মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

মহিষ পালন

চরে বা বাথানে মহিষ পালন করে দুধ বেচা। একটি মহিষ দিনে ৪ থেকে ৮ কেজি দুধ দেয়, আর মহিষের দুধ লিটারে ৮০ থেকে ১৩০ টাকায় যায় — তবে সেই দাম শুধু সেসব জেলায় যেখানে দই বা মিষ্টির কারিগর আছে।

  • শেষ পর্যালোচনা: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • সংস্করণ ১
মহিষ পালন

মহিষ পালন

শুরুর পুঁজি
৳১,৫০,০০০ – ৳১০,০০,০০০
সম্পাদকীয় অনুমান
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম বিক্রি
১ – ৩৬৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠতে
৮ – ২৪ মাস
সম্পাদকীয় অনুমান
কাজের ধরন
খামার · মাঝারি কঠিন

ব্যবসাটি সম্পর্কে

চরের ঘাসে বা বাথানে মহিষ পালন করে দুধ বেচা, আর সেই দুধ থেকে দই, পনির বা মিষ্টি বানানো। দেশে মহিষ আছে ১৫ লাখ ৩২ হাজার, কিন্তু মোট দুধের মাত্র ৫ ভাগ আসে মহিষ থেকে; ভারতে সেটা ৪৩ ভাগ আর পাকিস্তানে ৬৫ ভাগ। কারণটা পুরনো — এ দেশে মহিষকে হাল টানতে আর গাড়ি টানতে পোষা হতো, দুধের জন্য নয়, তাই দেশি জাতের দুধ কম। এই ব্যবসার আসল কথা হলো দাম কোথায় মেলে। মহিষের দুধে চর্বি বেশি, তাই দই জমে ঘন আর সেই দইয়ের আলাদা বাজার আছে। লক্ষ্মীপুরে দিনে ৮ থেকে ১০ টনের বেশি মহিষের দই তৈরি হয় আর বছরে প্রায় ৫০ কোটি টাকার বেচাকেনা হয়; প্রতি লিটার দুধে দই হয় ৯৫০ গ্রাম, আর দই বিক্রি হয় কেজি ২০০ থেকে ২৫০ টাকায়। জামালপুরের বকশীগঞ্জে নঈম মিয়ার হাটে প্রতি হাটে ২০০ থেকে ৩০০ কেজি টক দই বিক্রি হয়, কেজি ১২০ থেকে ২৫০ টাকা। ভোলার মহিষের দুধের টক দই জিআই স্বীকৃতিও পেয়েছে। কিন্তু যেখানে দইয়ের কারিগর নেই, সেখানে মহিষের দুধ গরুর দুধের দরেই বেচতে হয় — তখন এই ব্যবসার আর কোনো মানে থাকে না। আর জমি ছোট হয়ে আসছে। লক্ষ্মীপুরে দুই বছরে মহিষ ৬৫–৭০ হাজার থেকে নেমে ৫০ হাজারে এসেছে; কারণ হিসেবে বলা হয়েছে চারণভূমিতে বসতি বাড়া, আবাদ বাড়া, ঘাসের অভাব, ঋণ না পাওয়া, প্রশিক্ষণ না থাকা, নদীতে ডাকাতি আর বাঁধ না থাকা।

আয়-ব্যয়ের হিসাব

খাতপরিসরসূত্রসংশোধন পাঠান
মাসিক চলতি মূলধন৳৫,০০০ – ৳৬০,০০০সম্পাদকীয় অনুমান
বিক্রয় মূল্য৳৮০ – ৳১৩০ / কেজিবাজারদর
পরিবর্তনশীল খরচ৳৪ – ৳৫৫ / কেজিসম্পাদকীয় অনুমান
মোট লাভের হার৩২% – ৫৮%সম্পাদকীয় অনুমান
প্রথম বিক্রি পর্যন্ত সময়১ – ৩৬৫ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
খরচ উঠে আসার সময়৮ – ২৪ মাসসম্পাদকীয় অনুমান
নগদ চক্র১ – ৩০ দিনসম্পাদকীয় অনুমান
অপচয় ও ক্ষতির হার৩% – ১২%সম্পাদকীয় অনুমান
দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা৪ – ৮অভিজ্ঞ-যাচাইকৃত

