মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
মিশ্র অভিজ্ঞতাদৈনিক সংগ্রামের প্রতিবেদনে ঝিনাইদহের একজন ইজিবাইক চার্জিং দোকানি

নিজের বানানো যন্ত্রে ইজিবাইক চার্জ, খরচ ১ লাখ ১০ হাজার — আয়ের হিসাব এখনো নেই

বিদ্যুৎ অফিসে দুই বছর বিনা বেতনে কাজ শিখে নিজেই চার্জ কন্ট্রোলার, ডিসি মোটর, ডায়নামোসহ যন্ত্র বসিয়েছেন ইজিবাইক চার্জ দিতে। যন্ত্রটি চালু করতে খরচ হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের এই তরুণ সপ্তম শ্রেণির পর পড়া ছেড়ে দুই বছর কালীগঞ্জ বিদ্যুৎ অফিসে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজ করেছেন, যেখানে মাসিক বেতন ছিল না — লাইন মেরামত করে গ্রাহকের কাছ থেকে যা পেতেন তাতেই চলত। এক কর্মকর্তার দুর্ব্যবহারের পর প্রতিবেদনের প্রায় দেড় বছর আগে সে কাজ ছেড়ে দিয়ে তিনি নিজে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চেষ্টা শুরু করেন। কালীগঞ্জ শহরের কোলাহাটা মোড়ে নিজের দোকানে তিনি একটি চার্জ কন্ট্রোলার, দুটি রাডার, একটি ডিসি মোটর, একটি ডায়নামো, কয়েকটি পুলি আর নিজের বানানো দুটি সার্কিট বসিয়ে ইজিবাইক চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করেন; যন্ত্রাংশ আনতে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ নানা জায়গায় ঘুরতে হয়েছে আর খরচ পড়েছে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা। তাঁর ভাষায়, "এখন কোন প্রকার জ্বালানি ব্যবহার না করেই নিজের প্রযুক্তিতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দিয়ে চলছে ইজিবাইক চার্জ দেয়ার কাজ।" একজন ইজিবাইকচালক জানিয়েছেন, সপ্তাহখানেক ধরে তিনি প্রতি রাতে সেখানেই চার্জ দিচ্ছেন, খরচও কম পড়ছে। তবে প্রতি গাড়িতে কত নেওয়া হয়, দিনে কতজন আসেন বা আয় কত — প্রতিবেদনে তার কিছুই নেই।

যা শেখার আছে

  1. ১.টাকা নয়, বিদ্যুতের হাতেকলমে কাজ জানাই তাঁকে চার্জিংয়ের ব্যবসায় ঢোকার যোগ্যতা দিয়েছে
  2. ২.লাখ টাকার বেশি ঢালা হয়ে গেছে, অথচ প্রতিবেদনে খদ্দের হাতে গোনা — ওই পর্যায়ে আয় তখনো প্রমাণিত নয়

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।