মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে যশোরের একজন তরুণ মেরামতকারী · ২০২৩ সালে শুরু

ছয় মাসের প্রশিক্ষণের পর নিজের মেরামতের দোকান, মাসে প্রায় ৪০ হাজার

বাবার মৃত্যুর পর দীর্ঘদিন বেকার ছিলেন। ২০২৩ সালে ইলেকট্রিক কাজের ছয় মাসের হাতেকলমে প্রশিক্ষণ নিয়ে দোকান দেন; এখন মাসে আয় প্রায় ৪০ হাজার টাকা, কর্মচারী দুজন।

যশোরের বেকাটিয়া ইউনিয়নের এই তরুণের বাবা মারা যান ২০১৮ সালে, তখন তিনি এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছিলেন; এরপর অনেকটা সময় বেকার কাটে। ২০২৩ সালে পিকেএসএফের রেইজ প্রকল্পে ইলেকট্রিক কাজ ও মেরামতের ছয় মাসের হাতেকলমে প্রশিক্ষণ নেন। প্রশিক্ষণ শেষে ছোট একটি ঋণ নিয়ে নিজের মেরামতের দোকান দেন, যেখানে ফ্রিজ, টেলিভিশনসহ ঘরের বৈদ্যুতিক জিনিসপত্র সারানো হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী এখন তাঁর মাসিক আয় প্রায় ৪০ হাজার টাকা এবং দোকানে দুজন কর্মচারী কাজ করেন। এক রকম যন্ত্র নয়, নানা রকম জিনিস সারানোর কারণেই গ্রামের দোকানে সারা বছর কাজ থাকে।

যা শেখার আছে

  1. ১.হাতেকলমে ছয় মাসের একটি কোর্সই দীর্ঘ বেকারত্ব থেকে নিজের দোকানে পৌঁছে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট হয়েছে
  2. ২.একটি নয়, ঘরের কয়েক রকম যন্ত্র সারালে মৌসুম-নির্ভরতা কমে, সারা বছরই কাজ আসে

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।