শুরু করতে যা লাগবে

  • দুধের পাত্র ও ছাঁকনি, দই বসানোর হাঁড়ি, আর দুধ হাটে নেওয়ার ব্যবস্থা। চরে ঠান্ডা রাখার ব্যবস্থা সাধারণত থাকে না, তাই দ্রুত পৌঁছানোই একমাত্র ভরসা।যন্ত্রপাতি
  • শুকনো মৌসুমের খড় ও দানাদার খাদ্য, আর দই বসালে মাটির হাঁড়ি ও কলাপাতা। খাদ্যের বর্তমান দাম এখানে যাচাই করা যায়নি।শুরুর মাল
  • উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে খামার নিবন্ধন ও টিকার খাতা। প্রতিটি উপজেলায় প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল আছে; টিকা, চিকিৎসা ও প্রশিক্ষণ এখান থেকেই আসে। নিবন্ধনের ফি এখানে যাচাই করা যায়নি।লাইসেন্স
  • ট্রেড লাইসেন্স — সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ। ফরম ৳১০, লাইসেন্স বই ৳৫০, আদর্শ কর ৳৩০, স্ট্যাম্প ৳১৫০–৩০০, লাইসেন্স ফি ৳১০০–৬০,০০০, ৩–৫ কর্মদিবসে দেয়।লাইসেন্স
  • টিকার সময়সূচি মানা — প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী গবাদিপশু ও মহিষে: তড়কা ১ মিলি চামড়ার নিচে, প্রথম ডোজ ৬ মাস বয়সে, পরে বছরে একবার; গলাফুলা ২ মিলি, ৬ মাস বয়সে শুরু, প্রতি ৬ মাসে; বাদলা ৫ মিলি, ৬ মাস বয়সে শুরু, প্রতি ৬ মাসে; ক্ষুরা রোগ ৪ মাস বয়সে শুরু, প্রতি ৪ মাসে।দক্ষতা
  • দুধের নিশ্চিত ক্রেতা — দই বা মিষ্টির কারিগর। রায়পুরের ঘোষ মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের মালিক দিনে ১৫০ থেকে ২০০ লিটার মহিষের দুধ নেন; এমন একজন ক্রেতা না থাকলে দাম পড়ে যায়।সরবরাহকারী
  • চারণভূমি ও পানিতে নামার জায়গা — চর, বিল বা খোলা মাঠ, সঙ্গে রাতে রাখার উঁচু ভিটা বা বাথান। লক্ষ্মীপুরে চারণভূমিতে বসতি বাড়া ও আবাদ বাড়ায় দুই বছরে মহিষ ৬৫–৭০ হাজার থেকে ৫০ হাজারে নেমেছে।কাজের জায়গা

