মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

ইজিবাইক চার্জিং স্টেশন

ইজিবাইক ও ব্যাটারিচালিত রিকশার ব্যাটারি চার্জ করার গ্যারেজ। বিদ্যুতের দর এলটি-ডি৩ শ্রেণিতে ইউনিটপ্রতি ৳৯.০৯–১৪.২০, আর আবাসিক সংযোগ থেকে বাণিজ্যিক চার্জিং নিষিদ্ধ।

  • শেষ পর্যালোচনা: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
ইজিবাইক চার্জিং স্টেশন

ইজিবাইক চার্জিং স্টেশন

শুরুর পুঁজি
৳১,০০,০০০ – ৳৫,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম বিক্রি
৩০ – ৯০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৪ – ৯ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
ওয়ার্কশপ · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

ইজিবাইক চার্জিং স্টেশনের পুরো ব্যবসাটাই দুটো সংখ্যার ফারাক — বিদ্যুতের দাম আর এক চার্জে নেওয়া টাকা। বিইআরসি ৩ জুন ২০২৬ তারিখে নতুন খুচরা মূল্যহার ঠিক করেছে, আর সেখানে 'ইলেকট্রিক ভেহিকেল ও ব্যাটারি চার্জিং স্টেশন'-এর জন্য আলাদা শ্রেণি আছে — এলটি-ডি৩। এই শ্রেণিতে ফ্ল্যাট দর প্রতি ইউনিট ৳১১.৩৬, অফ-পিকে ৳১০.২২, সুপার অফ-পিকে ৳৯.০৯ আর পিক সময়ে ৳১৪.২০। চার্জিং স্টেশনের জন্য সুপার অফ-পিক ধরা হয়েছে ভোর ৫টা থেকে সকাল ৯টা, অফ-পিক রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা এবং সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা, আর পিক বিকেল ৫টা থেকে রাত ১১টা। সঙ্গে ডিমান্ড চার্জ ৳৯০ প্রতি কিলোওয়াট প্রতি মাস আর জামানত ৳৯৬০ প্রতি কিলোওয়াট। এখানেই আসল সমস্যা। একই তালিকায় বাড়ির বিদ্যুৎ লাইফলাইনে ৳৪.৬৩, প্রথম ধাপে ৳৫.২৬ আর দ্বিতীয় ধাপে ৳৮.৫০ — অর্থাৎ বৈধ চার্জিং সংযোগের প্রায় অর্ধেক। তাই অনেক গ্যারেজ বাড়ির মিটার থেকে চার্জ দেয়। বিইআরসি-র আদেশেই স্পষ্ট লেখা আছে, আবাসিক গ্রাহকের সংযোগ থেকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যাটারি চার্জ করা যাবে না, আর অন্য শ্রেণির প্রাঙ্গণে চার্জ করলে সেই শ্রেণির দরেই বিল হবে। আরেকটা বড় ঝুঁকি সামনে: ১৭ আগস্ট ২০২৬-এ স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, ই-রিকশার আলাদা বিধিমালা হচ্ছে এবং সৌরবিদ্যুতের বাইরে রিচার্জ করলে নিবন্ধন দেওয়া বা নবায়ন করা হবে না।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৩৩,০০০ – ৳৭৭,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳১৫০ – ৳২৫০ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
পরিবর্তনশীল খরচ৳৫৫ – ৳১২৮ / এককসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার১৫% – ৭৮%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়৩০ – ৯০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৪ – ৯ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র০ – ৩০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার১৫% – ২৫%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা১০ – ৪০সম্পাদকীয় অনুমান

