মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি
আরও গল্প
যা কাজ করেছেআজকের পত্রিকার প্রতিবেদনে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ের একজন ঘরোয়া কেক প্রস্তুতকারক · ২০২০ সালে শুরু

২–৩ হাজার টাকার শুরু, কেক বিক্রিতে আয় লাখ টাকা ছাড়িয়েছে

২০২০ সালে ২,০০০–৩,০০০ টাকা খরচ করে ঘরে কেক বানানো শুরু; এ পর্যন্ত কেক বিক্রি করে আয় লাখ টাকার বেশি। মাসিক আয় বা কর্মীর সংখ্যা প্রতিবেদনে নেই।

রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ের এই নারী ২০২০ সালে করোনার সময় ২,০০০–৩,০০০ টাকা খরচ করে ঘরেই কেক বানানো শুরু করেন। প্রথম কেকগুলো পরিবারের লোকজনের প্রশংসা পাওয়ার পর তিনি বিক্রির কথা ভাবেন, আর ফেসবুকে অর্ডার নিতে শুরু করেন। পরে তালিকায় যোগ হয় চকলেট, ভ্যানিলা, স্ট্রবেরি, লেবু, কমলা, বাটারস্কচ আর পান্দান কেক, আর বাচ্চাদের জন্মদিনের কার্টুন-নকশার কেক — যেগুলোর জন্য ক্রেতারা বাড়তি দাম দিতে রাজি। প্রতিবেদন অনুযায়ী এ পর্যন্ত কেক বিক্রি করে তাঁর আয় লাখ টাকা ছাড়িয়েছে, আর তিনি এলাকার আরও কয়েকজন নারীকে কেক বানানো শিখিয়েছেন। মাসে কত আয় হয় বা কেউ তাঁর অধীনে কাজ করেন কি না, প্রতিবেদনে সে কথা নেই।

যা শেখার আছে

  1. ১.জন্মদিনের নকশা করা কেকের জন্যই ক্রেতারা বাড়তি দাম দেন — ঘরোয়া বেকারির আসল অর্ডার এখানেই
  2. ২.দুই-তিন হাজার টাকাতেই বোঝা যায় আপনার বানানো জিনিস মানুষ আসলে কিনবে কি না

যাঁর গল্প, তাঁর অনুমতি নিয়ে এবং পরিচয় গোপন রেখে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আলোচনা

এখনো কেউ কিছু লেখেননি। আপনিই প্রথম লিখুন।