,০০০ বস্তা তখনো কেউ ছাড়িয়ে নেয়নি, কারণ ভাড়া দিয়ে বের করার চেয়ে ফেলে রাখাই সস্তা মনে হচ্ছিল। হিমাগারের মালিক বলেছেন, এমন মৌসুম তিনি আগে দেখেননি।

যা শেখার আছে

  1. ১.কৃষকের খরচ ১৮–২০ টাকা হলে ২৬–২৭ টাকায় কেনা মানে ভাড়া শুরুর আগেই বাড়তি ঝুঁকি কিনে ফেলা
  2. ২.হিমাগারে মাল তোলার আগেই ঠিক করুন কোন দামে বের করবেন — না হলে ভাড়ার ভয়ে মাল ফেলে রাখতে হয়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।