শুরু করতে যা লাগবে

  • চার্জার, মিটার বোর্ড, প্রতিটি পয়েন্টে সার্কিট ব্রেকার ও আর্থিং, আর পাওয়ার ফ্যাক্টর ঠিক রাখতে ক্যাপাসিটর ব্যাংক। ৬০ ভোল্ট ১৫০ অ্যাম্পিয়ারের পাঁচ-ব্যাটারির চার্জার ১৬-০৯-২০২৬ তারিখে দারাজে ৳১,৯৯৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল (বিক্রেতা Rayan Tech)।যন্ত্রপাতি
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ব্যবসার ধরন অনুযায়ী ৳১০০–৬০,০০০।লাইসেন্স
  • এলটি-ডি৩ শ্রেণির বিদ্যুৎ সংযোগ — বিতরণ কোম্পানি থেকে। নতুন সংযোগ বা লোড পরিবর্তনের আবেদন ফি এলটি এক-ফেজ ৳১২০, তিন-ফেজ ৳৩৬০; জামানত ৳৯৬০ প্রতি কিলোওয়াট; ডিমান্ড চার্জ ৳৯০ প্রতি কিলোওয়াট প্রতি মাস। আবাসিক সংযোগ থেকে বাণিজ্যিক চার্জিং নিষিদ্ধ।লাইসেন্স
  • বিদ্যুতের লোড হিসাব, পাওয়ার ফ্যাক্টর বোঝা আর নিরাপদ ওয়্যারিং। লাইসেন্সপ্রাপ্ত ইলেকট্রিশিয়ান ছাড়া তার টানা যাবে না।দক্ষতা
  • বিতরণ কোম্পানির অনুমোদিত ঠিকাদার আর চার্জার ও ব্যাটারির সরবরাহকারী। অনেক স্টেশন ব্যাটারি বিক্রি ও বদলানোর কাজও করে।সরবরাহকারী
  • খোলা বা আধা-খোলা গ্যারেজ, শক্ত মেঝে, বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা আর আগুন নেভানোর সরঞ্জাম। একসঙ্গে অনেক ব্যাটারি চার্জ হলে গ্যাস জমে, তাই বদ্ধ ঘর চলবে না।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1সিদ্ধান্তের আগে নিয়মটা পড়ুন। বিইআরসি-র ৩ জুন ২০২৬ তারিখের আদেশে বলা আছে, আবাসিক গ্রাহকের সংযোগ থেকে বাণিজ্যিকভাবে ইলেকট্রিক ভেহিকেল বা ব্যাটারি চার্জ করা যাবে না। বাড়ির লাইনে চার্জিং ব্যবসা করা মানেই নিয়ম ভাঙা।
  2. 2বিতরণ কোম্পানিতে (ডেসকো, ডিপিডিসি, বিপিডিবি, পল্লী বিদ্যুৎ, ওজোপাডিকো বা নেসকো) এলটি-ডি৩ শ্রেণিতে নতুন সংযোগের আবেদন করুন। আবেদন ফি তিন-ফেজে ৳৩৬০, এক-ফেজে ৳১২০।
  3. 3কত কিলোওয়াট লোড চাইবেন তা আগে হিসাব করুন, কারণ জামানত ধরা হয় ৳৯৬০ প্রতি কিলোওয়াট আর ডিমান্ড চার্জ ৳৯০ প্রতি কিলোওয়াট প্রতি মাস। ২০ কিলোওয়াটে জামানত দাঁড়ায় ৳১৯,২০০।
  4. 4অনুমোদিত লোডের বেশি টানবেন না। অনুমোদিত লোড ছাড়িয়ে গেলে অতিরিক্ত অংশে দ্বিগুণ ডিমান্ড চার্জ বসে — চার্জিং গ্যারেজে এটা খুব সহজেই ঘটে, কারণ সব চার্জার একসঙ্গে চালু হয়।
  5. 5চার্জের সময় ঠিক করুন দর দেখে। চার্জিং স্টেশনের জন্য সুপার অফ-পিক ভোর ৫টা–সকাল ৯টা (৳৯.০৯), অফ-পিক রাত ১১টা–ভোর ৫টা ও সকাল ৯টা–বিকেল ৫টা (৳১০.২২), আর পিক বিকেল ৫টা–রাত ১১টা (৳১৪.২০)। পিকে চার্জ দিলে ইউনিটপ্রতি ৳৫ বেশি যায়।
  6. 6পাওয়ার ফ্যাক্টর ০.৯৫-এর নিচে নামতে দেবেন না। প্রতি ০.০১ কমার জন্য এনার্জি চার্জের উপর ০.৭৫ শতাংশ সারচার্জ, আর টানা তিন মাস ০.৭৫-এর নিচে থাকলে ১৫ দিনের নোটিশে সংযোগ কেটে দেওয়া হয়। সাধারণ চার্জারের পাওয়ার ফ্যাক্টর খারাপ, তাই ক্যাপাসিটর ব্যাংক লাগবে।
