মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে দিনাজপুরের কাহারোলের একজন মহিষ খামারি · ২০১৬ সালে শুরু

১৩টি গরু দিয়ে শুরু, এখন শুধু মহিষের দামই সোয়া কোটি

২০১৬ সালে ১৩টি দেশি গরু দিয়ে শুরু। এখন ১০৭ শতাংশ জমিতে ৪৫টি গরু আর ৫২টি ভারতীয় সংকর মহিষ, বিক্রি হয় তিন মাস পরপর; একটি মহিষের সর্বনিম্ন দাম ৭০,০০০ টাকা থেকে ১ লাখ।

দিনাজপুরের কাহারোলের রামচন্দ্রপুর গ্রামের এই খামারি অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর করে একটি এনজিওতে আত্মকর্মসংস্থান নিয়ে কাজ করতেন; নানা জেলা ঘুরে সফল খামারিদের কাজ কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছিল। চাকরি ছেড়ে গ্রামে ফিরে ২০১৬ সালে ১৩টি দেশি গরু দিয়ে খামার শুরু করেন। শুরুর ৫০ শতাংশ জমির সঙ্গে খামারের আয় থেকেই আরও ৫৭ শতাংশ কিনেছেন; এখন ১০৭ শতাংশ জমিতে ২৪০ ফুট বাই ৯০ ফুটের তিনটি লাগোয়া শেডে ৪৫টি গরু আর ৫২টি ভারতীয় সংকর মহিষ আছে। কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট আর রাজশাহী থেকে তুলনামূলক কম দামে পশু কিনে মোটাতাজা করে তিন মাস পরপর স্থানীয় ব্যাপারীদের কাছে বিক্রি করেন — মহিষের ওজন থাকে ২৫০ থেকে ৫০০ কেজি, গরুর ১০০ থেকে ৪০০ কেজি। খড়, ভুসি, খইল আর সাইলেজের সঙ্গে খামারের ৮ বিঘা জমির নেপিয়ার ঘাস খাওয়ানো হয়, প্রতিটি পশু দিনে ১২ থেকে ২২ কেজি খাবার খায়, আর সব সময় আড়াই মাসের খাবার মজুত থাকে। ১০ থেকে ১৫ জন কর্মী মাসিক বেতনে বা দিনমজুরিতে কাজ করেন, আর তাঁর কথায়, "বর্তমানে খামারের শুধু মহিষগুলো বিক্রি করলেই অন্তত সোয়া কোটি টাকা পাওয়া যাবে।"

যা শেখার আছে

  1. ১.লাভটা শুধু পালনে নয় — উদ্বৃত্ত জেলা থেকে কম দামে কিনে বাড়ির কাছে নির্দিষ্ট চক্রে বিক্রি করাই এখানে আসল কাজ
  2. ২.৮ বিঘায় নিজের নেপিয়ার ঘাস আর আড়াই মাসের খাবার মজুত রাখলে খাবারের দাম হঠাৎ বাড়লেও খামার টলে না

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।