কাজের ধাপ

  1. 1আগে ক্রেতা ঠিক করুন, পরে মহিষ। আপনার এলাকায় মহিষের দুধের দই বা মিষ্টির কারিগর আছে কি না দেখুন — না থাকলে মহিষের দুধ গরুর দুধের দরেই বেচতে হবে আর পালনের বাড়তি ঝামেলার কোনো দাম মিলবে না।
  2. 2চারণের জায়গা ঠিক করুন। মহিষ দিনভর ঘাস খায় আর পানিতে নামে; কেনা খাদ্যে মহিষ পালা লাভজনক রাখা কঠিন, তাই চর, বিল বা খোলা মাঠ ছাড়া এই কাজ কঠিন।
  3. 3উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরে গিয়ে নাম লেখান। টিকা, চিকিৎসা ও প্রশিক্ষণ ওই অফিস থেকেই আসে, আর প্রতিটি উপজেলায় অফিস আছে।
  4. 4বাছুর অবস্থাতেই টিকার খাতা খুলুন — ছয় মাস বয়সে তড়কা, গলাফুলা ও বাদলার প্রথম টিকা, আর ক্ষুরা রোগের প্রথম টিকা চার মাস বয়সে।
  5. 5টিকার তারিখ ঘড়ি ধরে মানুন — ক্ষুরা রোগের টিকা প্রতি চার মাসে, গলাফুলা ও বাদলা প্রতি ছয় মাসে, তড়কা বছরে একবার। একটা ডোজ বাদ পড়লে গোটা বাথান ঝুঁকিতে পড়ে।
  6. 6দুধ দোয়ার পর দেরি করবেন না। কাঁচা দুধ গরমে কয়েক ঘণ্টায় নষ্ট হয়, আর চরে ঠান্ডা রাখার কোনো ব্যবস্থা থাকে না — তাই সকালের দুধ সকালেই কারিগরের হাতে যেতে হবে।
  7. 7দুধ বেচবেন নাকি নিজে দই বসাবেন, তা আগে হিসাব করুন। এক লিটার দুধে দই হয় ৯৫০ গ্রাম; দই কেজি ২০০–২৫০ টাকায় গেলে এক লিটার দুধ থেকে আয় ১৯০–২৩৮ টাকা, অথচ দুধ বেচলে ৮০–১৩০ টাকা।
  8. 8হাটের দিন ধরে কাজ সাজান। বকশীগঞ্জের নঈম মিয়ার হাট বসে শনি ও মঙ্গলবার, আর প্রতি হাটে ২০০ থেকে ৩০০ কেজি টক দই বিক্রি হয় — দই বসাতে হয় তার আগের রাতে।
  9. 9শুকনো মৌসুমের জন্য খড় আগে থেকে জমান। চরে ঘাস ফুরিয়ে গেলে বাইরে থেকে খড় কিনতে হয়, আর তখনই দাম সবচেয়ে বেশি থাকে।
  10. 10ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের সময় মহিষ সরানোর জায়গা আগে ঠিক করে রাখুন। চরে বাঁধ না থাকায় এক রাতের জোয়ারে গোটা বাথান ভেসে যেতে পারে।
  11. 11দুধ বা দই নিয়মিত বেচা শুরু করলে ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিন — ৩ থেকে ৫ কর্মদিবসে পাওয়া যায়।
  12. 12কোন মহিষ কবে বাচ্চা দিল আর দিনে কত দুধ দিল, লিখে রাখুন। কম দুধের মহিষ চিনতে না পারলে খাবারের খরচ তার পেছনেই যেতে থাকে।

মৌসুম

  1. জানুস্বাভাবিক
  2. ফেব্রুস্বাভাবিক
  3. মার্চকম
  4. এপ্রিলকম
  5. মেকম
  6. জুনস্বাভাবিক
  7. জুলাইস্বাভাবিক
  8. আগস্টবেশি
  9. সেপ্টেবেশি
  10. অক্টোবেশি
  11. নভেবেশি
  12. ডিসেস্বাভাবিক
বেশিস্বাভাবিককম

কোন জেলায় ভালো

  • খুব উপযোগীভোলা · নদী ও সাগরঘেরা দ্বীপ, ছোট-বড় প্রায় ২১টি চরে বহুকাল ধরে মহিষ পালা হয়; ভোলার মহিষের দুধের টক দই জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে, তাই নামের জোরেই দাম আলাদা।
  • খুব উপযোগীজামালপুর · বকশীগঞ্জের সুর্ণনগরে নঈম মিয়ার হাটে শনি ও মঙ্গলবার প্রতি হাটে ২০০–৩০০ কেজি মহিষের টক দই বিক্রি হয়, কেজি ১২০–২৫০ টাকা — ছোট খামারির জন্য নিশ্চিত বাজার।
  • খুব উপযোগীলক্ষ্মীপুর · দেশের সবচেয়ে গোছানো মহিষের দইয়ের বাজার — দিনে ৮ থেকে ১০ টনের বেশি দই, বছরে প্রায় ৫০ কোটি টাকার বেচাকেনা; রায়পুরে দুধ সংগ্রহ কেন্দ্র ও ঘোষ মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের মতো নিয়মিত ক্রেতা আছে।
  • খুব উপযোগীনোয়াখালী · মেঘনার মোহনায় বিস্তীর্ণ চর, আর পাশেই লক্ষ্মীপুরের দইয়ের বাজার — দুধ বেচার জায়গা কাছেই।
  • সম্ভববাগেরহাট · উপকূলীয় এলাকায় মহিষ আছে, কিন্তু লবণাক্ততা ও চিংড়ির ঘেরের কারণে চারণভূমি সীমিত।
  • সম্ভববরগুনা · চর ও খোলা চারণভূমি আছে, কিন্তু ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকি বেশি আর বাঁধের সুরক্ষা কম।
  • সম্ভবকুড়িগ্রাম · মহিষের দুধের চমচম এখানকার পরিচিত মিষ্টি, অর্থাৎ দুধ নেওয়ার কারিগর আছে; ব্রহ্মপুত্রের চরে চারণভূমিও আছে।
  • সম্ভবপটুয়াখালী · উপকূলীয় চরে মহিষ পালা হয়, তবে দই ও মিষ্টির কারিগর কম বলে দুধের বাড়তি দাম সব জায়গায় মেলে না।
  • সম্ভবসিরাজগঞ্জ · যমুনার চরে বাথানে পশু পালার পুরনো চল আছে; দুধ ঢাকার বাজারে পাঠানো যায়, তবে মহিষের দইয়ের আলাদা বাজার এখানে ছোট।

ঝুঁকি ও সাবধানতা

  • বেশিনির্ভরশীলতা: চারণভূমি কমে যাচ্ছে, আর চারণভূমি না থাকলে মহিষ পালা লাভজনক থাকে না। লক্ষ্মীপুরে দুই বছরে মহিষ ৬৫–৭০ হাজার থেকে ৫০ হাজারে নেমেছে; কারণ হিসেবে বলা হয়েছে চারণভূমিতে বসতি বাড়া, আবাদ বাড়া, ঘাসের অভাব, ব্যাংক ঋণ না পাওয়া, প্রশিক্ষণ না থাকা, নদীতে চুরি-ডাকাতি আর ঝড় ঠেকানোর বাঁধ না থাকা। রায়পুরের দুধ সংগ্রহ কেন্দ্রে দিনে ২০০ লিটার দুধ আসত, এখন আসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার।
  • বেশিচাহিদা: মহিষের দুধের বাড়তি দাম গোটা দেশে নেই, আছে কয়েকটা জেলায় যেখানে দই ও মিষ্টির কারিগর আছে — লক্ষ্মীপুর, ভোলা, জামালপুরের বকশীগঞ্জ, কুড়িগ্রাম। এর বাইরে মহিষের দুধ গরুর দুধের দরেই বেচতে হয়, অথচ মহিষ পালার ঝামেলা ও ঝুঁকি বেশি। এলাকা ভুল হলে গোটা হিসাব উল্টে যায়।
  • বেশিনষ্ট হওয়া: কাঁচা দুধ গরমে কয়েক ঘণ্টায় নষ্ট হয়, আর চরে বরফ বা ঠান্ডা রাখার কোনো ব্যবস্থা নেই। নৌকা দেরি করলে বা হাটের দিন বৃষ্টি হলে সেদিনের দুধ ফেলে দিতে হয় — ক্ষতিটা সেদিনই, পরে পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই।
  • মাঝারিআইনি বাধ্যবাধকতা: টিকার তারিখ বাদ পড়লে ক্ষতি বড়। ক্ষুরা রোগের টিকা প্রতি চার মাসে দিতে হয়, গলাফুলা ও বাদলা প্রতি ছয় মাসে, তড়কা বছরে একবার। বাথানে সব মহিষ একসঙ্গে থাকে, তাই একটি অরক্ষিত পশু থেকে গোটা পাল আক্রান্ত হতে পারে, আর অসুস্থ মহিষের দুধ বন্ধ হয়ে যায়।
  • বেশিঅন্যান্য: চরে ঝড়, জলোচ্ছ্বাস আর ডাকাতি — তিনটাই আছে। বাঁধ না থাকায় এক রাতের জোয়ারে গোটা বাথান ভেসে যেতে পারে, আর নদীতে চুরি-ডাকাতিকে মহিষ কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বীমা নেই, ব্যাংক ঋণও সহজে মেলে না।
  • মাঝারিচলতি মূলধন: মহিষ কিনতে বড় টাকা এককালীন লাগে, আর দুধ আসতে শুরু করে বাচ্চা হওয়ার পর। মাঝের সময়টায় খাবার ও রাখালের খরচ চলতেই থাকে। প্রতিবেদনে ব্যাংক ঋণ না পাওয়াকে এই খাতের সাতটি সমস্যার একটি হিসেবে বলা হয়েছে।