  7. 7প্রিপেইড মিটার নিন। নিট বিলে (ভ্যাট বাদে) ০.৫ শতাংশ ছাড় পাওয়া যায়, আর মাস শেষের বড় বিলের ধাক্কাও এড়ানো যায়।
  8. 8গ্যারেজ বানান বাতাস চলাচলের ব্যবস্থাসহ। লেড-অ্যাসিড ব্যাটারি চার্জ হওয়ার সময় গ্যাস ছাড়ে, আর বদ্ধ ঘরে অনেকগুলো ব্যাটারি একসঙ্গে চার্জ দেওয়া আগুন ও বিস্ফোরণের ঝুঁকি।
  9. 9প্রতিটি চার্জারের আলাদা সার্কিট ব্রেকার ও আর্থিং রাখুন এবং তার নিজে টানবেন না — লাইসেন্সপ্রাপ্ত ইলেকট্রিশিয়ান দিয়ে করান। চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনা নিয়মিত ঘটছে।
  10. 10চার্জ প্রতি টাকা ঠিক করার আগে নিজের ইউনিট খরচ বের করুন। এক পূর্ণ চার্জে অন্তত ৬–৯ ইউনিট যায়, অর্থাৎ ৳৫৫–১২৮ টাকার বিদ্যুৎ। এর সঙ্গে ডিমান্ড চার্জ, ভাড়া ও কর্মীর খরচ যোগ করে তবেই দর ঠিক করুন।
  11. 11সৌরবিদ্যুতের সিদ্ধান্তটা মাথায় রাখুন। ১৭ আগস্ট ২০২৬-এ স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ই-রিকশা সৌরবিদ্যুতের বাইরে রিচার্জ করলে নিবন্ধন দেওয়া বা নবায়ন করা হবে না, আর নিবন্ধন দেবে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা। বিধিমালা চূড়ান্ত হওয়ার আগে বড় বিনিয়োগ করার আগে দুবার ভাবুন।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চস্বাভাবিক
  4. এপ্রিলস্বাভাবিক
  5. মেস্বাভাবিক
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টস্বাভাবিক
  9. সেপ্টেস্বাভাবিক
  10. অক্টোস্বাভাবিক
  11. নভেস্বাভাবিক
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীকুমিল্লা · উপজেলা ও পৌর শহরগুলোর সংযোগ সড়কে ইজিবাইকই প্রধান বাহন।
  • খুব উপযোগীঢাকা · দেশের সবচেয়ে বড় ব্যাটারিচালিত বাহনের বাজার; প্রথম আলোর ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর নিবন্ধ অনুযায়ী শুধু ঢাকাতেই প্রায় ১৫ লাখ মানুষ এই খাতের সঙ্গে যুক্ত। তবে জোনিং ও নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিও এখানেই সবচেয়ে বেশি।
  • খুব উপযোগীগাজীপুর · কারখানার শ্রমিক পরিবহনে ইজিবাইকের নির্ভরতা বেশি, আর ঢাকার তুলনায় নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল।
  • খুব উপযোগীনারায়ণগঞ্জ · ঘন বসতি ও ছোট দূরত্বের যাতায়াত — ইজিবাইকের জন্য আদর্শ, তাই গ্যারেজের চাহিদা স্থিতিশীল।
  • সম্ভববগুড়া · বাণিজ্যকেন্দ্র, মালবাহী ব্যাটারিচালিত ভ্যানের ব্যবহার বেশি।
  • সম্ভবযশোর · জেলা ও উপজেলা শহরে ইজিবাইকের ব্যবহার বেশি, আর মহাসড়ক এড়িয়ে চলার সুযোগও আছে।
  • সম্ভবকুষ্টিয়া · পৌর এলাকা ও হাটবাজারের সংযোগে ইজিবাইক প্রধান বাহন।
  • সম্ভবময়মনসিংহ · শহর ও আশপাশের উপজেলার যাতায়াতে ব্যাটারিচালিত রিকশার নির্ভরতা বেশি।
  • সম্ভবরংপুর · গ্রামীণ সড়কে ব্যাটারিচালিত ভ্যান ও রিকশার সংখ্যা বেশি; তবে ক্রয়ক্ষমতা কম বলে চার্জের দর কম রাখতে হয়।
