ফেব্রুয়ারিতে বাজার বসল মোটে তিন দিন, ৭ হাজার ফুল অবিক্রীত
যশোরের পানিসারায় দুই বিঘার শেডে জারবেরা। নির্বাচন ও গণভোটের কারণে গদখালীর বাজার ফেব্রুয়ারিতে বসেছে মোটে ৭ থেকে ৯ তারিখ; ৭,০০০ ফুল বিক্রি না হওয়ায় শুধু সেখান থেকেই ক্ষতি প্রায় ১ লাখ টাকা।
যশোরের ঝিকরগাছার পানিসারায় এই ফুলচাষির দুই বিঘা জমিতে শেডের নিচে জারবেরার চাষ। বসন্তবরণ আর ভালোবাসা দিবস — বছরের সবচেয়ে চড়া দামের দিনগুলো ধরেই ফুল তুলে রেখেছিলেন। কিন্তু জাতীয় নির্বাচন আর গণভোটের কারণে ফেব্রুয়ারির প্রায় পুরোটা গদখালীর ফুলবাজার বন্ধ ছিল, বেচাকেনা হয়েছে মোটে ৭ থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি, এই তিন দিন। তাঁর ভাষায়, "বাজার বন্ধ থাকায় এসব ফুল বিক্রি করতে পারিনি" — শুধু ৭,০০০ অবিক্রীত ফুলেই ক্ষতি দাঁড়ায় প্রায় ১ লাখ টাকা। অন্যদের অবস্থাও এক: কেউ গোলাপে ভালোবাসা দিবসের বাড়তি দামটা পাননি, কেউ বাজার না পেয়ে গাঁদা ফুল গরুকে খাইয়ে দিয়েছেন। গদখালী এলাকায় ৮০০ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিক ফুলচাষ হয়, জড়িত প্রায় ৬ হাজার পরিবার, বছরে উৎপাদন ৩৫০–৪০০ কোটি টাকার — চাষি সমিতি বলছে, কয়েক দিন বাজার বন্ধ থাকাতেই মৌসুমের সেই বিক্রিটা আর হয়নি।
যা শেখার আছে
- ১.ফুলচাষে বছরের আয় জমা হয়ে থাকে হাতে গোনা কয়েকটা উৎসবের দিনে — এক সপ্তাহ বাজার বন্ধ মানেই পুরো মৌসুম শেষ
- ২.কাটা ফুল জমিয়ে রেখে ভালো দামের অপেক্ষা করা যায় না — দ্বিতীয় কোনো বিক্রির পথ না থাকলে ফুল ফেলে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না
যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
আলোচনা
এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।