সূত্র

কী বদলেছে

এখনো কোনো সংশোধন প্রকাশ হয়নি।

প্রশ্নোত্তর

এখনো কেউ প্রশ্ন করেননি। আপনিই প্রথম প্রশ্ন করুন।

এই ব্যবসার গল্প

যা কাজ করেছেপ্রথম আলোর প্রতিবেদনে দিনাজপুরের কাহারোলের একজন মহিষ খামারি

১৩টি গরু দিয়ে শুরু, এখন শুধু মহিষের দামই সোয়া কোটি

২০১৬ সালে ১৩টি দেশি গরু দিয়ে শুরু। এখন ১০৭ শতাংশ জমিতে ৪৫টি গরু আর ৫২টি ভারতীয় সংকর মহিষ, বিক্রি হয় তিন মাস পরপর; একটি মহিষের সর্বনিম্ন দাম ৭০,০০০ টাকা থেকে ১ লাখ।

কারণ
ভালো যোগাযোগ, চলতি মূলধন

একই রকম আরও ব্যবসা

কৃষি ও খামার

ড্রাগন ফল চাষ

খুঁটিতে ড্রাগন চাষ। বিঘাপ্রতি ঢালতে হয় ১–৪ লাখ টাকা, ফল আসে প্রায় এক বছর পর, আর দাম ৳৫০০ থেকে নেমে কারওয়ান বাজারে ৳৮০–১০০ কেজি।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৪ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
৩৬৫ দিন
বিতর্কিত
কৃষি ও খামার

চিংড়ির ঘের

লোনা পানির ঘেরে বাগদা-গলদা চাষ। এ বছর হাজার রেণুর দাম ৳১,৩০০–১,৭০০ থেকে বেড়ে প্রায় ৳৩,০০০, হ্যাচারি ৭৮ থেকে নেমে ৩৭ — খরচ বেড়েছে, ঝুঁকিও।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৬ লাখ
জনবল
১ – ৫ জন
প্রথম আয়
৯০ – ১৫০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

ব্রয়লার মুরগির খামার

এক দিনের বাচ্চা তুলে এক মাসে জ্যান্ত মুরগি বিক্রি। খামারে দাম ২০২৬ সালে কেজি ৳১১০ থেকে ৳১৯৮ পর্যন্ত উঠানামা করেছে, আর উৎপাদন খরচ প্রায় ৳১৪০।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৬ লাখ
জনবল
১ – ৩ জন
প্রথম আয়
৩২ – ৬০ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান
কৃষি ও খামার

গরু মোটাতাজাকরণ

সস্তায় গরু কিনে খাইয়ে কোরবানির হাটে বিক্রি। দিনে গরুপ্রতি খরচ প্রায় ৳২২৫, আর ২০২৬ সালের কোরবানিতে প্রস্তুত করা চারটি পশুর একটি বিক্রিই হয়নি।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ – ৳৮ লাখ
জনবল
১ – ৪ জন
প্রথম আয়
১২০ – ৩৬৫ দিন
সম্পাদকীয় অনুমান