  • কম উপযোগীবান্দরবান · পাহাড়ি ঢাল ও ছড়ানো বসতির কারণে ইজিবাইকের ব্যবহার কম, আর বিদ্যুৎ সংযোগও সর্বত্র নেই।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: সৌরবিদ্যুতের শর্তটাই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ন্ত্রণে আলাদা বিধিমালা হচ্ছে এবং সৌরবিদ্যুতের বাইরে রিচার্জ করলে এসব যানের নিবন্ধন দেওয়া ও নবায়ন করা হবে না; নিবন্ধন দেবে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা, আর ঢাকাকে আটটি জোনে ভাগ করে জিও-ফেন্সিং করা হবে। বিধিমালা এখনো চূড়ান্ত হয়নি, কিন্তু চূড়ান্ত হলে গ্রিডের বিদ্যুতে চলা একটা গ্যারেজের খদ্দেরই আর নিবন্ধিত থাকবে না। এই অবস্থায় বড় বিনিয়োগ করা মানে নিয়ম বদলের ঝুঁকি নিজের ঘাড়ে নেওয়া।
  • বেশিআইনি বাধ্যবাধকতা: বাড়ির মিটার থেকে চার্জ দেওয়ার প্রলোভন এবং তার শাস্তি। এলটি-ডি৩ শ্রেণিতে ইউনিট ৳১১.৩৬, আর বাড়ির বিদ্যুৎ লাইফলাইনে ৳৪.৬৩, প্রথম ধাপে ৳৫.২৬ ও দ্বিতীয় ধাপে ৳৮.৫০ — প্রায় অর্ধেক। বিইআরসি-র আদেশে স্পষ্ট বলা আছে, সেচ পাম্প, শিক্ষা-ধর্মীয়-দাতব্য ও হাসপাতাল শ্রেণির প্রাঙ্গণ ছাড়া অন্য যেকোনো প্রাঙ্গণে চার্জ করলে সেই প্রাঙ্গণের শ্রেণির দরেই বিল হবে, এবং আবাসিক গ্রাহকের সংযোগ থেকে বাণিজ্যিকভাবে চার্জ করা যাবে না। ধরা পড়লে শ্রেণি বদলে বকেয়া বিল, আর সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে আবার জুড়তে এলটি তিন-ফেজে ৳৯৬০ দিতে হয়।
  • মাঝারিচলতি মূলধন: ডিমান্ড চার্জ ও অতিরিক্ত লোডের ফাঁদ। ডিমান্ড চার্জ ৳৯০ প্রতি কিলোওয়াট প্রতি মাস দিতে হয় গাড়ি এলেও, না এলেও। আর অনুমোদিত লোড ছাড়িয়ে গেলে অতিরিক্ত অংশে দ্বিগুণ ডিমান্ড চার্জ বসে — চার্জিং গ্যারেজে সব চার্জার একসঙ্গে চালু হয় বলে এটা প্রায়ই ঘটে। বিল দেরিতে দিলে আরও ৫ শতাংশ।
  • মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: পাওয়ার ফ্যাক্টরের সারচার্জ। পাওয়ার ফ্যাক্টর ০.৯৫-এর নিচে নামলে প্রতি ০.০১-এর জন্য এনার্জি চার্জে ০.৭৫ শতাংশ সারচার্জ, আর টানা তিন মাস ০.৭৫-এর নিচে থাকলে ১৫ দিনের নোটিশে সংযোগ কাটা। সস্তা চার্জারের পাওয়ার ফ্যাক্টর খারাপ হয়, আর অনেকগুলো একসঙ্গে চললে বিলে তার প্রভাব স্পষ্ট বোঝা যায়।
  • মাঝারিচাহিদা: খদ্দেরের বাহনটাই এখনো অনিয়মিত। ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ প্রথম আলোয় প্রকাশিত এক নিবন্ধ অনুযায়ী ঢাকায় প্রায় ১৫ লাখ ও সারা দেশে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ সরাসরি এই খাতের সঙ্গে যুক্ত, অথচ এই যানগুলোর বড় অংশের নিবন্ধনই নেই। ঢালাও উচ্ছেদ, জব্দ বা রুট নিষেধাজ্ঞা এলে গ্যারেজের খদ্দের রাতারাতি কমে যেতে পারে, আর বিনিয়োগ করা চার্জার ও সংযোগের জামানত পড়ে থাকবে।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

