মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
ফিরে যান
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে জামালপুর পৌর শহরের একজন তরুণ মৌচাষি · ২০২৪ সালে শুরু

১ লাখ টাকায় ২০টি মৌ বাক্স, এখন ২০০ নিয়মিত ক্রেতা, মাসে আয় ৪০–৫০ হাজার

জামালপুরের এক বেকার তরুণ পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণ নিয়ে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে এক লাখ টাকায় ২০টি বাক্সে মৌচাষ শুরু করেন; ফেসবুক পেজে খুচরা-পাইকারি মধু বেচে এখন মাসে আয় ৪০–৫০ হাজার টাকা।

জামালপুর পৌর শহরের এই ৩৫ বছর বয়সী তরুণ টিউশনি, বেসরকারি চাকরি, এরপর মুদিদোকান — কোনোটিতেই সফল হননি। হতাশার সময় এক বড় ভাইয়ের পরামর্শে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে পাঁচ দিনের মৌচাষ প্রশিক্ষণ নেন। এরপর এক লাখ টাকা পুঁজিতে ২০টি মৌ বাক্স দিয়ে শুরু করেন। প্রথম দিকে মৌমাছির কামড়ে ভয় পেতেন; শরীরে এখনো দাগ আছে।

নভেম্বর থেকে মে পর্যন্ত মধুর মৌসুমে বাক্স নিয়ে ঘুরতে হয় জামালপুর, সরিষাবাড়ী, টাঙ্গাইল, দিনাজপুর, সুনামগঞ্জে — শর্ষে, তিল, কালিজিরা, লিচুবাগান, এমনকি রাবারবাগানেও মাসের পর মাস থেকেছেন। প্রতি বাক্স থেকে মাসে দুই-তিনবার মধু তোলেন। বাড়িতেই গড়েছেন নিজের নামে মৌ খামার; খুচরা ও পাইকারি দরে বিক্রি করেন, ফেসবুকেও পেজ আছে। খুচরা দরে কালিজিরার মধু কেজি ১,৪০০, রাবারপাতা ১,৬০০, তিল ১,০০০, লিচু ফুল ৬০০ ও শর্ষের মধু ৪০০ টাকা।

প্রথম আলোর ২০২৫ সালের এপ্রিলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁর মাসিক আয় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা, নিয়মিত ক্রেতা প্রায় ২০০ জন। তাঁর ভাষায়, খাঁটি মধু দেওয়ায় কেউ একবার নিলে বারবার আসেন। আগামী বছর আরও ৫০টি বাক্স কেনার পরিকল্পনা।

যা শেখার আছে

  1. ১.অল্প বাক্সে (এখানে ২০টি) শুরু করে কাজ শিখুন, তারপর বাড়ান।
  2. ২.ফুলভেদে মধুর দামের পার্থক্য বিশাল (শর্ষে ৪০০ বনাম রাবারপাতা ১,৬০০ টাকা) — কোন ফুলের মৌসুমে কোথায় বাক্স নেবেন, সেটাই আয়ের বড় হিসাব।
  3. ৩.নিজের পেজে সরাসরি বেচলে খাঁটি মধুর জন্য নিয়মিত ক্রেতা গড়া যায়।

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।