মিশ্র অভিজ্ঞতাদৈনিক সংগ্রামের প্রতিবেদনে ঝিনাইদহের একজন ইজিবাইক চার্জিং দোকানি

নিজের বানানো যন্ত্রে ইজিবাইক চার্জ, খরচ ১ লাখ ১০ হাজার — আয়ের হিসাব এখনো নেই

বিদ্যুৎ অফিসে দুই বছর বিনা বেতনে কাজ শিখে নিজেই চার্জ কন্ট্রোলার, ডিসি মোটর, ডায়নামোসহ যন্ত্র বসিয়েছেন ইজিবাইক চার্জ দিতে। যন্ত্রটি চালু করতে খরচ হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা।

পুঁজি
৳১.১ লাখ
কারণ
দক্ষতার ঘাটতি, চলতি মূলধন

একই রকম আরও ব্যবসা

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

সাউন্ড ও লাইট ভাড়া

মাইক, সাউন্ড বক্স ও আলো কিনে অনুষ্ঠানে দিন হিসেবে ভাড়া দেওয়া। ভেড়ামারায় গাড়িসহ এক দিনের মাইক ভাড়া ৳১,২০০, তার ৳৫০০ যন্ত্রের। শব্দদূষণ বিধিমালা ২০২৫ অনুযায়ী এখন লিখিত অনুমতি লাগে।

পুঁজি
৳১ লাখ – ৳৪.৫ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৭ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফি

অনুষ্ঠানের ছবি ও ভিডিও তোলার কাজ। ছোট প্যাকেজ ৳১৫,০০০ থেকে শুরু, আর কাজ চালানোর মতো ক্যামেরা-লেন্স-ট্রাইপডেই লাগে প্রায় ৳১,০৫,০০০।

পুঁজি
৳৮৫ হাজার – ৳৪ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৭ – ৩০ দিন
বাজারদর
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

লন্ড্রি ও ইস্ত্রি সেবা

কাপড় ধুয়ে-ইস্ত্রি করে ফিরিয়ে দেওয়ার কাজ, বাড়ি থেকে নিয়ে আসা-নেওয়াসহ। ঢাকায় এক শার্ট ধোয়া ও ইস্ত্রি ৳৬০ থেকে ৳১৫৫, শুধু ইস্ত্রি ৳১৫।

পুঁজি
৳৮০ হাজার – ৳৯ লাখ
জনবল
২ – ১০ জন
প্রথম আয়
৩ – ১০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবা

এসি ও ফ্রিজ সার্ভিসিং

বাসা ও অফিসে গিয়ে এসি-ফ্রিজ সার্ভিসিং ও মেরামত। মার্চ-জুনে কাজের চাপ, শীতে প্রায় বন্ধ — তাই বাৎসরিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি ছাড়া বারো মাস চালানো কঠিন।

পুঁজি
৳৬০ হাজার – ৳৪ লাখ
জনবল
১ – ৬ জন
প্রথম আয়
৭ – ৩০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান